সম্প্রতি গার্ডিয়ান পত্রিকার এক প্রতিবেদনে শেখ হাসিনা উল্লেখ করেন, ''ব্রিটিশ জঙ্গিরা বাংলাদেশে সন্ত্রাসবাদে ইন্ধন যোগাচ্ছে।'' তিনি আরও বলেন, ''পূর্ব লন্ডনে জামাতের শক্ত প্রভাব রয়েছে৷ এটি সত্য৷ তারা অর্থ জোগাড় করছে৷ তারা টাকা পাঠাচ্ছে।'' শেখ হাসিনা জঙ্গিবাদ দমনে বৃটেনের সহযোগীতা চান। অর্থাত তিনি প্রমাণ করলেন বাংলাদেশ এখন জঙ্গি পূর্ণ রাষ্ট্র এবং জামাত একটি জঙ্গি দল।
শুধু তাই নয়, প্রায় একই সময়ে ওয়াশিংটন টাইমসে প্রকাশিত এক কলামে সজীব ওয়াজেদ জয় আল-কায়েদার সঙ্গে বাংলাদেশের জামায়াতে ইসলামীর সম্পর্ক থাকার ইঙ্গিত দিয়েছেন বলেও আমরা জানি। অর্থাত মা-ছেলে সম্মিলিত ভাবে চেষ্টা করছেন বাংলাদেশকে বর্হিবিশ্বে একটি জঙ্গিবাদি রাষ্ট্র হিসেবে প্রমাণ করতে।
বিষয়টি তখনই আসলো যখন খালেদা জিয়া লন্ডনে অবস্থান করছেন। ভোটারশূণ্য, প্রহসন মূলক এক নির্লজ্জ নির্বাচনের মাধ্যমে আওয়ামিলীগ ক্ষমতায় এসেছে। এখন পর্যন্ত ভারত বাদে আর কোন দেশ বা আন্তর্জাতিক সংস্থা তাদের সাথেও নাই। তাই প্রতি মুহূর্তে আওয়ামিলীগ ভয়ে থাকে, এই বুঝি গদি গেল। আর এই ভয় তাদের কোটি গুণ বেড়ে গেছে এখন। কারণ এখন খালেদা জিয়া এবং তারেক রহমান দুইজনে মিলে বিএনপি'র পরবর্তি আন্দোলনের রুপরেখা তৈরি করছেন।
সুতরাং অবৈধভাবে ক্ষমতায় টিকে থাকার জন্য মা-ছেলের কাছে এখন এই একটি রাস্তায় খোলা আছে। দেশকে জঙ্গিরাষ্ট্র প্রমাণ করো আর বর্হিবিশ্বের হস্তক্ষেপের মাধ্যমে ক্ষমতায় টিকে থাক। এই রুপরেখায় ই এগোচ্ছে আওয়ামিলীগ।
সর্বশেষ এডিট : ১৮ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৫ সকাল ৯:২৪

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



