somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

পুলিশ প্রশাসন উনাদের ব্যর্থতার জন্য আমাদেরকে সময়ের প্রাচীরে বন্ধী করে দিচ্ছেন

০৭ ই এপ্রিল, ২০১৬ বিকাল ৩:০৫
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :


পুলিশ প্রশাসন উনাদের ব্যর্থতার জন্য আমাদেরকে সময়ের প্রাচীরে বন্ধী করে দিচ্ছেন।

গত বছরের পহেলা বৈশাখে বর্ষবরণ উৎসবে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের টিএসসি এলাকায় যৌন নিপীড়নের ঘটনার অপরাধীদের ধরতে ব্যর্থতার জন্য পুলিশ প্রশাসন এবার আমাদেরকে সময়ে প্রাচীরে বন্ধী করে দিচ্ছেন।

একজন পুলিশ কর্মকর্তা জানিয়েছেন- পহেলা বৈশাখে বিকাল ৪টার পর রমনা পার্ক ও সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে কাউকে ঢুকতে দেওয়া হবেনা।

বিশেষ এক দিনের নিরাপত্তার জন্য যদি বিকেল ৪টা পর্যন্ত রমনা পার্ক এবং সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে ঢুকতে না দেওয়া হয় তবে তো সারা বৎসর বিকেল ৪টা পর থেকে মানুষকে ঘর থেকে বের হতে নিষেধ করে দেওয়া উচিত সারা বৎসরের নিরাপত্তার কথা ভেবে।

উনারা কি মনে করেন আমরা শুধু একদিন এর জন্য অনিরাপদ? আর সারা বৎসর নিরাপদ। আমাদের শুধু পহেলা বৈশাখেই যৌন নিপীড়নের ঘটনা ঘটে আর সারা বৎসর এরকম কোন ঘটনা ঘটেনা। গত বছর যে ঘটনা ঘটেছে সে ঘটানা খুব বেশী রটেছে বলেই সবাই জানেন। কিন্তু আমাদের কান আর চোখের আড়ালে সারা বছর কতো অঘটন ঘটে তার খবর কে রাখে? পুলিশ প্রশাসন যে ঘটনা বেশী রটে সেই ঘটনার পেছনেই দৌড়ায় এটা আর আমাদের অজানা নয়। আর বরাবরই বড় বড় আশ্বাস এই করছি সেই করছি। কই। কিচ্ছু তো করতে পারলেন না পুরো এক বছরেও?

উনারা গত বছরের পহেলা বৈশাখে বর্ষবরণ উৎসবে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের টিএসসি এলাকায় যৌন নিপীড়নের ঘটনার অপরাধীদের ধরতে ব্যর্থ। আর পুলিশ প্রশাসনের সেই ব্যর্থতাই আজ আমাদের অনিরাপত্তার সবচেয়ে বড় কারণ।
উনারা উনাদের গত ব্যর্থতাকে ঢাকতেই এবার আমাদেরকে সময়ের প্রাচীরে বন্ধী করে দিচ্ছেন। যাতে আমরা শুধু দিনের বেলা নিরাপদ থাকি। অন্তত বিকাল ৪টা পর্যন্ত নিরাপদ থাকি। রমনা পার্ক ও সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে নিরাপত্তায় থাকি।

রমনা পার্ক ও সোহরাওয়ার্দী উদ্যানের নিরাপত্তার জন্য না হয় সময়ের মাপকাঠির তৈরি করে দিলেন । সারা ঢাকা শহর কি ভাবে আপনারা নিরাপত্তা দেবেন ? কি ভাবে নিরাপত্তা দেবেন সারা বাংলাদেশ?

আমি জানি খুব শিগ্রি আপনারা ঘোশনা দেবেন যে, সমস্ত ঢাকা শহরে বিকেল ৪টার মধ্যে নববর্ষের অনুষ্ঠান (বর্ষবরণের উৎসব) সমাপ্ত করতে হবে।
এর পর আবার প্রতিটি জেলায় জেলায় ঘোশনা দেবেন বিকেল ৪টার পর মধ্যে নববর্ষের অনুষ্ঠান (বর্ষবরণের উৎসব) সমাপ্ত করতে হবে।
কথা গুলি আমার মনগড়া কথা নয়। আমি আমার অতীত অভিজ্ঞতা থেকেই কথা গুলি আগাম বলে বলছি।

বিকেল ৪টার মধ্যে যদি বর্ষবরণের উৎসব সমাপ্ত হয়ে যায়।
তাতে উনাদের ডিউটির চাপ কমে যায়। উনাদের উপর আর তেমন কোন নিরাপত্তার চাপ পড়বেনা। না পরাটাই স্বাভাবিক। কারণ দিনের বেলা তো আর উনাদের নিরাপত্তার তেমন প্রয়োজন পরেনা। সাধারণত মানুষ দিনের বেলা নিজেদেরকে খুব স্বাভাবিক ভাবেই নিরাপদ মনেই করেন। কোন ক্রমেই নিজেদেরকে স্বাভাবিক অনিরাপদ বোধ করেননা। না করাটাই খুব স্বাভাবিক।

যেই সমটায় সাধারন মানুষ খুব স্বাভাবিক ভাবেই নিরাপদ সেই সময়টায় আপনাদের নিরাপত্তার তেমনটা প্রয়োজন পরেনা। একেবারে যে পরেনা তা কিন্তু আমি বলতে পারবোনা। এতো বড় মিথ্যে বলার স্পর্ধা আমার নেই। ছিলও না, হবেও না কোন দিন।

গত এক বছরে কতো জন ব্লগার খুন হলো। কই একজনের খুনিতো আপনার ধরতে পারেননি? গত রাতেও একজন ব্লগার পুরান ঢাকায় খুন হোন যা আপনার অতিত ব্যর্থতার আরো একটি সুফল । আর কতো ব্যর্থতার সুফল চান আপনার? আর কতো লাশ পেলে আর কাউকে লাশ হতে দেবেননা আপনারা ? আর কতো লাশ পেলে আপনারা আর কোন মানুষকে খুন হতে দেবেননা। যদি আপনার আর একটি মানুষ লাশ হওয়ার পর আর কোন মানুষকে লাশ হতে দেবেননা বলে ভেবে থাকেন তবে নিন আমাকে সর্বশেষ লাশ করে নিন। তারপরও নিরাপত্তা দিন প্রতিদিন, প্রতিটি মানুষের। সময়ের প্রাচীরে বন্ধী করে নয়।
স্বাধীন ভাবে চলা ফেরা আর বাঁচার নিরাপত্তা দিন। আমি সর্বদা বিশ্বাস করি স্বাধীনতায়ই সুখ। জানী আপনারা দ্বিমত হবেননা।

জানী আজ আপনার সংবাদ মাধ্যামে এই করছি সেই করছি বলে আস্বাস দিতে দিতে গলা শুখিয়ে ফেলবেন। আপনাদের কথা বলার সাথে থুথুর ছিটাতে ছিটাতে মাইক্রোফোন জ্যাম ধরিয়ে দেবেন। এতো গুলি বিষয় আপনাদের হাতে কোনটা ছেড়ে কোনটা নিয়ে কথা বলবেন আপনারা সম্ভবত নিজেরাই বুঝতে পারবেননা।

যেই জনগনের টাকায় আপনাদের বেতন হয়। যাদের টাকায় আপনারা দামি স্কুলে বাচ্চাদের পড়ান মানুষের মতো মানুষ করার জন্য। বউয়ের জন্য দামি শাড়ি কিনে বৈশাখী উপহার নিয়ে যান। সেই জনগনের নিরাপত্তা যদি দিতে পারেন না তবে কেন সম্মানিত আসন দখল করে বসে আছেন। ছেড়ে দিননা নিজের মানবিক ও লজ্জা বোধ থেকে চেয়ারটা। চেয়ারের যৌগ্যদের এই চেয়ারে বসার সুযোগ করে দিন। যাতে জনগন উপকৃত হয়।

নির্লজ্জ বেহায়াপনা দিয়ে হয়তো সম্মানিত আসন দখল করে রাখা যায়। নির্লজ্জ আর বেহায়াপনার সুফল কিন্তু ভাল হয়না। তাই নিজেদের মান ইজ্জল রক্ষা করুন। রক্ষ করুন আমাদেরকেও।
পুলিশ প্রশাসন উনাদের ব্যর্থতার জন্য আমাদেরকে সময়ের প্রাচীরে বন্ধী করে দিচ্ছেন।

গত বছরের পহেলা বৈশাখে বর্ষবরণ উৎসবে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের টিএসসি এলাকায় যৌন নিপীড়নের ঘটনার অপরাধীদের ধরতে ব্যর্থতার জন্য পুলিশ প্রশাসন এবার আমাদেরকে সময়ে প্রাচীরে বন্ধী করে দিচ্ছেন।

একজন পুলিশ কর্মকর্তা জানিয়েছেন- পহেলা বৈশাখে বিকাল ৪টার পর রমনা পার্ক ও সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে কাউকে ঢুকতে দেওয়া হবেনা।

বিশেষ এক দিনের নিরাপত্তার জন্য যদি বিকেল ৪টা পর্যন্ত রমনা পার্ক এবং সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে ঢুকতে না দেওয়া হয় তবে তো সারা বৎসর বিকেল ৪টা পর থেকে মানুষকে ঘর থেকে বের হতে নিষেধ করে দেওয়া উচিত সারা বৎসরের নিরাপত্তার কথা ভেবে।

উনারা কি মনে করেন আমরা শুধু একদিন এর জন্য অনিরাপদ? আর সারা বৎসর নিরাপদ। আমাদের শুধু পহেলা বৈশাখেই যৌন নিপীড়নের ঘটনা ঘটে আর সারা বৎসর এরকম কোন ঘটনা ঘটেনা। গত বছর যে ঘটনা ঘটেছে সে ঘটানা খুব বেশী রটেছে বলেই সবাই জানেন। কিন্তু আমাদের কান আর চোখের আড়ালে সারা বছর কতো অঘটন ঘটে তার খবর কে রাখে? পুলিশ প্রশাসন যে ঘটনা বেশী রটে সেই ঘটনার পেছনেই দৌড়ায় এটা আর আমাদের অজানা নয়। আর বরাবরই বড় বড় আশ্বাস এই করছি সেই করছি। কই। কিচ্ছু তো করতে পারলেন না পুরো এক বছরেও?

উনারা গত বছরের পহেলা বৈশাখে বর্ষবরণ উৎসবে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের টিএসসি এলাকায় যৌন নিপীড়নের ঘটনার অপরাধীদের ধরতে ব্যর্থ। আর পুলিশ প্রশাসনের সেই ব্যর্থতাই আজ আমাদের অনিরাপত্তার সবচেয়ে বড় কারণ।
উনারা উনাদের গত ব্যর্থতাকে ঢাকতেই এবার আমাদেরকে সময়ের প্রাচীরে বন্ধী করে দিচ্ছেন। যাতে আমরা শুধু দিনের বেলা নিরাপদ থাকি। অন্তত বিকাল ৪টা পর্যন্ত নিরাপদ থাকি। রমনা পার্ক ও সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে নিরাপত্তায় থাকি।

রমনা পার্ক ও সোহরাওয়ার্দী উদ্যানের নিরাপত্তার জন্য না হয় সময়ের মাপকাঠির তৈরি করে দিলেন । সারা ঢাকা শহর কি ভাবে আপনারা নিরাপত্তা দেবেন ? কি ভাবে নিরাপত্তা দেবেন সারা বাংলাদেশ?

আমি জানি খুব শিগ্রি আপনারা ঘোশনা দেবেন যে, সমস্ত ঢাকা শহরে বিকেল ৪টার মধ্যে নববর্ষের অনুষ্ঠান (বর্ষবরণের উৎসব) সমাপ্ত করতে হবে।
এর পর আবার প্রতিটি জেলায় জেলায় ঘোশনা দেবেন বিকেল ৪টার পর মধ্যে নববর্ষের অনুষ্ঠান (বর্ষবরণের উৎসব) সমাপ্ত করতে হবে।
কথা গুলি আমার মনগড়া কথা নয়। আমি আমার অতীত অভিজ্ঞতা থেকেই কথা গুলি আগাম বলে বলছি।

বিকেল ৪টার মধ্যে যদি বর্ষবরণের উৎসব সমাপ্ত হয়ে যায়।
তাতে উনাদের ডিউটির চাপ কমে যায়। উনাদের উপর আর তেমন কোন নিরাপত্তার চাপ পড়বেনা। না পরাটাই স্বাভাবিক। কারণ দিনের বেলা তো আর উনাদের নিরাপত্তার তেমন প্রয়োজন পরেনা। সাধারণত মানুষ দিনের বেলা নিজেদেরকে খুব স্বাভাবিক ভাবেই নিরাপদ মনেই করেন। কোন ক্রমেই নিজেদেরকে স্বাভাবিক অনিরাপদ বোধ করেননা। না করাটাই খুব স্বাভাবিক।

যেই সমটায় সাধারন মানুষ খুব স্বাভাবিক ভাবেই নিরাপদ সেই সময়টায় আপনাদের নিরাপত্তার তেমনটা প্রয়োজন পরেনা। একেবারে যে পরেনা তা কিন্তু আমি বলতে পারবোনা। এতো বড় মিথ্যে বলার স্পর্ধা আমার নেই। ছিলও না, হবেও না কোন দিন।

গত এক বছরে কতো জন ব্লগার খুন হলো। কই একজনের খুনিতো আপনার ধরতে পারেননি? গত রাতেও একজন ব্লগার পুরান ঢাকায় খুন হোন যা আপনার অতিত ব্যর্থতার আরো একটি সুফল । আর কতো ব্যর্থতার সুফল চান আপনার? আর কতো লাশ পেলে আর কাউকে লাশ হতে দেবেননা আপনারা ? আর কতো লাশ পেলে আপনারা আর কোন মানুষকে খুন হতে দেবেননা। যদি আপনার আর একটি মানুষ লাশ হওয়ার পর আর কোন মানুষকে লাশ হতে দেবেননা বলে ভেবে থাকেন তবে নিন আমাকে সর্বশেষ লাশ করে নিন। তারপরও নিরাপত্তা দিন প্রতিদিন, প্রতিটি মানুষের। সময়ের প্রাচীরে বন্ধী করে নয়।
স্বাধীন ভাবে চলা ফেরা আর বাঁচার নিরাপত্তা দিন। আমি সর্বদা বিশ্বাস করি স্বাধীনতায়ই সুখ। জানী আপনারা দ্বিমত হবেননা।

জানী আজ আপনার সংবাদ মাধ্যামে এই করছি সেই করছি বলে আস্বাস দিতে দিতে গলা শুখিয়ে ফেলবেন। আপনাদের কথা বলার সাথে থুথুর ছিটাতে ছিটাতে মাইক্রোফোন জ্যাম ধরিয়ে দেবেন। এতো গুলি বিষয় আপনাদের হাতে কোনটা ছেড়ে কোনটা নিয়ে কথা বলবেন আপনারা সম্ভবত নিজেরাই বুঝতে পারবেননা।

যেই জনগনের টাকায় আপনাদের বেতন হয়। যাদের টাকায় আপনারা দামি স্কুলে বাচ্চাদের পড়ান মানুষের মতো মানুষ করার জন্য। বউয়ের জন্য দামি শাড়ি কিনে বৈশাখী উপহার নিয়ে যান। সেই জনগনের নিরাপত্তা যদি দিতে পারেন না তবে কেন সম্মানিত আসন দখল করে বসে আছেন। ছেড়ে দিননা নিজের মানবিক ও লজ্জা বোধ থেকে চেয়ারটা। চেয়ারের যৌগ্যদের এই চেয়ারে বসার সুযোগ করে দিন। যাতে জনগন উপকৃত হয়।

নির্লজ্জ বেহায়াপনা দিয়ে হয়তো সম্মানিত আসন দখল করে রাখা যায়। নির্লজ্জ আর বেহায়াপনার সুফল কিন্তু ভাল হয়না। তাই নিজেদের মান ইজ্জল রক্ষা করুন। রক্ষা করুন আমাদেরকেও।
সর্বশেষ এডিট : ০৭ ই এপ্রিল, ২০১৬ বিকাল ৪:১১
২টি মন্তব্য ২টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

খেলা ফাইনাল হয়ে যেতে পারে আগামীকাল ...

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ৩০ শে আগস্ট, ২০২৬ রাত ১১:৪৮


আগামীকাল অপপ্রচারকারীদের খেলা ফাইনাল হয়ে যেতে পারে। গ্যাস আর বিদ্যুৎ সংকট নিয়ে সরকারকে কাবু করার দিন ফুরিয়ে এসেছে। 'কাছিমের মতো গর্ত থেকে বের হয়ে' যারা এতদিন সরকারের... ...বাকিটুকু পড়ুন

নতুন ভোরের গান

লিখেছেন স্বপ্নের শঙ্খচিল, ৩১ শে আগস্ট, ২০২৬ ভোর ৬:৪৭


নতুন ভোরের গান



কষ্টের দিন পেরিয়ে এবার
আসবে আলোর গান,
নতুন দিনের নতুন সুরে
জাগবে সবুজ প্রাণ।

নষ্ট স্মৃতির আড়ষ্টতা
ঝরিয়ে দেবো অনেক দূরে,
নিজের মনেই ভালোবাসার
নূপুর বাজবে সুরে সুরে।



ভ্রষ্ট পথের আঁধার কেটে
ভোর... ...বাকিটুকু পড়ুন

ব্লগে চার বছর একদিন হয়ে গেল । কি আশ্চর্য!

লিখেছেন সামরিন হক, ৩১ শে আগস্ট, ২০২৬ ভোর ৬:৪৭

অবজ্ঞা

তোমার বিশেষ ঘৃণা দ্বারা আক্রান্ত আমি
চারপাশ ঘিরে ফেলেছে ঘৃণারা আমাকে
আস্তে আস্তে গ্রাস করে নিচ্ছে আমাকে তোমার ঘৃণা
আমার কথা শোন
আমি কখনই মনুষ্যত্বের সীমা পার করিনি
কিন্তু তোমার ঘৃণায়... ...বাকিটুকু পড়ুন

গুপ্ত-গায়েব-গুম এবং পিওর ও শিওর লাভ

লিখেছেন সামছুল আলম কচি, ৩১ শে আগস্ট, ২০২৬ সকাল ১১:১৬


৭ মাসে বাংলাদেশে ১৫ হাজার শিশু নিখোঁজ !!!
এমন রোমহর্ষক, চমকে যাওয়া এবং অন্তরে কাপুনি ধরানোর মতো তথ্য বা কথা বার্তার কোনও মানে হয় ??!!
গরীব পরিবারের শিশুদের কথা বাদ দেই-এ... ...বাকিটুকু পড়ুন

সরকারী অফিসারদের বেতন বাড়ানোর সিদ্ধান্তকে সাধুবাদ জানাই

লিখেছেন সত্যপথিক শাইয়্যান, ৩১ শে আগস্ট, ২০২৬ রাত ৮:০০

দেশের গুরুত্বপূর্ণ কাজগুলো সরকারী অফিসারদের হাত ধরেই হয়। সেজন্যে, এই পদগুলো যোগ্য মানুষদের হাতে যাওয়া প্রয়োজন। কিন্তু, সমস্যা হচ্ছে, গত কয়েক দশকে দেশের টপ ট্যালেন্টদের বেশির ভাগই কোনক্রমেই সরেকারী অফিসার... ...বাকিটুকু পড়ুন

×