somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

ভালোবাসা কিংবা অভিমান !!

০৮ ই জুন, ২০১৪ সকাল ৭:৪২
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

মেয়েটা ঘরের সব আলো নিভিয়ে দিয়ে বালিশে মাথা গুঁজে কাঁদছে।কাঁন্নার কোন আওয়াজ পাওয়া যাচ্ছেনা।নিরবে কাঁদা হয়তো একেই বলে।সব কষ্ট গুলো অশ্রু হয়ে বেঁয়ে যেতে চায় কিন্তু কষ্টতো অপরিসীম যাকে বলে ইনফিনিটি।এদিকে একমাত্র মেয়ের ঘরে সেই বিকেল থেকে কোনো সাড়া শব্দ নেই। তাই রাহেলা বেগম মেয়ের ঘরের সামনে গিয়ে দরজায় টোকা দিলেন কিন্তু কোনো সাড়া শব্দ নেই দেখে ভাবলেন মেয়ে হয়তো ঘুমিয়ে গেছে।


…..গতরাতের রিদিমের কথাগুলো মনে পড়ে গেল তানজিনার।কিভাবে ছেলেটা এতোগুলো কথা বলে গেল... তানজিনা ভাবছে।তার কি আদৌ কোন দোষ ছিল।রিদিম এতোগুলো পঁচা কথা কিভাবে বলল?

---কথাগুলো ভাবতেই আবার কেঁদে ফেলল।কি হইছে ছেলেটার?এমন করছে কেন? কথা গুলো ভাবতে ভাবতেই আবার ঘুমিয়ে গেল।


..সকালে আম্মুর ডাকে তার ঘুম ভাঙল।মাথাটা খুব ব্যাথা করছে।কেউ যেন ভিতর থেকে খেয়ে ফেলছে।ফোনের দিকে চোখ পড়তেই রিদিমের কথা মনে পড়ে গেল।ডায়াল লিষ্ট থেকে রিদিমের নাম্বারটা বের করেই সবুজ বাটন টায় চাপ দিল তানজিনা।না কোনো সাড়া শব্দ নেই।কিছুক্ষণ বাদে বেরশিক একটা কন্ঠ জানান দিল যে নাম্বারটা বন্ধ।
চোখ দুটো একটু জ্বলছে সারাদিন কাঁদার জন্য হয়তো। রিদিমের সাথে জড়ানো মধুর স্মৃতি গুলো চোখের সামনে ভেসে উঠল।


--তাদের পরিচয়টা হয়েছিল ফেসবুকে। রিদিমের সাথে কথায় কথায় তানজিনা জানতে পারে যে ছেলেটা তার এক বছর জুনিয়র।তারপর অনেক কথা হয়।এক সময় ফোন নাম্বার চেয়ে নেয় রিদিম।রাত জেগে তাদের কথা হয়।এর মাঝে রিদিম হঠাত্ করে একদিন প্রোপোজ করে বসে।তানজিনা রিদিমের কথাটা হেসেই উড়িয়ে দেয় কারণ ছেলেটা তার এক বছর জুনিয়র।এরপরও তাদের কথা চলে শুধু বন্ধুর মতন।২৩ ফেব্রুয়ারী ছিল তানজিনার জন্মদিন।সবাই তাকে উইশ করলো কিন্তু তানজিনার মন কোথায় যেন আটকে আছে। সবাই তাকে উইশ করল কিন্তু রিদিম তাকে এখনও উইশ করেনি।তাই একটু অভিমান নিয়েই রিদিমকে ফোন করে তানজিনা।কিন্তু মনটা আরোও বেশি খারাপ হয়ে গেল।ছেলেটার ফোন বন্ধ।তানজিনা ভাবছে যে ছেলেটার ফোন তো কখনোও বন্ধ থাকেনা..কিছু হয়নিতো !!
এইটুকু ভাবতেই থমকে গেল সে। এরপর আকাশের কাঁন্না যেন আজ থামছেই না।তাদের বাড়ি একই শহরে হওয়া সত্ত্বেও তাদের একবার ঈদে ছাড়া আর দেখা হয়নি। হাঠাত্ চোখ পড়লো ফোনের স্ক্রিনে।একটা মেসেজ দেখেই দৌঁড়ে বেলকুনিতে চলে আসলো।রাস্তায় চোখ পড়তেই দেখে যে একটা ছেলে হাতে অনেক গুলো ফুল হাতে নিয়ে কাকভেজা হয়ে দাঁড়িয়ে আছে ।এইটুকু দেখেই দৌঁড়ে দোতালা থেকে নেমে রাস্তায় চলে আসলো তানজিনা। সে এতটা খুশি হয়েছিলো যে তার কোনো কিছুই মাথায় আসলো না।সবকিছুই পাশ কাটিয়ে রিদিমকে জড়িয়ে ধরে বুকে মাথা রেখে কেঁদে উঠল।আনন্দ অশ্রু নাকি দুঃখের সেটা রিদিমের বোধগম্য হলোনা কিছুতেই। তারপর শুরু হলো তাদের ভালোবাসা।দুজনের ছোট বড় খুনসুটি,হাতে হাত রেখে নদীর পাড়ে হাঁটা,কাঁধে মাথা রেখে বসে থাকা,রাত জেগে কথা বলা,একটু রাগ-একটু অভিমান।


...কথাগুলো মনে হতেই মুখটা হাসি হাসি হয়ে গেল তানজিনার।সে আর বেশি কিছু ভাবতে চায়না।আবার ফোন দিল রিদিম কে কিন্তু ফোনটা এখনও বন্ধ।
........................................< অসম্পূর্ণ >..................................
সর্বশেষ এডিট : ০৮ ই জুন, ২০১৪ সকাল ৭:৪২
৩টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

২০২৬ সালের নোবেল শান্তি পুরস্কার : বিচারপতি নাভি পিল্লাইকে নির্বাচন করা হয়েছে

লিখেছেন স্বপ্নের শঙ্খচিল, ০৯ ই অক্টোবর, ২০২৬ সন্ধ্যা ৬:৪৬

গাজা গণহত্যা’ প্রতিবেদনের তত্ত্বাবধানকারী জাতিসংঘের সাবেক মানবাধিকার প্রধান নাভি পিল্লাই নোবেল শান্তি পুরস্কার জিতেছেন।
জাতিসংঘ মানবাধিকার পরিষদের প্রধান হিসেবে তার দায়িত্বকালে, পরিষদটি ইসরায়েলের নিন্দা জানিয়ে
বিশ্বের বাকি অংশের সম্মিলিত প্রস্তাবের চেয়েও বেশি... ...বাকিটুকু পড়ুন

চট্টগ্রাম বন্দরঃ জাতীয় স্বার্থ, দক্ষতা ও ডিপি ওয়ার্ল্ড.....

লিখেছেন জুল ভার্ন, ০৯ ই অক্টোবর, ২০২৬ রাত ১০:৪৮

চট্টগ্রাম বন্দরঃ জাতীয় স্বার্থ, দক্ষতা ও ডিপি ওয়ার্ল্ডের সঙ্গে চুক্তি....

বন্দর শুধু রাজস্ব আয়ের প্রতিষ্ঠান নয়; এটি একটি দেশের অর্থনৈতিক সক্ষমতা, আন্তর্জাতিক বাণিজ্য এবং বিনিয়োগ প্রতিযোগিতার অন্যতম প্রধান চালিকাশক্তি।
বাংলাদেশের আমদানি-রপ্তানি বাণিজ্যের... ...বাকিটুকু পড়ুন

সামহোয়্যারইন ব্লগের সেরা ব্লগার

লিখেছেন ঠাকুরমাহমুদ, ০৯ ই অক্টোবর, ২০২৬ রাত ১১:০৮



আমাদের দেশে যে কোনো ক্রিটিক্যাল সময়ে লক্ষ্য করা যায় কোনো না কোনো পণ্যের অভাব লেগে গিয়েছে। কাঁচা মরিচ, পেঁয়াজ, ভোজ্য তৈল এমনকি রিলিফ গায়েব হয়ে যায়। বন্যায় আক্রান্ত বন্যায়... ...বাকিটুকু পড়ুন

তৌহিদি জনতা কবে দেশ রক্ষায় আন্দোলনে নামবে ?

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ১০ ই অক্টোবর, ২০২৬ রাত ২:০১


আলহামদুলিল্লাহ। তৌহিদি জনতার সম্মিলিত প্রচেষ্টায় সুনামগঞ্জে মেয়েদের একটি প্রীতি ফুটবল ম্যাচ বন্ধ করা গেছে। ইসলামের দৃষ্টিতে মেয়েদের খেলাধুলা নিষিদ্ধ এবং অশ্লীল কাজ হিসেবে গণ্য করা হয়। সুনামগঞ্জের মাটিতে এমন... ...বাকিটুকু পড়ুন

আপার ফিরে আসার পদ্ধতি কি?

লিখেছেন মহাজাগতিক চিন্তা, ১০ ই অক্টোবর, ২০২৬ বিকাল ৫:২৩



আপা কেন ভারতে বেড়াতে গেলেন সেটা সবাই জানে। আগামী ডিসেম্বরে আপা দেশে ফিরে আসার আগ্রহের কথা জানিয়েছেন সেটাও সবাই জানে। আপা কিভাবে দেশ থেকে রাষ্ট্রীয় সফরে ভারতে গেলেন... ...বাকিটুকু পড়ুন

×