somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

পোস্টটি যিনি লিখেছেন

রাজনীতি
২০০৬ এর ২৮ অক্টোবর ঢাকার রাজপথে হাসিনার দ্বারা লগি বৈঠা দিয়ে মানুষ হত্যার দায়ে শেখ হাসিনার ফাসি চাই।২২৮ অক্টোবর রাজপথে হাসিনার দ্বারা লগি বৈঠা দিয়ে মানুষ হত্যার দায়ে শেখ হাসিনার ফাসি চাই।

আওয়ামী হায়েনারা এক মালেকের জীবন নিয়ে ভেবেছিল সব শেষ করতে সক্ষম হয়েছে। কিন্তু এক মালেকের হারানো বেদনা ভুলতে আমরা লাখো মালেক!

১৫ ই আগস্ট, ২০০৮ দুপুর ১:০৮
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

আজ ১৫ আগষ্ট। ইসলামী শিক্ষা আন্দোলনের অগ্রসেনানী আব্দুল মালেকের ৩৯তম শাহাদাত বার্ষিকী। ইসলামী শিক্ষার পক্ষে কথা বলতে গিয়ে ধর্ম নিরপেক্ষতাবাদী ও সমাজতন্ত্রীদের হাতে গুরুতর আহত হওয়ার ৩ দিন পর ১৯৬৯ সালের এই দিনে তিনি শহীদী মৃত্যুর অমিয়সুধা পান করেন।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাণ রসায়ন বিভাগের সেরা ছাত্রের মর্মান্তিক ও নির্মম হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ইসলামপ্রিয় তরুণরা একদিনের জন্যও ভোলেনি। শহীদ আব্দুল মালেক লাখো তরুণের ‘প্রেরণার বাতিঘর', ‘তিমির রাতের অভিযাত্রী', ‘আলোরদিশারী' হিসেবে বেঁচে আছেন। ইসলামী ছাত্রশিবির এই দিনটিকে ইসলামী শিক্ষা দিবস হিসেবে পালন করে আসছে।
ধর্ম নিরপেক্ষ, নাস্তিক্যবাদী যে ছাত্র সংগঠনগুলোর মুখে মুক্ত চিন্তা ও বাক স্বাধীনতার তুবড়ি ফোটে তাদের হাতেই ১৯৬৯ সালের ১২ আগষ্ট কালের অন্যতম শ্রেষ্ঠ সন্তান আব্দুল মালেক নির্মমভাবে প্রহৃত ও মারাত্মক জখম হন। পাকিস্তানের শিক্ষানীতি কী হবে এনিয়ে ঐদিন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে টিএসসিতে আয়োজিত মুক্ত আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়। এতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাণরসায়ন বিভাগের সেরা ছাত্র, তৎকালীন ছাত্র ইসলামী আন্দোলনের ঢাকা শহর সভাপতি শহীদ আব্দুল মালেক বক্তব্য দিতে চাইলে প্রথমে বাধা দেয়া হয়। পরে সুযোগ দিলে তিনি তার ক্ষুরধার যুক্তি দিয়ে ইসলামী শিক্ষার অপরিহার্যতা প্রমাণ করেন। তিনি প্রমাণ করতে সক্ষম হয়েছিলেন, ইসলামী শিক্ষা ব্যবস্খা হলো প্রকৃত শিক্ষা ব্যবস্খা। যার মাধ্যমে সত্যিকার শিক্ষিত মানব জাতি প্রতিষ্ঠা করা সম্ভব। এরূপ সত্যবচনে সেক্যুলারপন্থীদের গায়ে জ্বালা ধরে। তারা হায়েনার মতো হামলে পড়ে মালেকের উপর। চিকিৎসাধীন অবস্খায় ১৯৬৯ সালের ১৫ আগষ্ট তিনি অসংখ্য সহপাঠী ও শুভানুধ্যায়ীকে শোকের সাগরে ভাসিয়ে আল্লাহর সান্নিধ্যে চলে যান।

তারা চেয়েছিল শহীদ আব্দুল মালেককে হত্যা করে ইসলামী শিক্ষা ব্যবস্খার আন্দোলনকে চিরতরে মুছে ফেলতে। কিন্তু তাদের এই ষড়যন্ত্র চূড়ান্তভাবে ব্যর্থ হয়েছে। তার প্রমাণ আজকের এই বাংলাদেশ। আব্দুল মালেকের রক্ত ইসলামী শিক্ষা ও সমাজ ব্যবস্খার আন্দোলনকে আরো বেগবান করেছে। শহীদ আব্দুল মালেকের মধ্যে বিস্ময়করভাবে অনুকরণীয় সব গুণের সমাবেশ ঘটেছিল। তার গোটা জীবনকে বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়, তিনি ছিলেন প্রখর মেধাবী, অনুন্ধিতসু,নিরহংকার, বিনয়ী, মিষ্টভাষী, দ্বীন প্রতিষ্ঠায় নিষ্ঠাবান কর্মী, সঠিক নেতৃত্ব দানের দূর্লভ যোগ্যতার অধিকারী, ভালোবাসা, ত্যাগ ও কুরবানীর উজ্জ্বল ও অনুপম দৃষ্টান্ত।
আব্দুল মালেকের জন্ম ১৯৪৭ সালের মে মাসে। জন্ম স্খান বগুড়া জেলার ধুনট উপজেলার খোকসাবাড়ী গ্রামে। অসাধারণ মেধাবী আব্দুল মালেক জুনিয়র স্কলারশীপ লাভ করেন। এসএসসি পরীক্ষায় রাজশাহী বোর্ডে মেধা তালিকায় একাদশ স্খান অর্জন করেন। রাজশাহী কলেজ থেকে পরীক্ষা দিয়ে মেধা তালিকায় ৪র্থ স্খান নিয়ে এইচএসসি পাস করেন। এরপর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের জৈব রসায়ন বিভাগে ভর্তি হন। শাহাদাত বরণ কালে তিনি ৩য় বর্ষের ছাত্র ছিলেন। তিনি ফজলুল হক মুসলিম হলের আবাসিক ছাত্র হিসেবে ১২২ নং রুমে থাকতেন।

বিস্তারিত জানতে পড়ুন: রক্তাক্ত জনপদ বইটি।



৫২টি মন্তব্য ১৬টি উত্তর পূর্বের ৫০টি মন্তব্য দেখুন

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

রমজানের ঐ রোজার শেষে এলো খুশির ঈদ

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ২০ শে মার্চ, ২০২৬ রাত ৮:৩৪


আজ বাদে কাল ঈদ। ঈদ-উল-ফিতর প্রতি বছর আমাদের জীবনে নতুন নতুন অনুভূতি নিয়ে ফিরে আসে, তবে এই আনন্দের জোয়ার সবচেয়ে বেশি আছড়ে পড়ে শিশু-কিশোরদের মনে। সেই ছোটবেলার কথা মনে... ...বাকিটুকু পড়ুন

ঈদ মোবারক! ঈদ মোবারক!! ড: এম এ আলী ভাইয়ের লিরিকে আমার ঈদের গান

লিখেছেন সোনাবীজ; অথবা ধুলোবালিছাই, ২১ শে মার্চ, ২০২৬ রাত ১২:৫৭

আমার জন্য ঘটনাটা একটু বিব্রতকর হয়ে গেছে। শায়মা আপুর এসো ঈদের গল্প লিখি ...... পড়ি পোস্টে আলী ভাইয়ের কমেন্ট (১০ নম্বর) পড়তে পড়তে নীচে নামতে নামতে নিজের নাম দেখে হুট... ...বাকিটুকু পড়ুন

ঈদ মোবারক ! খুশীর দিনের ভাবনা

লিখেছেন স্বপ্নের শঙ্খচিল, ২১ শে মার্চ, ২০২৬ সকাল ৮:৫৩

ঈদ মোবারক ! খুশীর দিনের ভাবনা




সামুর সকল সদস্যর প্রতি থাকল ঈদ মোবারক ! খুশীর আনন্দ বয়ে আনুক সারাদিন !!!

আমরা সবাই রীতি অনুসারে পারস্পরিক শুভেচ্ছা জানাই এই দিনে ।
ইসলামী... ...বাকিটুকু পড়ুন

আল্লাহ তাআলার অনুপম উপমা: কুরআনে প্রকৃতি ও প্রাণের অপূর্ব ছবি

লিখেছেন নতুন নকিব, ২১ শে মার্চ, ২০২৬ দুপুর ১২:৩০

আল্লাহ তাআলার অনুপম উপমা: কুরআনে প্রকৃতি ও প্রাণের অপূর্ব ছবি

অন্তর্জাল থেকে নেওয়া।

যখন আরব জাতির সাহিত্যিক প্রতিভা তার চরম শিখরে পৌঁছেছিল, যখন কবিতা ছিল তাদের হৃদয়ের স্পন্দন, আবেগের প্রকাশ এবং... ...বাকিটুকু পড়ুন

ঈদের দিন লেখা একটি বিষন্ন কবিতা

লিখেছেন সামিয়া, ২১ শে মার্চ, ২০২৬ বিকাল ৫:১৪




বিষন্ন বিকেলে একা বসে থাকি রোজ,
ঈদের হুলস্থুল পাশ দিয়ে চলে যায়।
সুখের কাছে যেতে চাওয়া মন
কোনো রাস্তা খোলা নেই।

মুখে বলিনি প্রতিদিন কত কথা,
কিন্তু চোখে তাকালেতো কেউ বুঝতে,
এই ছোট্ট... ...বাকিটুকু পড়ুন

×