somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

পরকীয়ার কারণ সামাজিক, মানসিক, অর্থনৈতিক, হতাশা, অপ্রাপ্তি আরও অনেক অনেক...

২৪ শে জুলাই, ২০১৪ রাত ১১:৪৭
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

শুধু কি স্বামী-স্ত্রী আলাদা থাকলেই পরকীয়া হয়?
একসাথে থাকলে হয় না?
পরকীয়ার কারন কি শুধুই একটা?

উপরের ৩ টা প্রশ্নের উত্তরই 'না' পরকীয়ার অনেক কারন...

সামাজিক, মানসিক, অর্থনৈতিক, হতাশা, অপ্রাপ্তি আরও অনেক অনেক।

>-- একটা সমাজ গঠন হয় অনেকগুলো পরিবারের মাধ্যমে। সুশীল সমাজ বলে আমরা যাদের জেনে থাকি তারা কি আসলেই সুশীল? নিজেকে প্রশ্ন করুন, উত্তর আপনি নিজেই পেয়ে যাবেন। সামাজিক কারনেও পরকীয়া হতে পারে।

>-- মানসিক কারণ সবথেকে গুরুত্বপূর্ণ। 'রক্তাক্ত প্রান্তর' নাটকে একটা লাইন ছিল; "মানুষের মন সকালে বদলায়, বিকেলে বদলায়, মিনিটে বদলায় ঘন্টায় বদলায়" হ্যাঁ আসলেই তাই। কার মন কখন বদলায় তা বলা মুশকিল। মানুষের মন অনেক জটিল। মানসিক কারনেও পরকীয়া হতে পারে।

>-- অর্থনৈতিক দিকের কথা আমাদের সবারই জানা। একটা ডায়লগ আপনাদের সবারই মুখস্থ "অভাব যখন আসে, ভালোবাসা জানালা দিয়ে পালায়" হ্যাঁ সত্যি তাই। মানুষ পেটের দায়ে সবকিছুই করতে পারে। কথায় আছে না? "অভাবে সভাব নষ্ট"।

>-- দাম্পত্য জীবনে হতাশা খুবই ভয়াবহ ভুমিকা পালন করে। হতাশা কাটিয়ে উঠতে প্রয়োজন প্রকৃত ভালোবাসার, একটু আশার, একটু স্বপ্নের। কিন্তু সেই স্বপ্নের দেখা, ভালোবাসার দেখা যাদি স্ত্রী না পায় তার স্বামীর কাছে বা স্বামী না পায় তার স্ত্রীর কাছে তখনই পরকীয়া প্রেমের আবির্ভাব ঘটে।

>-- অপ্রাপ্তি, মানুষের চাওয়ার শেষ নাই। যার একটা রিকশা আছে, সে চায় সিএনজি কিনতে, যার একটা বাড়ি আছে সে প্রায়ভেট কার কিনতে। যার হাতের সোনার বালা আছে সে চায় গলায় সোনার হার পরতে। মানুষের চাহিদার কোন শেষ নাই। যখনই একজন স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে কোন অপ্রাপ্তি ঘটে শুরু হয় পরকীয়া।

সর্বশেষে;
টাকা-পায়সা, গাড়ি-বাড়ি, ধন-দৌলত সবকিছুই আছে। কিন্তু স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে মিলনের সুখ নাই। তাহলেই সবকিছু বৃথা। 'মিলনের সুখ' সবথেকে বড় সুখ। যতই বলুক না কেন; 'অনেকের তো বাচ্চা হয় না, তারা কি সুখে নাই?' কিন্তু একদিন হলেও তার 'মা' ডাক শোনার ইচ্ছে হবে, স্বামীর ইচ্ছে হবে 'বাবা' ডাক শোনার। আর এখান থেকেই শুরু হয় পরকীয়া প্রেম ও প্রবর্তিতে ২য় বিয়ে (কারও কারও ক্ষেত্রে)।
১টি মন্তব্য ১টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

পরিস্থিতি কি জটিল?

লিখেছেন শেরজা তপন, ০৩ রা নভেম্বর, ২০২৬ সকাল ১১:৫৯

বাইরে যাওয়ার প্রস্তুতি নিয়ে বসে আছি, অথচ বাইরে পুলিশের সাউন্ড গ্রেনেড আর টিয়ার গ্যাসের শব্দে চারদিক প্রকম্পিত! মিরপুরে আমার বাসার কাছেই মেট্রো রেলের নিচে আগুন দেওয়া হয়েছে; কিছুক্ষণের জন্য মেট্রো... ...বাকিটুকু পড়ুন

আজকের ডায়েরী- ২০৩

লিখেছেন রাজীব নুর, ০৩ রা নভেম্বর, ২০২৬ দুপুর ১২:৫৯



খাওয়া দাওয়া করাটা আজকাল বিরক্তকর লাগে।
কিন্তু মানুষের বেঁচে থাকতে হলে- খেতে হবে। না খেলে শরীর দুর্বল হয়ে যাবে। প্রিয় খাবার গুলোও খেতে ইচ্ছা করে না। ভালো লাগে... ...বাকিটুকু পড়ুন

আজ আমেরিকার মধ্যবর্তী নির্বাচন কেন এত গুরুত্বপূর্ণ?

লিখেছেন শ্রাবণধারা, ০৩ রা নভেম্বর, ২০২৬ দুপুর ২:৫৬


এই লেখাটি যখন লিখছি, তখন এই গুজবটি ছড়িয়ে পড়েছে যে, ইসরায়েল ট্রাম্পকে রাজি করিয়েছে, যাতে মধ্যবর্তী নির্বাচনের পরপরই আমেরিকা ইরানে পারমাণবিক বোমা হামলা করে। বিগত বছরগুলোতে ইসরাইল সারা বিশ্বের... ...বাকিটুকু পড়ুন

Haze দমনে সিঙ্গাপুরের কুটনৈতিক দক্ষতা

লিখেছেন ঢাবিয়ান, ০৩ রা নভেম্বর, ২০২৬ বিকাল ৪:৩১

সিঙ্গাপুর সাম্প্রতিককালে স্মরনকালের ভয়াবহ Haze (ধোঁয়াশা ও বায়ুদূষণ) এর কবলে পড়ে। সেপ্টেম্বরের শুরুতেই সারা শহর ঘন ধোয়ার আবরনে ঢেকে যায়। জানালা দিয়ে বাইরে তাকালে মনে... ...বাকিটুকু পড়ুন

শেখ হাসিনার বেঁচে থাকাই তাদের ভয়ের কারণ॥

লিখেছেন ক্লোন রাফা, ০৪ ঠা নভেম্বর, ২০২৬ রাত ২:৫১





শেখ হাসিনার বেঁচে থাকা নিয়ে আক্ষেপ কেন? একটি রাজনৈতিক সমীকরণের বিশ্লেষণ

সম্প্রতি তারেক রহমানের উপদেষ্টা জাহেদুর রহমানের একটি বক্তব্যকে কেন্দ্র করে আলোচনা শুরু হয়েছে - "শেখ হাসিনা... ...বাকিটুকু পড়ুন

×