somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

হে মুুসলিম উম্মাহ, শিরক থেকে আপনি নিজে বাচুন ।এবং আপনি আপনার আহাল পরিবার গুলোকে বাচান । ........................................ রাশেদ বিন জাফর -

২৮ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৬ রাত ৮:২৩
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

শীরক হচ্ছে সবচেয়ে বড় গোনাহ , মানে সবচেয়ে বড় পাপ। আর আল্লাহ তায়ালা এই গোনাহ কখনোই ক্ষমা করবেন না। যে করবে সে সরাসরি জাহান্নামে চলে যাবেন । কারন ,
শীরকি গোনাহ ক্ষমা না করার জন্য আল্লাহ তায়ালা শপথ গ্রহণ করেছেন্। কেননা শীরকি গোনাহ করলে সে হয়ে যায় মুশরেক , মানে আল্লাহর সাথে অংশীদার কারি। এ কারনে তার আর ইমান এক চুল পরিমান থাকে না।

তবে কেউ যদি ভুল ক্রমে বা অজান্তে শীরকি গোনাহ করে ফেলে তাহলে তাকে আল্লাহার কাছে এস্তেগফার সহ তওবা করে পুনরায় ইমান আনতে হবে আল্লাহ এই শীরকি গোনাহ কখনোই ক্ষমা করবেন না। এতে আপানি যত বড় আলেম হোন , আর যত বড় পীর হোন আর নেতাই হোন কোন লাভ নাই।
এটা আল্লাহর তায়ালার শপথ ।
আর আল্লাহ তায়ালা কখনই তার শপথ ভংগ করেন না।

আর শিরক যেহেতু মস্ত বড় পাপ , যার জন্য একজন মুসলমানকে মুসলিম থাকা অবন্থায়ও তওবা করে নতুন করে ইমান আনতে হয় ।
তাহলে এমন একটি ভয়ংকর কবিরা গোনাহ সম্পর্কে সমস্থ মুসলিম উম্মাকে আজ সজাগ থাকতে হবে। তাই এ সম্পর্কে কোরান ও হাদীসের আলোকে সহিহ ভাবে জানতে হবে । স্পষ্ট ভাবে মানতে হবে।

আজকের এই পোষ্ট লেখার অন্যতম কারন হচ্ছে,
আমার যেখানে অবস্থান তার পার্শবর্তী গ্রামে এক পাগলকে কেন্দ্র করে মাজার তৈরি করে সেখানে ইসলামের নামে নানা ভন্ডামী সহ শীরকি গোনায় লিপ্ত করা হচ্ছে।
এখানকার আলেমরাও নিরুপায় কিছু বলতে সাহস পায় না। শুধু নিরবে সয্য করে যায়। আর আমিও তো পারি না। আমিও তো নিরুপায় । কারন এলাকার কিছু মোড়লরা তাদের আয়ত্বে। যার কারনে পুরো সমাজ আজ শিরিকের পথে নিপতিত হচ্ছে । প্রতিদিন দল বেধে ছুটছে সে দিকে।




পরিশেষে , তোমরা যারা এসব মাজারে যাও বা মাজারকে কেন্দ্র করে অনুষ্ঠিত হওয়া মেলায় যাও।
তারা সবাই শীরকি গোনায় গোনাহ গার হয়ে যাবে ।
কেননা , কেউ যদি কোন ওয়াজ মাহফিলে যায় বা যেখানে কোরান ও হাদীসের আলোচনা হয় সেখানে যায় । এরকম কোন জায়গায় অংশগ্রহন করার কারনে যদি
ইসলামি দৃষ্টিকোণ থেকে অশেষ সওয়াবের অংশীদারিত্ব হয় ।
তাহলে যেখানে শীরক হচ্ছে, যাকে কেন্দ্র করে মেলা হচ্ছে ,যাকে উদ্দেশ্য করে মানত করা হচ্ছে। সেখানে গেলে তুমি অবশ্যই শীরকি গোনায় গোনাহগার হবে ।

ইসলামি দৃষ্টিকোন থেকে এসব জায়গায় যাওয়া হারাম্ ।
এখন যারা তোমাকে বিভিন্ন ছদ্দবেশ ধারন করে এসব শীরকি জায়গায় যাওয়ার জন্য মনোভাব তৈরি করে তারা হচ্ছে ছদ্দবেশ ধারন কারি শয়তান।
আর শয়তানতো শয়তানি কাজ করার জন্যই আহবান করে। তারা কি তোসন ভালো কাজ করার জন্য ডাকবে ?


আর যারা এসব জায়গায় যাওয়া নিযে প্রশ্ন তোলতে চাও ? তাদেরকে উদ্দেশ্য করে বলি,
যেখানে সমস্থ হক্কানি আলেমরা এসব জায়গায় যাওয়ার বিরুদ্ধে সেখানে তুমি কি করে যাওয়ার প্রশ্ন তোল। যেখানে যাদের রিতি নিতি বা তরিকার ৮০% হিন্দুদের মত । সেখানে তুমি কি করে যাওয়ার প্রশ্ন তোল।

আর এ ধরনের পীর , ফকিররা হচ্ছে বিনা দলিলে ভন্ড । এদের কাছে যদি কোন মুসলিম দলিল চাইতে চায় । তাহলে বুঝতে হবে তার ইমান নিয়েই টানাটানি রয়েছে। এদের কাছে কোন দলিলও চাওয়া যাবে না।
কারন , কার যদি কমনসেন্স এর শুধু কমন টুকুই থাকে । মানে ভালো মন্দ বুঝার যার ক্ষমতা রয়েছে । সেও বলবে
এসব কাজ গুলো ইসলামের কোন অংশই নয়।
(চলবে)
সর্বশেষ এডিট : ২৯ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৬ সন্ধ্যা ৭:২৫
৭টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

গ্যাস বিদ্যুৎ সংকটের জন্য দায়ী কে?

লিখেছেন সৈয়দ মশিউর রহমান, ০৩ রা সেপ্টেম্বর, ২০২৬ বিকাল ৩:১১



২৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬।

যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল যৌথভাবে ইরানের সামরিক, পারমাণবিক ও সরকারি স্থাপনাগুলোতে আকস্মিক বড় ধরনের বিমান হামলা চালায়।প্রথম দফার হামলায় ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনেয়ীসহ বেশ কয়েকজন... ...বাকিটুকু পড়ুন

আ-তে আনন্দবাজার, আ-তে আওয়ামী লীগ

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ০৪ ঠা সেপ্টেম্বর, ২০২৬ রাত ১:১৫


ইন্টারনেটে খবর পড়তে পড়তে হঠাৎ একটা শিরোনাম সামনে এলো। পড়েই কয়েক সেকেন্ডের জন্য মনে হলো, বাংলাদেশের বিদ্যুৎ খাতে বুঝি বিশাল কোনো ঘটনা ঘটে গেছে। শিরোনাম, “আধ পয়সা বেশি... ...বাকিটুকু পড়ুন

২০১৮ সালের পর ঢাকাতেই ৪টা এক্সপ্রেসওয়ে

লিখেছেন মাথা পাগলা, ০৪ ঠা সেপ্টেম্বর, ২০২৬ রাত ৩:৫৩



একটা দেশের উন্নয়ন কতটা এগিয়েছে, সেটা বোঝার অনেকগুলো উপায় আছে। তবে সবচেয়ে সহজ উপায় হলো সেই দেশের রাস্তা, সেতু আর যোগাযোগব্যবস্থা। কারণ এগুলোর পরিবর্তন সরাসরি মানুষের দৈনন্দিন জীবনে চোখে... ...বাকিটুকু পড়ুন

আজকের ডায়েরী- ১৯৭

লিখেছেন রাজীব নুর, ০৪ ঠা সেপ্টেম্বর, ২০২৬ দুপুর ১২:৫৪



শরতের সকাল! সকাল ৮ টা।
ভাদ্র মাস। ইংরেজি সেপ্টেম্বর মাস। ২০২৬ সাল। ঘটনাটা কি হয়েছে, আমি বলি। মোটামোটি ভয়াবহ ঘটনা বলা যেতে পারে! যে কোনো সময় রোদ উঠবে।... ...বাকিটুকু পড়ুন

বাংলাদেশে বর্তমান গ্যাস-বিদ্যুৎ সংকট: দায় কার?

লিখেছেন ডঃ এম এ আলী, ০৪ ঠা সেপ্টেম্বর, ২০২৬ বিকাল ৩:০৭


সংক্ষিপ্ত রায় সবচেয়ে বড় দায় বাংলাদেশের দীর্ঘদিনের জ্বালানি ও বিদ্যুৎ নীতির। এর মধ্যে ২০০৯–২০২৪ সময়কালের সরকারের সিদ্ধান্তগুলোর দায় তুলনামূলকভাবে বেশি, কারণ ওই সময়ে বিদ্যুৎ উৎপাদন ক্ষমতা দ্রুত বাড়ানো হলেও... ...বাকিটুকু পড়ুন

×