somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

শমশের মবিনের পদত্যাগ এবং বিএনপির মন্দাভাব

৩০ শে অক্টোবর, ২০১৫ সকাল ৯:২২
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

বিএনপির হতাশার পালকে যুক্ত হল আরেকটি বিষয় : শমশের মবিনের পদত্যাগ। শমশের মবিন বিএনপির রাজনীতিতে ততটা পুরোনো নন। এর আগে বি চৌধুরী, অলি আহমেদের মত জন্মলগ্নের মানুষজন পদত্যাগ করেছেন। কিন্তু তখন বিএনপি ছিল ক্ষমতায়। আজ এখন দেশে যেখানে রাজনীতি প্রায় শূন্য, সেখানে শমশেরের পদত্যাগ মড়ার উপরে খাড়ার ঘা মাত্র।

পদত্যাগ করা একদিক থেকে ভাল। কারন সরকারের রোষানল থেকে আপাত মুক্তি পাওয়া যাবে। কিন্তু বাংলাদেশের রাজনীতি যে প্রায় শূন্যের কোঠায় চলে এসেছে - তার থেকে মুক্তির উপায় কি? রাজনীতি হীনতা কোন সমাধান নয়, তা পাকিস্তানকে ক্ষতির চূড়ান্ত সীমায় নিয়ে গিয়েছিল। বাংলাদেশেও এই রাজনীতি হীনতার কুফল শুরু হয়েছে জংগিবাদ বিস্তারের মাধ্যমে। সরকার থেকে বলা হচ্ছে বিদেশী নাগরিক হত্যার সাথে বিএনপি জড়িত। এটা প্রমান সাপেক্ষ। কিন্তু নাস্তিক ব্লগার? শিয়াদের তাজিয়া মিছিল? জংগি হামলা থেকে তো কিছুই বাকী নেই।


৫ই জানুয়ারীর নির্বাচন বর্জন করে বিএণপি সবচেয়ে সঠিক কাজটি করেছিল। এতদিনে তো এটা পরিষ্কার যে ৫ই জানুয়ারীর নির্বাচনে অংশ নিলে বিএনপি কে জোর করেই হারানো হত। যেমনটি উপজেলা কিংবা মেয়র নির্বাচনে পরবর্তীতে দেখা গিয়েছে। সামনের ডিসেম্বরে আসছে পৌর সভা নির্বাচন। সেখানেও বিএনপিকে অংশ নিতে হবে। নাহলে তৃনমূল পর্যায়ে বিদ্রোহ শুরু হতে পারে। এছাড়া ভোট কেন্দ্র দখলের দৃশ্যগুলোও পত্রিকায় আসবে যদি বিএনপি অংশ নেয়। দলীয় প্রতীক নিয়ে বিএনপি আপত্তি তুলেছে । কিন্তু দলীয় প্রতীকের বিষয়টি খুব বেশী গুরুত্বপূর্ন নয়, কারন বিভিন্ন নির্বাচনে এতদিন বিএনপির ব্যানারে প্রার্থী দাড়িয়েছিল। এবার তার সাথে যুক্ত হবে প্রতীক।

কিছুদিন আগে ছাত্রদলের প্রাক্তন নেতা নীরুর সাক্ষাতকার দেখলাম যে তিনি আবার ফেরত আসছেন। খবরটি আশাপ্রদ নি:সন্দেহে। মাঠপর্যায় থেকে উঠে আসা নেতারা বাংলাদেশের রাজনীতির জন্য আদর্শ। তারা জানেন কি করে কঠিন সময়ে টিকে থাকতে হয়। এমনি করেই চলবে বিএনপির টিকে থাকার পরীক্ষা। সরকারের দমননীতির এই শ্বাসরূদ্ধকর অবস্থা একদিন শেষ হবে ইনশাল্লাহ। মনে রাখা দরকার, সরকার ক্ষমতায় থাকলেও তাদের কোন জনসমর্থন নেই।
সর্বশেষ এডিট : ৩০ শে অক্টোবর, ২০১৫ সকাল ৯:২৫
১০টি মন্তব্য ১০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

সীমিত মগজ, লিলিপুটিয়ান, ডোডো পাখি (সৌজন্যে - চাঁদগাজী)...

লিখেছেন বিচার মানি তালগাছ আমার, ০৮ ই মে, ২০২৬ সকাল ১১:২৯



১. যেনা করব আমরা, ৫০১-এ যাব আমরা, পার্কে যাব আমরা। তুমি তো আলেম। তুমি কেন যাবে? তুমি তো ইসলামের সবক দাও সবাইকে। তুমি মাহফিলে কোরআন, হাদীস বয়ান কর। তুমি... ...বাকিটুকু পড়ুন

মহাজন জিন্দা হ্যায়!!!

লিখেছেন শেহজাদ আমান, ০৮ ই মে, ২০২৬ সন্ধ্যা ৬:৪৭



মনে পড়ে, ঠিক এক বছর আগে গত বছর এই সময়ের দিকে ফেসবুক বা সোশ্যাল মিডিয়া ভেসে যাচ্ছিল 'মহাজন স্যারকে আরও ৫ বছর বাংলাদেশের সরকার প্রধান হিসেবে দেখতে চাই' টাইপের... ...বাকিটুকু পড়ুন

ধর্ম অটুট, মৌলভিরা নন: সমালোচনা মানেই অশ্রদ্ধা নয়

লিখেছেন কলিমুদ্দি দফাদার, ০৮ ই মে, ২০২৬ সন্ধ্যা ৭:২৬



নবী ইউসুফ (আ.)-এর সময় মিসরীয়রা 'আমুন' দেবতার পূজা করত। মিসরের শাসক আপোফিসকে তার পিতা তৎকালীন পুরোহিতদের কুচক্রী স্বভাব সম্পর্কে সতর্ক করেছিলেন। এই পুরোহিতরা ধর্মের দোহাই দিয়ে রাজ্যসভা থেকে... ...বাকিটুকু পড়ুন

শৈশব- কৈশোর বেলার গল্প

লিখেছেন রাজীব নুর, ০৮ ই মে, ২০২৬ সন্ধ্যা ৭:৪৭



আমাদের শৈশব ছিলো অতিশয় প্রাণপ্রাচুর্যময় যদিও শৃঙ্খলাপূর্ণ।
একালের মতো বিলম্বিত শয্যা ত্যাগ রীতিমতো গর্হিত অপরাধ! শয্যা ত্যাগ করেই বিশেষত অবকাশের দিন গুলোতে নিয়মিত গন্তব্য ছিলো কারো কারো খেলার... ...বাকিটুকু পড়ুন

কবিতাঃ পাখির জগত

লিখেছেন ইসিয়াক, ০৯ ই মে, ২০২৬ সকাল ৭:০০



টোনাপাখি লেজ নাচিয়ে গাইছে মধুর গান।
গান শুনে টুনিপাখি আহ্লাদে আটখান।

টোনা যখন উড়ে ঘুরে অন্য ডালে বসে।
টুনি এসে ঠিক তখনই বসে তারই পাশে।

বুলবুলিদের পাড়ায় আজ দারুণ শোরগোল।
নানা শব্দের... ...বাকিটুকু পড়ুন

×