somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

রহস্যময় মহাবিশ্ব ও চিরন্তন জীবন জিজ্ঞাসা -১

২৬ শে জুলাই, ২০১২ দুপুর ১:৪১
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

রহস্যময় মহাবিশ্ব ও চিরন্তন জীবন জিজ্ঞাসা -১
----------------------------------- ডঃ রমিত আজাদ

অপার রহস্যে ঘেরা আমাদের এই মহাবিশ্ব। আর তার মধ্যে রহস্যময় একটি সত্তা আমরা - 'মানুষ'। এই দু'য়ের সম্পর্কও কম রহস্যময় নয়। মহাবিশ্বের বিবর্তন বা বিকাশের সর্বশেষ ও সর্বশ্রেষ্ঠ ফলাফল মানুষ, সেই মানুষই আবার গভীর আগ্রহ নিয়ে অধ্যয়ন ও পর্যবেক্ষণ করছে তার চারপাশের মহাবিশ্বটিকে। কি এই মহাবিশ্ব? আমরা কারা? কি সম্পর্ক মহাবিশ্বের সাথে আমাদের অথবা আমাদের সাথে মহাবিশ্বের? কোথা থেকে এল এই মহাবিশ্ব? তারপর থেকে ক্রমাগত কি ঘটছে? এর শেষ কোথায়? এই সব প্রশ্ন ঘুরে ফিরে মানুষের মস্তিস্ক থেকে হৃদয় আর হৃদয় থেকে মস্তিস্ক পর্যন্ত। এইসব চিরন্তন জীবন জিজ্ঞাসার যতটুকু উত্তর এ যাবতকাল আমাদের জানা হয়েছে দর্শন ও বিজ্ঞানের দৃষ্টিকোন থেকে। সেইসব উত্তর ধারাবাহিকভাবে দেয়ার চেষ্টা করব আমার এই সিরিজে।

পাঠকদের অনুরোধ করব গঠনমূলক সমালোচনা করতে। আমার দেয়া কোন তথ্য যদি ভুল হয়, অনুগ্রহপূর্বক সঠিক তথ্য দিয়ে আমাকে সাহায্য করবেন।

প্রথমেই শুরু করছি গত দু'একমাসের উত্তপ্ত সংবাদ, ঈশ্বর কণা নামে ক্ষ্যত হিগস বোসন নিয়ে। কি এই হিগ্স বোসন? কেন একে নিয়ে এত হইচই? এই সংক্রান্ত আলোচনার গভীরে যেতে হলে প্রথমে শুরু করতে হবে বস্তু (matter) সংক্রান্ত আলোচনা দিয়ে।

যেকোন দর্শনের বিদ্যালয়ের জন্য বস্তুর ধারণাটি খুবই গুরুত্বপূর্ণ। ইতিহাস-দর্শনের বিকাশের ধারায় বস্তুর ধারণা একাধিকবার পরিবর্তিত হয়েছে। সকল অস্তিত্ববান জিনিসের উৎস অনুসন্ধানের ধারায় দার্শনিকরা তাকে কখনো দেখেছেন পানিতে (দার্শনিক থালেস), কখনো দেখেছেন বাতাসে (দার্শনিক এ্যানেক্সিমেনেস), আবার কখনো দেখেছেন আগুনে (দার্শনিক হেরাক্লিটাস)। এদিকে দার্শনিক এমপেডোক্লেস বিশ্বাস করতেন সবকিছুর উৎস চারটি - আগুন, পানি, বাতাস এবং মাটি। আবার আমাদের উপমহাদেশের দার্শনিকরা বলেছেন পঞ্চভুতের (ক্ষিতি, অপ, তেজ, মরুত, ব্যোম - মাটি, পানি, আগুন, বাতাস, আকাশ) কথা।

ইতিমধ্যে খ্রীষ্টেপূর্ব পঞ্চম শতাব্দীতে প্রাচীন গ্রিক দার্শনিক ডেমোক্রিটাস এবং লুসিপাস বস্তুকে বোঝার জন্য একটি সম্পূর্ণ নতুন পদক্ষেপ নেন। তারা এই ধারণার অবতারনা করেন যে এই পৃথিবীর সবকিছু এমনকি মানুষের মন , ক্ষুদ্রতম, সরলতম, অবিভাজ্য এবং অদৃশ্য কণা দ্বারা গঠিত, তাঁরা এর নাম দেন পরমাণু (Atom) । যা গতিশীল অবস্থায় স্থানে অবিরত যুক্ত হচ্ছে, ভাঙছে এবং অবস্থান পরিবর্তন করছে। আমাদের উপমহাদেশে একই ধারণা দিয়েছিলেন ঋষি কণাদ। ডেমোক্রিটাস তার জীবনের কিছু সময় পারস্যে কাটিয়েছিলেন। এমনও হতে পারে যে কণাদের ধারণাটিই তিনি প্রচার করেছিলেন।

প্রাচীন গ্রীস এবং রোম-এর দার্শনিকগণ এই ধারণাটিকে বিকশিত করেন মধ্যযুগ পর্যন্ত। এরপর উদ্ভব হয় নতুন দার্শনিক ঐতিহ্যের, যার নাম স্কলাস্টিকস। স্কলাস্টিকস দর্শনের প্রধান উদ্দেশ্য ছিল একটি ধর্মীয় গ্রন্থে এর দ্ব্যর্থহীন ব্যাখ্যা প্রদান করে ঈশ্বরের অস্তিত্বের প্রমাণ করা । এই রীতি চলে চতুর্থ থেকে চতুর্দশ শতাব্দী পর্যন্ত, এবং এই সময়কালে বস্তুর ধারণা নিয়ে গবেষণা ও চিন্তাভাবনা কার্যত বন্ধই থেকে যায়।

পরবর্তিতে ইসলামের স্বর্ণযুগে (Islamic Golden Age) মুসলিম দার্শনিক ও বিজ্ঞানীরাও বস্তুর ধারণা নিয়ে ব্যপক কাজ করেন। ইউরোপীয় বিজ্ঞানী ল্যাভয়সীয়ের 'ভরের নিত্যতার সুত্রের' আবিস্কারের যে স্বীকৃতি রয়েছে, তার কয়েক শতাব্দী আগেই মুসলিম পন্ডিত আল বিরুনী (১১শ শতাব্দী) এই নীতি আবিস্কার করেছিলেন। ল্যাভয়সীয়ে মুসলিম রসায়নবিদ এবং পদার্থবিদদের একজন শিষ্য ছিলেন এবং প্রায়ই তিনি মুসলিম বিজ্ঞানীদের বিভিন্ন বইয়ের রেফারেন্স দিতেন। মুসলিম বিজ্ঞানী আল হাইয়াম (১১শ শতাব্দী), যাকে আধুনিক আলোক বিজ্ঞানের জনক বলা হয়, তিনি আলো সম্পর্কে বলেছিলেন যে, আলো এক প্রকার কণিকার স্রোত।ইতিমধ্যে মুসলিম স্পেনের তলেদো ও কর্ডোভার জ্ঞানকেন্দ্রগুলোর আলো অন্ধকার ইউরোপে ছড়িয়ে পড়তে শুরু করে। এই আলোই পরবর্তিতে জন্ম দেয় ইউরোপীয় রেনেসাঁর।

১৬ থেকে ১৮ শতাব্দীর মধ্যে আবার বস্তুকে সঠিকভাবে বুঝতে পারার বিষয়টি জরুরী হয়ে ওঠে। ইতিমধ্যে বৈজ্ঞানিক ধারণা লক্ষণীয়ভাবে প্রসারিত হয়, এবং স্যার আইজাক নিউটনের প্রতিষ্ঠিত বলবিজ্ঞান তাত্ত্বিক দৃষ্টিভঙ্গির উপর সর্বাধিক প্রভাব বিস্তার করে। কেউ কখনো পরমাণু দেখেনি, এই বিষয়টি বিবেচনায় রেখে মনে করা হয় যে, বস্তু হলো আমাদের চারপাশের বিভিন্ন জিনিস এবং কায়ার সত্তা, যা বলবিজ্ঞানের আইন মেনে চলে (ফ্রান্সিস বেকন, থমাস হব্স এবং জন টল্যান্ড)। এই নিবন্ধে আরো যোগ করা প্রয়োজন যে বিশুদ্ধরূপে মানসিক প্রত্যাশা গুলো ছাড়া আর সকল প্রকার ফর্মেশনই বলবিজ্ঞানের অধীনস্থ আইন হিসেবে গণ্য হওয়া উচিত বলে মনে করা হয়েছিল। বলবিজ্ঞানীয় বস্তুবাদ অনুযাযী, মানসিক বিষয় ছাড়া আর কোন ফর্মেশনই থাকতে পারেনা যা বলবিজ্ঞানের আইনগুলোর অধীন হবে না । ১৮শতাব্দীর ফরাসি জড়বাদী (লা মেতর, হেলভেসিয়াস, দিদেরত, এবং বিশেষভাবে হলবাখ)-দের দ্বারা বষ্তুর ধারণার গুরুত্বপূর্ণ নতুন রূপরেখা তৈরী হয়, যারা পূর্ববর্তী দর্শনের সংকীর্ণতাকে অতিক্রম করতে পেরেছিলেন। যে চিন্তাবিদরা এই চিন্তন প্রবণতা ধরে রেখেছিলেন তারা সবসময়ই এই বিষয়ে সচেতন ছিলেন যে বলবিজ্ঞান সর্ব প্রকারের গতির বহুরূপত্ব বর্ণনা করতে পারেনা। হলবাখ (Holbach) বলেছিলেন, বস্তু হলো তাই, যা কোন না কোন ভাবে আমাদের অনুভূতিকে প্রভাবিত করে। সম্ভবত: এই বিবৃতিটিই বস্তুর ধারণার আধুনিক রূপ ।

রুশ রাষ্ট্রনায়ক ও দার্শনিক ভ. ই. লেনিন বস্তুর নিম্নরূপ সংজ্ঞা দিয়েছিলেন।বস্তু হলো সেই দার্শনিক প্রত্যয় যা বস্তুগত সত্য, যা মানুষ তার অনুভূতির দ্বারা বুঝতে পারে, এবং যার প্রতিলিপি করা যায়, যার ছবি তোলা যায় ও যা আমাদের অনুভূতিতে প্রতিফলিত হয়, আবার তা আমাদের অনুভূতির উপর একেবারেই নির্ভরশীল না হয়ে স্বাধীনভাবে অস্তিত্ববান।
(Matter is a philosophical category denoting the objective reality which is given to man by his sensations, and which is copied, photographed and reflected by our sensations, while existing independently of them.)
প্রথম দিকে সংজ্ঞাটি সুন্দর মনে হলেও পরে এর ভুল ধরা পড়ে। Matter is a philosophical category- এই কথাটি স্ববিরোধী। মানে কি দাঁড়ালো, matter হলো non-matter? কথিত আছে লেনিন নিজেই পরে এই ভুলটি লক্ষ্য করেছিলেন।

আমরা ইতিমধ্যে বস্তুর সংজ্ঞা সম্পর্কে অনেক বলেছি, কিন্তু কি আমাদের আলোচনা থেকে কোন বাস্তবসম্মত উপসংহার টানতে ব্যর্থ হয়েছে. পদার্থবিজ্ঞান বিংশ শতাব্দী শুরু করে একটি সংকটের মধ্যে দিয়ে। 1897 সালে পরীক্ষামূলকভাবে ইলেক্ট্রন আবিষ্কৃত হয়। এর দ্বারা বোঝা যা্য যে, পরমাণুর গঠন অত্যন্ত জটিল। স্পষ্টত: প্রমাণীত হয় যে পরমাণু কয়েকটি কণা, যেমন ইলেকট্রন প্রোটন (পরমাণুর কেন্দ্রস্থিত অংশের ধনাত্মক আধানযুক্ত ক্ষুদ্র কণিকা) এবং নিউট্রন-এর দ্বারা গঠিত। কিন্তু তাদের পারস্পরিক ক্রিয়া সংক্রান্ত পরবর্তী গবেষণাগুলো পদার্থবিজ্ঞানকে কানাগলিতে নিয়ে যায়।
শক্তির (energy) সংরক্ষণ নীতি, যা কিনা বস্তুর সংরক্ষণ নীতির ভিত্তি স্বরূপ, তা হলো প্রাকৃতিক বিজ্ঞানের একটি মৌলিক মতবাদ। যদি আপনি প্রতিটি ২০ গ্রাম ভরের দুইটি স্বর্ণমুদ্রা নেন, এবং তদেরকে গলিয়ে একটি ধাতুপিণ্ড তৈরী করেন, আদর্শ অবস্থায় সেই ধাতুপিণ্ডটির ওজন হওয়ার কথা ৪০ গ্রাম। কিন্তু মৈলিক কণিকার জগতে প্রায়শঃই এই নিয়মের ব্যাত্যয় ঘটে। দুইটি কণিকার মিথস্ক্রিয়ায় একটি তৃতীয় কণিকার জন্ম হয়, এবং যার ভর প্রথম দুইটি কণিকার ভরের যোগফলের তুলনায় লক্ষণীয়ভাবে কম হয়। এই অবস্থাটি প্রকৃতিবিজ্ঞানীদের কাছে অবিশ্বাস্য মনে হয়, কেননা তা পদার্থবিজ্ঞানের নীতিগুলোর পরিপন্থী বলে মনে হতে থাকে। বিজ্ঞানীরা এই মনে করতে শুরু করেন যে, বস্তু কোনরূপ আলামত (trace) ছাড়াই অদৃশ্য হয়ে যেতে পারে । এভাবে দার্শনিক জড়বাদ তার মৌলিকত্বের গভীরতা হারিয়ে ফেলে।

পরে অবশ্য আরও বিস্তারিত ভৌত পরিমাপ এই দেখায় যে, দুইটি কণিকার মিথষ্ক্রিয়ায় শুধুমাত্র একটি তৃতীয় কণিকা নয়, বরং ফোটন নামক একটি চতুর্থ কণিকারও জন্ম হয়। এটি আলোর কণিকা যা প্রাথমিকভাবে একটি বস্তুর উপাদান হিসেবে অজানা ছিল। এই ফোটনের ভর হিসাবের মধ্যে এনে পদার্থবিজ্ঞানের মৌলিক আইনগুলো পুনঃস্থাপিত হয়। তার মানে ঘটনাটি বস্তুর বিলীন হওয়া ছিলনা, বরং আমাদের জ্ঞাত বিষয়গুলোর বিলীন হওয়া ছিল। প্রাকৃতিক বিজ্ঞানের পরবর্তী আবিষ্কারগুলোও আমাদের দার্শনিক ধারণা এইভাবে প্রসারিত ও সুস্পষ্ট করে যে, বস্তু শুধুমাত্র পদার্থ রূপেই থাকেনা, যেমনটি আমরা আগে ভাবতাম, বরং ক্ষেত্র (field) রূপেও থাকে। আলো একটি নির্দিষ্ট রূপ যাকে পদার্থও বলা যাবেনা আবার কায়াও বলা যাবেনা।আলো এতকাল যাবৎ জ্ঞাত বস্তুগুলোর মত স্থানে কোন নির্দিষ্ট সীমা দখল করেনা, কিন্তু তা ক্ষেত্র নামে বস্তুর একটি নির্দিষ্ট রূপ। আজকের প্রাকৃতিক বিজ্ঞান ইতিমধ্যে আরো কিছু ক্ষেত্রের কথা জানে, এগুলো হলো - পারমাণবিক, মহাকর্ষীয় এবং ইলেক্ট্রোম্যাগনেটিক। বর্তমানে আমরা আরো জানি যে, আলোর দ্বৈত সত্তা রয়েছে। আলো একই সাথে তরঙ্গ ও কণিকার মত আচরন করে। পদার্থ, শক্তি, কণিকা ও ক্ষেত্র এরা সকলেই বস্তুর রূপভিন্নতা।
বস্তুর গুনাগুন বলেতে বোঝানো হয় তার বৈশিষ্ট্যকে, যা ছাড়া কোন বস্তু টিকে থাকতে পারেনা। বস্তুর মূল বৈশিষ্ট্যের মধ্যে প্রাথমিকভাবে ধরা যায় গতি, স্থান, সময় এবং প্রতিফলন ।

পরবর্তি সিরিজে পদার্থ, শক্তি, কণিকা, ক্ষেত্র, ইত্যাদি বস্তুর রূপভিন্নতা নিয়ে এবং এর পাশাপাশি স্থান, সময় অর্থাৎ বস্তুর গুনাগুন নিয়ে আলোচনা করব।

(চলবে)
সর্বশেষ এডিট : ২৬ শে জুলাই, ২০১২ দুপুর ১:৪৫
৬টি মন্তব্য ৪টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

হঠাৎ অমাবস্যা

লিখেছেন স্থিতধী, ০৫ ই মে, ২০২১ বিকাল ৪:৪২



দৃষ্টি বিনিময় থেকে দেহ বিনিময়,
তুমি কি এই দুইয়ের মাঝেই প্রেম খোঁজো?

এটা কি তোর প্রশ্ন নাকি হেঁয়ালি?
প্রশ্ন!

তোর প্রশ্নের ভেতর কি উত্তর নেই?
আছে কি?... ...বাকিটুকু পড়ুন

ধারাবাহিক গল্পঃ পরভৃতা- ১১

লিখেছেন ইসিয়াক, ০৫ ই মে, ২০২১ বিকাল ৫:২৩

পর্ব ১০




রসুল লোকটি রওনক সিকদারের বহু দিনের পুরাতন ভৃত্য। তাকে অবশ্য ভৃত্য না বলে সিকদার বাড়ির... ...বাকিটুকু পড়ুন

সুখে থাকো জলমোতী ভালো থেকো শুভ্র

লিখেছেন কবিতা পড়ার প্রহর, ০৫ ই মে, ২০২১ রাত ৮:১৭


জলমোতী মেয়েটা জলে গড়া মুক্তোর মতই শুভ্র সুন্দর। দারুন ছটফটে। হাসিখুশি আর চোখের তারায় যেন তার কৌতুক ঝলকায় অবিরত। আমি স্বপ্নেও ভাবতে পারিনি এত সুন্দর একটা মেয়ে শুভ্রের বউ... ...বাকিটুকু পড়ুন

নিখোঁজ ব্লগারদের খোঁজে

লিখেছেন ঠাকুরমাহমুদ, ০৫ ই মে, ২০২১ রাত ৯:৫৯



অনেক ব্লগার আছেন যারা ব্লগের পোস্ট পড়েন তারপর মন্তব্য করেন, পোস্টের বিষয়বস্তু জেনে শোনে বুঝে বিস্তারিত আলোচনার সারমর্ম নিয়ে মন্তব্য করে থাকেন। তারা নিঃসন্দেহে ব্লগের অলংকার। বিখ্যাত বন্দর নগরী... ...বাকিটুকু পড়ুন

গ্লোব বায়োটেককে কোভিড-১৯ এর টিকা তৈরিতে পদে পদে বাধা কেন? কাদের স্বার্থ রক্ষা করতে গিয়ে এই বাধা?

লিখেছেন দেশ প্রেমিক বাঙালী, ০৬ ই মে, ২০২১ দুপুর ১:১৩


যখন পুরো বিশ্ব করোনাভাইরাস মহামারীর কবলে পরে তখন অর্থাৎ শুরুর পর গত বছর ২ জুলাই ওষুধ প্রস্ততকারী গ্লোব ফার্মার সহযোগী প্রতিষ্ঠান গ্লোব বায়োটেক লিমিটেড টিকা তৈরির কাজ শুরুর কথা... ...বাকিটুকু পড়ুন

×