somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

পোস্টটি যিনি লিখেছেন

সত্যকা
রাজু আহমেদ । এক গ্রাম্য বালক । অনেকটা বোকা প্রকৃতির । দুঃখ ছুঁয়ে দেখতে পারি নি ,তবে জীবনের সকল ক্ষেত্রে অনুভব করেছি । সবাইকে প্রচন্ড ভালবাসি কিন্তু অনেক ক্ষেত্রে প্রকাশ করতে পারি না । বাবা এবং মাকে নিয়েই আমার ছোট্ট একটা পৃথিবী ।

বিকল্প ব্যবস্থা না দিয়ে মহাসড়কে এমন সিদ্ধান্ত ফলপ্রসূ হবে ?

০২ রা আগস্ট, ২০১৫ রাত ১০:৫২
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

দেশের সড়ক-মহাসড়কগুলো দিন দিন মৃত্যু উপত্যকায় পরিণত হচ্ছে । নিত্যাকার অনুশীলিত রুটিনের মত সড়ক দূর্ঘটনায় প্রতিদিন প্রায় অর্ধ শত মানুষ প্রাণ হারাচ্ছে এবং আহত হচ্ছে আরও বহু সংখ্যক । অবস্থা দৃষ্টে মনে হচ্ছে, কোন প্রচেষ্টাই সড়ক দূর্ঘটনা রোধে কাজে না এসে বরং ক্রমাগত সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণহানী ও সম্পদহানীর পরিমাণ বেড়েই চলছে । দেশের বিভিন্ন প্রান্তে প্রতিনিয়ত ছোটখাট সকল সড়ক দূর্ঘটনার সংবাদ নির্দিষ্ট সময়ে গণমাধ্যমে না আসায় সে সকল দূর্ঘটনায় হতাহত কিংবা ক্ষয়ক্ষতি নিয়ে আহামরি আলোচনা হয়না । যে কারণে তুলনামূলক কম ক্ষতিকর সেসব দূর্ঘটনা বন্ধে তেমনভাবে সক্রিয় কোন পদক্ষেপ গ্রহন করতেও দেখা যায়না । তবে প্রতি বছর এমন কিছু মর্মান্তিক সড়ক দুর্ঘটনা ঘটে যার ভয়াবহ চিত্র শুধু দেশের মানুষকেই মর্মাহত করেনা বরং দেশের সীমানা পেরিয়ে সারা বিশ্বের মানুষ এমন দূর্ঘটনার ভয়াল খবর শুনে কিংবা ফুটেজ দেখে থমকে দাঁড়ায় । সড়ক দূর্ঘটনা প্রাকৃতিক কোন কারণ নয় বরং মানব সৃ্ষ্ট । সুতরাং সড়ক দূর্ঘটনায় যারা নিহত হয় তাদেরকে পরোক্ষভাবে হত্যা করা হয় । দেশে এতদিন সড়ক দূর্ঘনার জন্য গাড়ীর চালক এবং গাড়ীতে কর্মরত কর্মচারীদের দায়ী করা হলেও বর্তমানে উন্নত বিশ্বের সড়ক যোগাযোগ রীতিমালার সাথে সামঞ্জস্য করে দূর্ঘটনা কবলিত গাড়ীর মালিকদেরকেও শাস্তির আওতায় আনার আইন প্রনয়ণ করার সিদ্ধান্ত গ্রহন করা হয়েছে । সরকারের এ সিদ্ধান্ত কিছুটা হলেও সড়ক দূর্ঘটনা রোধে সহায়ক হবে । সদ্য গত হওয়া ঈদুল ফিতরের পূর্ব-পরবর্তী ১০ দিনে দেশের বিভিন্ন স্থানে সড়ক দূর্ঘটনায় ২৪০ নিহত হওয়ার পর সড়ক দূর্ঘটনা রোধকল্পে সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রনালয় গত ২২ জুলাইয়ের এক সভায় দেশের জাতীয় মহাসড়কে (থ্রি হুইলার) অটোরিকশা এবং সকল শ্রেণির অযান্ত্রিক যানবাহন চলাচল নিষিদ্ধ করার সিদ্ধান্ত নেয়া হয় । সরকার ২৭ জুলাই এ বিষয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করেছে এবং ১লা আগষ্ট থেকে দেশের প্রায় সকল মহাসড়কে সরকার গৃহীত সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন করা হয়েছে । এর আগে ২০১২ সালে সড়ক উপদেষ্টা নিরাপত্তা কাউন্সিলের সভায় মহাসড়কে সিএনজি চালিত অটোরিকশা, নছিমন, করিমন, ভটভটি ও ব্যাটারি চালিত অটোরিকশা চলাচলের ওপর নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছিল । সে সময় বলা হয়েছিল, বিআরটিএ, ট্রাফিক পুলিশ, পুলিশ, জেলা প্রশাসন এ সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন করবে । নিষিদ্ধ এসকল যানবাহন মহাসড়কে চলতে পারবে না বলে মালিকানা কাগজপত্রে (ব্লু বুক) সিল দেয়ার কথাও বলা হয়েছিল । তবে নিষেধাজ্ঞা আরোপের পর কিছুদিন অতিক্রম হতে না হতেই সে নিষেধাজ্ঞার সিঁকি অংশের বাস্তবায়নও মহাসড়কে টেকেনি ।

গত বছরের ২২ অক্টোবর নাটোরের বড়াই গ্রামে বিপরীতমুখী দু’টো বাসের সংঘর্ষে ভয়াবহ দূর্ঘটনার পর প্রশাসন সড়ক দূর্ঘটনা রোধ করার জন্য নড়েচড়ে বসেছিলো । বড়াই গ্রামের দূর্ঘটনাসহ অতীতে ঘটে যাওয়া মারাত্মক সকল দূর্ঘটনাগুলোর প্রকৃত কারণ উদ্ভাবনের জন্য গঠিত তদন্ত কমিটির প্রদত্ত রিপোর্টের ব্যাখ্যা বিশ্লেষণ এবং তদন্ত কমিটি দাখিলকৃত সুপারিশের আলোকে সড়ক দূর্ঘটনা কমিয়ে আনার জন্য নানামূখী উদ্যোগ সে সময় গ্রহন করা হয়েছিল । যার মধ্যে উল্লেখযোগ্য ছিল ফিটনেসবিহীন অবৈধ গাড়ী এবং লাইসেন্সবিহীন গাড়ীর চালকদের দিয়ে গাড়ী চালনো নিষিদ্ধ, যারা ট্রাফিক আইন অমান্য করবে তাদেরকে ভ্রাম্যমান আদালতে মাধ্যমে তৎক্ষণাৎ শাস্তির ব্যবস্থা এবং পাঠ্যক্রমে ট্রাফিক নীতিমালার অধ্যায় সংযুক্তিসহ বিভিন্ন ব্যবস্থা গ্রহন । তবে বাস্তবতা হচ্ছে, গৃহীত সে সিদ্ধান্তের প্রধান দিক অর্থ্যাৎ লাইসেন্সহীন চালক ও ফিটনেসবিহীন অবৈধ গাড়ীর সংখ্যা কমেনি বড় অবস্থার আরও অবনতি হয়েছে । সড়ক দূর্ঘটনার জন্য প্রধানত দায়ী অদক্ষ চালক অথচ বিভিন্ন সময়ে গণমাধ্যমের জরিপে দেখা গেছে, সড়ক পথের মাত্র ২৫ ভাগ চালকের গাড়ী চালানোর বৈধতা রয়েছে ।

দেশে মহাসড়কের পরিমাণ ৩ হাজার ৫৪৪ কিলোমিটার । মহাসড়কগুলোর মধ্যে কুমিল্লা, চট্টগ্রাম, টাঙ্গাইল, সিরাজগঞ্জ ও ঢাকার জেলার অংশ বেশি দূর্ঘটনার ঝুঁকিপ্রবণ । কাজেই দূর্ঘটনা কমাতে মহাসড়কে যানচলাচলের ব্যাপারে যে সিদ্ধান্ত গ্রহন ও বাস্তবায়ন করা হয়েছে তা অবশ্যই প্রশংসনীয় । তবে যে উদ্দেশ্যে এ সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়েছে তাকে সফলতার মুখ দেখাতে হলে অবশ্যই অতীতের সিদ্ধান্তগুলোর মত বাস্তবায়হীনতায় রাখলে চলবে না । বিভিন্ন সংস্থার জরিপানুযায়ী, মহাসড়কে যত দূর্ঘটনা ঘটে তার অধিকাংশের জন্য থ্রি হুইলার অটোরিকশা এবং সকল শ্রেণির অযান্ত্রিক বাহন দায়ী । তবে এককভাবে শুধু এগুলোকে দায়ী করা চলে না । মহাসড়কে যে সকল যান চলাচল করে সেগুলোর যদি ফিটনেস ঠিক না থাকে, সে সকলের চালক যদি দক্ষ না হন কিংবা চালক হিসেবে তার প্রাতিষ্ঠানিক বৈধতা না থাকে, মহাসড়কগুলোর বিপজ্জনক স্থানে যদি ট্রাফিক পুলিশের দায়িত্বে অবহেলা থাকে এবং মহাসড়কের অবস্থা যদি খারাপ হয় তবে শুধু সিএনজি চালিত অটোরিকশা কিংবা অযান্ত্রিক যান চলাচল বন্ধ করে দূর্ঘটনা রোধ করা যাবে না । সামগ্রিকভাবে সকল আইনের বাস্তবায়নে যখন সাম্যতা বিরাজ করবে তখনই কেবল সরকারের আসল উদ্দেশ্য তথা দূর্ঘটনার কবল থেকে মানুষের জীবন এবং সম্পদকে রক্ষা করে যাত্রাপথকে নিরাপদ রাখা যাবে । কাজেই সড়ক যোগাযোগ সংশ্লিষ্ট দায়িত্বশীলদের যদি প্রধান উদ্দেশ্য সড়ক দূর্ঘটনা হৃাসের মাধ্যমে মানুষের প্রাণ ও সম্পদহানী রোধ করার প্রয়াস হয় তবে সর্বাগ্রে বৈধ ও দক্ষ চালকদেরকে গাড়ির স্টিয়ারিং ধরার একমাত্র অধিকারী করতে হবে, ফিটনেসহীন গাড়ী চিহ্নিত করে সেগুলোকে ভেঙ্গে ফেলার ব্যবস্থা নিতে হবে, ট্রাফিক পুলিশকে নৈতিকভাবে দায়িত্ব পালনে বাধ্য করতে হবে এবং সড়ক নির্মান ও সংস্কারের সময় তা মানসম্মতভাবে হচ্ছে কিনা তা নজড়দারিতে রাখতে হবে । সম্প্রতি মহাসড়কগুলোতে থ্রি হুইলার অটোরিকশা এবং সকল শ্রেণির অযান্ত্রিক যান চলাচলের ওপর নিষেধাজ্ঞা দিয়ে তা যেভাবে বাস্তবায়ন করা হয়েছে তেমিন ২০১২ সালে নসিমন, করিমন, ভটভটির ক্ষেত্রে যে নিষেধাজ্ঞা দেয়া হয়েছিল তারও পূর্ণ বাস্তবায়ন করতে হবে । সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হলো, যখন যে সিদ্ধান্ত গ্রহন করা হয় তা অবশ্যই ধারাবাহিক রাখতে হবে । দায়িত্বশীলা যেন কোন চাপে হাল ছেড়ে না দেন কিংবা অদৃশ্য দুষ্ট ভুত যেন তাদেরকে সিদ্ধান্ত থেকে টলাতে না পারে ।

জুলাই মাসের শেষদিন পর্যন্ত যারা মহাসড়কে (থ্রি হুইলার) অটোরিকশা এবং সকল শ্রেণির অযান্ত্রিক যান চালাতো তাদেরকে বিকল্প পদ্ধতি না দিয়ে গৃহীত এ সিদ্ধান্ত কতদিন স্থায়ী করা যাবে তা নিয়েও রয়েছে সংশয় । হঠাৎ করে কঠোর সিদ্ধান্তের কারণে কতগুলো পার্শ্ব-প্রতিক্রিয়া সৃষ্টির সম্ভাবনা উঁকিঝুঁকি দিচ্ছে । প্রথমতঃ যারা মহাসড়কে থ্রি হুইলার অটোরিকশা এবং সকল শ্রেণির অযান্ত্রিক যান চালাতো তাদের সংখ্যা নেহায়েত কম নয় এবং এ পথে উপার্জিত আয় দিয়েই তাদের পরিবার-পরিজনের রুজি-রুটির ব্যবস্থা হত । হঠাৎ কর্মহীন হয়ে পড়ায় তারা যেমন কার্যত বেকার হয়ে পড়েছে তেমনি সমস্যার মূখোমূখি হয়েছে এদের আয়ের ওপর নির্ভরশীল পরিবারগুলো । মহাসড়ক থেকে উচ্ছেদ হয়ে তারা যে অন্যান্য আঞ্চলিক সড়কগুলোতে এসব যান চালাবে তারও সুযোগ খুব কম । মহাসড়কে যে যানগুলো চলতো সেগুলো স্বভাবতই আকৃতিতে কিছুটা বড় কাজেই এ যানগুলো যখন আঞ্চলিক সড়ক কিংবা অপরিকল্পিত শহরের সরু সড়কে প্রবেশ করবে তখন বিপত্তির সীমা থাকবে না । দ্বিতীয়তঃ মহাসড়কগুলো শুধু উম্মুক্ত স্থান দিয়ে যায়নি বরং মহাসড়কের অনেকাংশ বিভিন্ন শহরের মধ্য দিয়ে অতিক্রম করেছে । এ সকল শহরের এক মাথা থেকে অন্য মাথায় যে সকল মানুষ এতদিন থ্রি হুইলার অটোরিকশা এবং সকল শ্রেণির অযান্ত্রিক বাহনে পারাপার করত তারাও পড়েছে চরম ভোগান্তিতে । এ সকল শহরের অধিকাংশের অভ্যন্তরে মধ্যে বাস যোগাযোগ না থাকায় থ্রি হুইলার অটোরিকশা এবং সকল শ্রেণির অযান্ত্রিক বাহনের চালক ও মালিকদের সাথে যাত্রীরাও একীভূত হয়ে বিক্ষোভ করছে এবং প্রতিবাদ জানাচ্ছে । তবে যাত্রীদের ভোগান্তি অন্য কোন বিকল্প উপায়ে হয়ত দ্রুতই সমাধান হয়ে যাবে কিন্তু গাড়ি চালনায় নিয়োজিত ব্যক্তিরা হঠাৎ করে অন্য কোন পেশায় নিজেদেরকে মানিয়ে আয় রোজগার করে স্বাভাবিক দিনযাপন করে দ্রুত ফিরে আসতে পারবে কি ? কাজেই সরকার যে সিদ্ধান্ত নিয়েছে তা বাস্তবায়ন করার পূর্বে থ্রি হুইলার অটোরিকশা এবং সকল শ্রেণির অযান্ত্রিক যান চালকদের জন্য বিকল্প ব্যবস্থার নিশ্চয়তা দেয়া উচিত ছিল । এরা যদি বিকল্প কোন পথে জীবিকার সংস্থান করতে ব্যর্থ হয় তবে এদের দ্বারাই সামাজিক অস্থিরতা সৃষ্টির সম্ভাবনা থেকে যাচ্ছে । যা সমাজবদ্ধ বিপুল সংখ্যক মানুষের জীবন ও সম্পদের নিরাপত্তাহীনতার কারণ হয়ে উঠতে পারে । সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড, ছিনতাই, চাঁদাবাজি, ডাকাতি কিংবা লুটপাটসহ আরও অনেক অপরাধ বেড়ে যাওয়ার সম্ভাবনাকেও উড়িয়ে দেয়া যায়না । এমনিতেই দেশে অসংখ্য বেকার রয়েছে তার ওপর কাজে নিয়োজিত লাখ লাখ মানুষকে বেকার বানিয়ে দিলে সেটা ইতিবাচক ফলাফল দিবে না । একটি সমস্যার সমাধান করতে গিয়ে আরও অনেক সমস্যার জন্ম দেয়া খুব বেশি অর্থবহ নয় । কাজেই নতুন সমস্যার সৃষ্টি ব্যতিরেকে কিভাবে পূর্ব-উপস্থিত সমস্যাকে সমূলে বিনাশ করা যায় সে চেষ্টাই মঙ্গলের ।

সকল তর্ক-বিতর্কের পরেও সড়ক দূর্ঘটনা রোধে সরকারের সাম্প্রতিক সিদ্ধান্ত প্রশংসনীয় তবে নতুন সমস্যার উদ্ভব রোধ করে এটাকে কিভাবে ধারবাহিক ত্রুটিমুক্ত রাখা যায় সে পন্থা আবিস্কার করতে হবে । দেশে এমনিতেই কর্মঠ বেকারের সংখ্যা প্রায় কোটির কাছাকাছি এবং এ বিপুল সংখ্যক বেকারের ভরণপোষণসহ বিভিন্নভাবে প্রতিনিয়ত রাষ্ট্রের অগ্রযাত্রাই শুধু ব্যাহত হচ্ছে না বরং বিপুল পরিমান সম্পদেরও গচ্ছা যাচ্ছে । সেই বেকারদের দীর্ঘ সারির সাথে কর্মজীবি আরও অসংখ্য মানুষকে বেকার বানিয়ে না রেখে বরং অন্যকোন পথে সমাধানের খোঁজা উচিত । (থ্রি হুইলার) অটোরিকশা এবং সকল শ্রেণির অযান্ত্রিক যান চলাচল মহাসড়ক থেকে বন্ধ রাখার বিকল্প নাই যদি সড়ক দূর্ঘটনা রোধ করে অস্বাভাবিক মৃত্যুর লাশের সংখ্যা কমিযে আনতে হয় তবে প্রতিটি মহাসড়কের পাশে এসকল ছোট যান চলাচলের জন্য আলাদা লেন ও সড়ক তৈরি করে এগুলোর চলাচলও অব্যাহত রাখতে হবে । সকল ক্ষেত্রের দুর্নীতি দূর করতে না পারলে কখনোই সড়ক থেকে থ্রি হুইলার অটোরিকশা এবং সকল শ্রেণির অযান্ত্রিক চলাচল বন্ধ, ফিটনেসবিহীন গাড়ী উচ্ছেদ এবং অদক্ষ চালকদেরকে লাইসেন্সপ্রাপ্তির সম্ভাবনার বাইরে রাখা যায় না । স্বচ্ছতা এবং জবাবদিহীতার স্থানকে আরও শক্তিশালী করতে হবে । সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কোন প্রচেষ্টাই ততক্ষন পর্যন্ত সাফল্যের মুখ দেখবে না যতক্ষন গণমানুষকে সে আন্দোলনে শরীক করা না যাবে । প্রজাতন্ত্রের সকল স্তরের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের স্বচ্ছ অবস্থান এবং সাধারণ মানুষের সচেতনতার মাধ্যমেই কেবল সকল অন্যায়-অপরাধ থেকে দেশকে মুক্ত রাখা এবং সড়ক দূর্ঘটনা রোধ করা সম্ভব ।

রাজু আহমেদ । কলামিষ্ট ।
facebook.com/raju69mathbaria/
সর্বশেষ এডিট : ০২ রা আগস্ট, ২০১৫ রাত ১০:৫২
০টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

গান - জীবন যেন স্রোতের মাঝে ভাসমান দ্বীপের মতো

লিখেছেন হুমায়রা হারুন, ২৭ শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ দুপুর ১:৫৪

১৯৮৪ সাল। স্কুলের অফিস রুমে গিয়েছি বেতন দেবার জন্য। লাইনে অপেক্ষা আমি আর আমার লাল ঝুটি বন্ধুটি। আমাদের খুঁজে খুঁজে ঐ ভীড়ের মাঝে পুষি এলো। আদর করে পুষি ডাকতাম... ...বাকিটুকু পড়ুন

নীল ড্রামের রহস্য

লিখেছেন শাম্মী নূর-এ-আলম রাজু, ২৭ শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ বিকাল ৩:২৫


ঘরটি অন্ধকারাচ্ছন্ন। ক্ষণে ক্ষণে জানালার ওপাশ থেকে আসা দূরপথের সোডিয়াম বাতির একচিলতে আলো এসে পড়ছে ঘরের ভারী বাতাসের ওপর। ঘামের তীব্র গন্ধ আর উন্মুক্ত ত্বকের উত্তাপ ঘরের পরিবেশকে ভারী করে... ...বাকিটুকু পড়ুন

১৮ বছর ১ সপ্তাহ পার !

লিখেছেন মেহবুবা, ২৭ শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ রাত ১০:১৯


এমনি করে দিন চলে যায়। ১৮ বছর কখন পেরিয়ে গেল এখানে বুঝতে পারিনি। কত জনের কথা, কত ঘটনা মনে আসছে ! এমনি করে সূর্যাস্তের দিকে যেতে যেতে... ...বাকিটুকু পড়ুন

বিজন দাদা, হারালে কোথায় ?

লিখেছেন ডঃ এম এ আলী, ২৮ শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ সকাল ৯:১০


নিত্য নতুন পোস্টের ভিড়ে
সেই চেনা মুখটি আজ আর দেখি না
কোথায় হারালে বিজন দাদা
ব্লগের উঠোনে তোমার সেই ছায়াটি আর মেলে না।

কোনো লেখা যখন সদ্য প্রসবের ব্যথায়
শব্দেরা যখন খুঁজত একটু... ...বাকিটুকু পড়ুন

লাল বদর, কালা বদর এবং ছাপরি.....

লিখেছেন জুল ভার্ন, ২৮ শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ সকাল ১০:১১

লাল বদর, কালা বদর এবং ছাপরি.....

লাল বদরঃ ২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টের গণঅভ্যুত্থানের প্রেক্ষাপটে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তৈরি হওয়া একটি নতুন ও রাজনৈতিক কটূক্তিবাচক শব্দ বা স্লোগান। কোটা সংস্কার আন্দোলন ও সরকার পতনের... ...বাকিটুকু পড়ুন

×