অনেককেই দেখা যাচ্ছে একটা মূর্তির উপর লাল গোলক দিয়ে এত বড় একটা মানবিক বিপর্যয়কে ব্যাখ্যা করা হচ্ছে, এটা কখনোই যুক্তিযোগ্য নয়। ১৯৯১ সালে পবিত্র হজ্বে ১৪২৬ জন সম্মানিত হাজীদের মৃত্যু হয়, ১৯৭৬ সালের জুলাই মাসে চীনের মুসলিম কোলনীতে এক ভয়াবহ ভূমিকম্পে ৩,০০,০০০ লোকের মৃত্যু হয়, ইন্দোনেশিয়ার সুনামিতে লক্ষ লক্ষ মুসলিম প্রাণ হারান, ২০০৫ সালে পাকিস্তানে ভূমিকম্প, ১৯৪৮ সালে তুর্কেমিনস্থানে ভূমিকম্প ইত্যাদি....তখন যদি কোন ভিন্ন ধর্মাবলম্বী এমন মন্তব্য করত কেমন লাগত? ইতিহাস ঘাটলে দেখা যাবে এমন ভয়াবহ দূর্যোগ প্রায় সব ধর্মের লোকদের উপরই বিভিন্ন সময় এসেছে, এর হাত থেকে মসজিদ, মন্দির, প্যাগোডা কোন কিছুই রেহাই পায়নি। সামনে কোন বড় পাহার, পাথর বা যে কোন যৌক্তিক কারণে দেখা যায় মাঝে মধ্যে সেগুলির কিছু কিছু রেহাই পেয়ে যায়, তখন সব ধর্মেই কিছু কিছু নিম্ন মানের বুদ্ধি সম্পন্ন লোক থাকে যারা ঐ ঘটনাকে পুঁজি করে ফ্যাসাদের সৃষ্টি করে। আমি যদি মসজিদ টিকে থাকার ঘটনা প্রদর্শণ করি তখন অবশ্যই হিন্দুরা কোন মন্দির টিকে থাকার ঘটনা প্রদর্শণ করবে। তাই সকল মুসলিম ভাইদের কাছে অনুরোধ কখনো দূর্বল যুক্তি সম্পন্ন ঘটনা তুলে ধরে ইসলামকে বড় করার চেষ্টা করবেন না, বরং এতে ইসলামকে ছোট করা হয়। একজন সত্যিকারের মুসলমানের প্রতিটা কথা এতটাই যুক্তিসঙ্গত আর শক্তিশালী যে কোন যুক্তি দিয়েই তা খন্ডানো যাবে না। আমরা যদি সত্যিকারের মুসলমান হইতাম আর যদি আমাদের প্রিয় নবী হযরত মুহাম্মাদ সে: এর দেখানো পথ সঠিকভাবে অনুসরণ করতাম আজ এই বিশ্বায়নের যুগে একজনও মূর্তি পূজারী থাকত না। খুব কষ্ট হয়, শরীর শিওরে উঠে যখন দেখি আমাদের প্রিয় নবী হযরত মুহাম্মদ সে: এর পবিত্র ধর্মকে নিয়ে ব্যবসা হয়, কুলষিত রাজনীতি হয়, জঙ্গিদের কষাঘাতে পরে যখন ইসলাম বিশ্ববাসীর নিকট প্রশ্নবিদ্ধ হয়ে উঠে।
প্রিয় মুসলিম ভাইদের প্রতি আমার অনুরোধ, পবিত্র কোরআন, হাদীস পুড়–ন। নিজে নিজেই জানুন সত্যিকারের ইসলাম, কারো দ্বারা প্ররোচিত হয়ে নয়। মনে রাখবেন ইসলাম ৭৩ টি দলে ভাগ হবে কিন্তু ¯^ীকৃতি পাবে কেবল একটি। তাই সাবধান!!!

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


