আমাদের প্রত্যেকের প্রতিবাদের ধরন আর ভাষা ভিন্ন। বিশেষ করে এটা যখন হয় পেশাগত প্রতিবাদ!
যেমন ডাক্তারদের প্রতিবাদের ভাষা হচ্ছে রুগী দেখা বন্ধ করে তাদের প্রয়োজনীয়তা উপলব্ধি করানো।
শিক্ষকদের প্রতিবাদের ভাষা হচ্ছে পড়ানো বন্ধ করে দেয়া!
বাস ড্রাইভার বা শ্রমিকদের প্রতিবাদের ধরন হচ্ছে গাড়ীর চাকা বন্ধ করে দেয়া।
তেল বিক্রি বন্ধ করে প্রতিবাদ জানায় পাম্প মালিকেরা।
আইনজীবীরা প্রতিবাদ জানান আদালতে জাওয়া বন্ধ করে দিয়ে।
কারখানার শ্রমিকরা কারখানা কিম্বা উৎপাদন বন্ধ করে প্রতিবাদ জানান।
রাজনৈতিক নেতারা প্রতিবাদ করেন হরতাল আর অবরোধ করে।
সেদিন সুইপাররা বিদ্যুৎ বিল অনাদায়ীর অভিযোগে সংযোগ বিচ্ছিন করার প্রতিবাদ জানিয়েছেন মল মুত্র না সরিয়ে রাস্তায় ছড়িয়ে দিয়ে!!
সারমর্ম একটাই যে যেভাবেই প্রতিবাদ জানান, ভুক্তভুগি কে? সাধারন জনগন, মানে আমরা...
আচ্ছা কখনো ভেবে দেখিনি! গরীব বা অভুক্তরা প্রতিবাদ জানাবেন কি করে? তাদেরতো পেশাগত কোন এডভান্টেজ নেই!! একটা কাজ হয়তো তারা করবেন... না খেয়ে থেকে গরীব হবার প্রতিবাদ! ভয় পাবার কিছু নেই, এই প্রতিবাদ তারা করেই যাচ্ছেন সবসময়। যদিও এতে অন্য দশ জনের সমস্যাও হচ্ছে না, আবার ভুগতেও হচ্ছেনা। তাই এই প্রতিবাদ হচ্ছে নিরবে এবং হতেই থাকবে...... প্রত্যেক প্রতিবাদের রেজাল্ট খুব দ্রুতই প্রতিবাদকারীর পক্ষে এলেও ওনাদের টার রেজাল্ট অনেকটা অপ্রকাশিতই থেকে যায়।
এবং তা কখনোই তাদের পক্ষে যায় না এটা নিশ্চিত।

সর্বশেষ এডিট : ১৮ ই এপ্রিল, ২০১৬ দুপুর ১২:৫৮

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



