somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

"SORRY" বলা হলোনা

১৮ ই ডিসেম্বর, ২০১৬ রাত ১২:৩৩
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

স্নিগ্ধ আমার চেয়ে কয়েক বছরের বড় হবে, ছোট বেলা থেকে আমরা একিই এলাকায় থাকি একসাথে বড় হওয়া, একসাথে দোড়া দৌড়ি লাফালাফিও অনেক করেছি।বলতে গেলে ও আমার বেস্ট ফ্রেন্ড ছিল।মেযেটার দেখতে খুবি সুন্দরি ছিল কিন্ত বেস্ট ফ্রেন্ডরা সুন্দর হলেও তাদের পচাতে হবে সেই নিতি মেনেই ওকে পচাতাম। আমিও দেখতে সুস্থাস্থের হওয়ার কারনে হিংসা করে আমাকে মটু মটু ডাকতো। সময় খুবি ভালো কাটছিল।
কয়েক বছর পর ওর বাবা বাহিরে থাকার কারণে উচ্চ শিক্ষার জন্য ওকেও বাহিরে নিয়ে যায়।ও আমাকে ছেরে দুরে চলে যাবে শুনার পর থেকেই আমার খারাপ লাগা শুরু করে। ওর সাথে রাগে মেলামেশাও কমিয়ে দেই। যে কয়দিন পর তো চলেই যাবে তখন তো ওকে পাবো না. আর আমার কথা একবার চিন্ত না করেই চলে যাবে। যাক তাহলে আমার কি ওর সাথে কথা বলবো না। তখন আবার আমার এস এস সি পরিক্ষা চলছিল তাই পরিক্ষার ব্যস্ততার কারনে আমার রাগটা মানিয়ে চলতে খুব একটা কস্ট হচ্ছিল না। আবার ভাবতাম বেস্ট ফ্রেন্ড তো সব সময় বেস্ট ফ্রেন্ডেই হয় আবার যখন আসবে আমরা আগের মতই থাকবো।

ও আমার রাগ করাটা বুঝতে পারল তারপর ও আমার সাথে আর তেমন কথা বললো না । যেদিন ওর ফ্লাইট সেদিন এলাকার সবার সাথেই দেখা করে গেলো । আমার বাসায়ও আসছিল আম্বুর সাথে আব্বুর কাছ থেকে বিদায় নিয়ে গেলো । আমি আমার রুমে ছিলাম। আমার রুমের সামনে একটা একটু হালকা কাশি দিয়ে শব্দ করলো। আমি জানতাম ও আমার ঘরে ঢুকবে । ওর পায়ের নুপুরের শব্দও শুনতে পেলাম। কিন্ত ও আমার রুমে আসলো না। ও আমার বাসা থেকে বের হয়ে চলে যাওয়ার পর আমি বারান্দায় গেলাম, দেখলাম চলে যাচ্ছে একবার আমার বারান্দাও তাকালো না। আমারো ইচ্ছামত জেদ উঠলো নিজে নিজেই বেইমান, বড়লুক বইলা গালি দিতে দিতে পড়ায় মনোযোগ দিলাম।

পরের দিন ও চলে গেলো। আমি খুব একা হয়ে গেলাম , আমার কস্টগুলা শেয়ার করার মতো মানুষটা আমার থেকে দুরে চলে গেলো আমার প্রিয় বন্ধুটা। তারপর মাস ৫-৬ এর মতো কেটে গেলো ওর সাথে কোন যোগাযোগ নেই মাঝে মাঝে ওর আপার কাছ থেকে খবর নিতাম বলতো ভালোই আছে পড়াশুনা নিয়া ব্যস্ত। তারপর হঠাৎ একদিন রাতে ফোন আসে বাহিরের নাম্বার থেকে।ফোন রিসিভ করতেই সেই পরিচিত গলা । ”কিরে মটু কেমন আছিস “। অনেক কথা হলো সারা রাত প্রথম কিছু সময় কেমন যেন অসস্থি লাগছিল অনেক দিনের একটা গ্যাপ হয়ে গেলে যেমনটা হয়।

তারপর আরকি সরি বলা, একজন আরেকজনকে ক্ষমা করে দেয়। তারপর আবার যেন সেই পুরনো বন্ধু। প্রত্যেকদিনি কথা হতো , নতুন দেশ ,সেখানকার মানুষ। আমি থাকলে নাকি আরো মজা হতো এভাবে গল্প করতাম। আমিও ওকে গল্প শুনাতাম এবার যখন আসবি তখন তো তোর কাছে অনেক টাকা থাকবে আমি তোকে নিয়ে এখানে , ঐখানে ঘুরতে যাবো আর ট্রিট তুই দিবি। ও বলতো জ্বি না অর্ধেক অর্ধেক ।
হঠাৎ একদিন মাঝরাতে স্নিগ্ধ ফোন দিল। ফোনের ওপাশ থেকে কান্নার আওয়াজ পেলাম স্নিগ্ধকে এই প্রথম বার ফুপিয়ে ফুপিয়ে কাদতে শুনছি। যদিও ছোট বেলায় আন্টির হাতে মাইর খেয়ে ওকে কাদতে দেখছিলাম। :) আমি বললাম কি হয়েছে বল কাদছিস কেন ?? ও বলল আমার কিচ্ছু ভালো লাগছেনা আমার চলে আসতে ইচ্ছা করছে। আমি বললাম তো আসবি বছর তো শেষ পড়াশুনাটা শেষকরে আর আমরা তো আছিই এখানে আর বছর খানিক তো হতে চলল এখনো বসছে না কেণ?? কি সমস্যা আমাকে তো বলতেই পারিস ??/
”আমি তোকে প্রচন্ড ভালোবসি।” কথাটা শুনার পরে প্রচন্ড গরমের রাতেও যেন ঠাটা পড়ার শব্দ শুনলাম। আমি বললাম বলিস কি এগুলা??? “ওর কান্নার পরিমান যে আরো বেরে গেলো । তাই নিজের হাসিকে কন্ট্রোল করলাম। ও বলতে থাকলো যে ও অনেক আগে থেকেই আমাকে ভালোবাসে , কিন্ত কখনো বলতে পারে নাই। আরো বয়সের ব্যপারটাও ছিল আর যদি আমি না করি তাহলে তো বন্ধুত্বও নস্ট হবে। এতো কিছু ভেবে নাকি ওর পুরোটা সময় অস্বত্বিতে ছিল। সবকিছু শুনে আমি হতবাক হয়ে গেলাম। সে রাতে আর আমি কিছু বললাম না সারটা রাত খুব বেশি বাজে কাটল , সব হিসেব যে উলট পালট হয়ে গেছে আমার।কি বলবো কি করার কিছু বুঝে উঠতে পারলাম না।
পরের দিন দুপুরে ও আবার ফোন দিল। সেদিন আমি ওকে অনেক করে বুঝালাম, আমি শুধু ওকে বন্ধু ভাবি। ও যে যে কারণে ভেবেছিল যে আমাদের সম্পর্কটা হবে না আমি সেই কারণগুলিই ওকে আবার বুঝালা। তারপরেও ও মানতে চাইলো না। বলল না আমাকে ও ভালোবাসে আমারো বাসতে হবে। আমিও ওকে ভয় দেখালা আমাকে এগুলার ব্যপারে যদি আর কখনো বলে তাহলে আমি ওর বোনকে বলে দিব । আর কখনো যেন আমাকে ফোন না দেয়। আর আমি এখনি যাচ্ছিা তোর আপার বাসায় আমি সব বলবো।
তারপর অনেক মাস আমাদের আর যোগাযোগ হয় নাই। হঠাৎ করে একদিন রাতে আম্মু বলছে “কিরে তোর সাথে কি স্নিগ্ধর যোগাযোগ আছে ?? আমি বললাম না তো কেন ??? বলল না ওর নাকি জন্ডিস ধরা পরছে , লিভারে নাকি প্রবলেম দেখা দিছে ! চিকিৎসার জন্য দেশে নিয়ে আসবে । আমি একটু অবাক হলাম বললাম কবে ? আম্মু বলল শুনলাম যে কয়েক দিনের মধ্যেই। আমি বললাম ওহ।

তার সপ্তাহ খানিক পর রাস্তার পাশে খেলছিলাম। হঠাৎ দেখলাম স্নিগ্ধকে একপাশে ওর আম্মু আর একপাশে আপু কাধে ধরে নিয়ে আসছে। আমি তো প্রথমে দেখে চিনতেই পারলাম না । একবারেই শুখিয়ে গেছে মুখটা ফ্যাকাশে হয়ে গেছে। আমি একটু সামনে এগিয়ে গেলাম। আন্টিকে সালাম দিলাম। বললাম কেমন আছেন ? আন্টি বলল ভালো না বাবা স্নিগ্ধ কে ডাক্তার দেখিয়ে নিয়ে আসলাম। গতকাল রাতে এসেছি এসেই সকালে হসপিটালে গেলাম। কালকে ভর্তি করবো। স্নিগ্ধ আমার দিকে তাকিয়ে ছিল । আমি ওর দিতে চোখ চোখ পড়াতেই বলে উঠলো “ কেমন আছ রাহাত” আমি বললাম ভালা। ব্যাস ওরা বাড়ির দিকে চলে গেল। ওকে এরকম অবস্থার আর কখনোই দেখিনি। ওর মুখটা দেখেই ছৎ করে উঠলো ভেতর টা।

রাতে আম্মু বললো স্নিগ্ধ তো আসছে তুই দেখা করছছ। আমি বলছি রাস্তায় দেখা হইলো। বলল বাসায় যাস নাই ?? ওর তো শরীর খুব খারাপ. আমি বললাম তাইতো দেখলাম। আমি বাসায় গিয়ে কি করবা ?? বলল ছোট বেলা থেকে তোরা একসাথে ওর শরীল খারাপ দেখবি না । আমি মাথা নিচু করে রুমে চলে আসলাম। রাতে ঘুমানোর সময় ভাবলাম কালকে সকালে যাবো । একা যদি পাই রুমে তাহলে সরি বলবো । ওনেক কথা শুনিয়েছিলাম ওকে। সব কিছুর জন্য সরি বলবো।
পরের দিন সকালে ঘুম থেকে উঠলাম , দেখলাম রুমে আম্মুনেই। মুখটুখ ধুয়ে ফ্রেস হতে কলেজে যাওয়ার জন্য রেডি হচ্ছি এমন সময় ছোট বোন ঘরে আসলো । বললাম আম্মু কই ??? বলল ভাইয়া স্নিগ্ধ আপুতো গতকাল রাতে মারা গেছে । আম্মু দেখতে গেছে। আমার বলল তোমারে উঠাই দিতে আর ওদের বাসায় যেতে। আমি থমকে গেলাম। কিছুতেই বিশ্বাস হচ্ছে না, ভাবলাম অশুস্থ ঠিক আছে মারা যাবে কেন ?? এইটা কি মরার বয়স নাকি ?? ধুর মিথ্যা কথা।

দৌড়ে ওদের বাসায় গেলাম, উঠানে স্নিগ্ধকে শোয়ানো হয়েছে। মুখটা খোলাই। আমি সামনে গেলাম আস্তে আস্তে । আমার বিশ্বাস হচ্ছো না স্নিগ্ধ মারা গেছে।মনে হচ্ছে এখনি ধপ করে উঠে বসবে। মটু মটু করে আমাকে ডাকবে। ও মুখটা অনেক ফ্যকাশে হয়ে গেছে। আমি কিছুই বুঝতে পারছি না। একপাশে ওর আম্মু আর প্রতিবেশিদের কান্না চলছে। আমি স্বাভাবিক “ আমি কথা বলছি সবার সাথে কখন মারা গেছে ?? অনেক কস্ট পাচ্ছিল কিনা ?? রাতেই কেন হসপিটালে নেয় হলো না। কিছুক্ষন পর হুট করে নিজেই যেন স্তব্দ হয়ে যাচ্ছি। আরে স্নিগ্ধ না আমার বন্ধু ছিল ??? ও মারা গেছে !! ও তো আমাকে ভালোবাসতো। আমার তো অনেক কস্ট পাওয়া উচিত আমার তো কন্না পাওয়া উচিত । কিন্ত আমি পুরো ব্যপারটা মেনে নিচ্ছি।

স্নিগ্ধকে গোসল করানো হলো । আমি আর ওর মামা , দুলাভাই আরো কয়েকজন গিয়ে মসজিদ থেকে খাটিয়া নিয়ে আসলাম। ওকে গোসল করানো হলো , কাফন পড়ানো হলো আমি পাশেই একটা কোনে দাড়িয়েছিলাম। ওকে জানাজার জন্য মসজিদে নিয়ে গেলাম । এই দ্বিতীয় বার কারো খাটিয়া কাধে নিচ্ছি। প্রথমবার ছিল আমার দাদাজানের খাঠিয়া। মসজিদে গেলাম জানাজা শেষে কবরোস্তানে গেলাম। বাসা থেকে মসজিদ , মসজিদ থেকে কবরস্তান র্পযন্ত একবারের জন্য আমি খাটিয়া কাছে থেকে সরে জায়নি আমার কাধে করেই নিয়ে গেছি। স্নিগ্ধকে কবরে নামানো হবে। ওর আব্বু প্রথমে কবরে নামলো , পাশে আরো অনেকেই ছিল আত্বিয় স্বজন ওর দুলাভাই মামা আরো অনেকেই । কিন্ত আমি একলাফে কবরে নেমে গেলাম, কেউ আপত্তিও করলো না ওর দুলাভাই তারপর নামলো। এই প্রথম কবরের ভিতর নামলাম। মাটিটা খুব ঠান্ডা।ওকে আমরা তিনজন আস্তে আস্তে প্রথমে খাটিয়া থেকে আমাদের হাতে নিলাম তারপর আস্তে আস্তে মাটিতে রাখলাম। তারপর তিনজনি উঠে গেলাম উপরে।
কবরে মাটি দিলাম, কবর সম্পন্ন করে মুনাজাত শেষ করে বাসায় দিকে রওনা হলাম। কিন্ত পুরোটা সময় আমার তো একবারের জন্য খুব খারাপ লাগলো না , শুধু খারাপ কেন আমি কিছুই বুঝে উঠতে পারলাম না। স্নিগ্ধ সাথে আমার দেখা হয়েছে এখনো ২৪ ঘন্টাও হয়নি। তার উপর গত ৪৮ ঘন্টা আগে তো ও দেশেই ছিলনা। আমি নিশ্চিত স্বপ্ন দেখছি বাসায় গিয়ে একটু ঘুমাবো। তাহলে ঘুম কেটে যাবে। এখন র্প যন্ত যা হচ্ছে সব কল্পনা। আমার মনে হয় একটু ঘামানোর দরকার।

আর কালকে সকালে গিয়েই স্নিগ্ধকে SORRY বলবো। স্নিগ্ধ আমার বেস্ট ফ্রেন্ড। এর এইটা নিশ্চিত একটা দুস্বপ্ন। :( :( :(

( “ এই ঘটনাটি সর্ম্পূন সত্য , শুধু মাত্র ব্যক্তিগত আপত্তির কারনে নাম এবং স্থানের গোপনিয়তা রক্ষা করা হলো। ))
সর্বশেষ এডিট : ১৮ ই ডিসেম্বর, ২০১৬ রাত ১২:৩৩
১টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

বিকাশ নূরা এবং হিরো আলমকে যারা প্রধানমন্ত্রী ভাবতেন ;)

লিখেছেন জ্যাক স্মিথ, ২০ শে আগস্ট, ২০২৬ দুপুর ২:৩২



একজন মানুষের জ্ঞান-বুদ্ধি, শিক্ষা-দীক্ষা থাকার চাইতেও জরুরী বিষয় হচ্ছে তার অন্তর্দৃষ্টি থাকা। অন্তর্দৃষ্টি, অন্তরচক্ষু বা জ্ঞানচক্ষু সম্পন্ন একজন ব্যক্তিকে কখনোই ধোঁকা দেওয়া বা ধোঁকায় ফেলানো সম্ভব নয় কারণ এরা... ...বাকিটুকু পড়ুন

বাঙ্গালী কেন মুসলমান হতে পারে না?

লিখেছেন মুহাম্মদ মামুনূর রশীদ, ২০ শে আগস্ট, ২০২৬ বিকাল ৫:৪৫

অনারব টার্কিশ, কুর্দি আর ইরানিয়ানরা তাদের নিজ নিজ ভাষা ও সংস্কৃতি সংরক্ষন করে ও তা ধারন করেও তারা মুসলিম, পাকিস্তানের পাঞ্জাবীরাও যখন নিজেদের পাঞ্জাবী জাতি হিসেবে অহংকার করে, তখনও তারা... ...বাকিটুকু পড়ুন

গল্পঃ মোহাম্মদপুরে কখনও বিচ্ছেদ হয় না

লিখেছেন রাজসোহান, ২০ শে আগস্ট, ২০২৬ সন্ধ্যা ৭:১৪





আমার দোকানের নাম নিউ শাপলা কম্পিউটার ও ফটোস্ট্যাট। সাইনবোর্ডের শাপলা ফুলটা এঁকে দিয়েছিলো তাজমহল রোডের এক সাইনম্যান, দেখতে হয়েছিলো কচুরিপানার মতো। চৌদ্দ বছর ধরে ঝুলে আছে। রোদে রঙ উঠে... ...বাকিটুকু পড়ুন

২১শে আগস্ট গ্রেনেড হামলা তার সাথে কিছু রুঢ় সত্য যা বদলে দিয়েছিলো দেশের রাজনীতি।

লিখেছেন অন্তর্জাল পরিব্রাজক, ২১ শে আগস্ট, ২০২৬ রাত ১২:৩৪





২১শে আগস্ট গ্রেনেড হামলা সম্পর্কে আমরা সবাই মোটামুটি জানি। এই হামলায় কারা জড়িত ছিল সেটাও আজকের দিনে অজানা নয় একমাত্র নিতান্ত দলকানা ছাড়া। তৎকালীন বিএনপি-জামায়াত জোট সরকারের সময়... ...বাকিটুকু পড়ুন

ধানমন্ডি ৩২ যারা ভেঙেছিল, আর যারা বিচার চাওয়ার পথ বন্ধ করে দিল- তারা কি একই?

লিখেছেন এস.এম. আজাদ রহমান, ২১ শে আগস্ট, ২০২৬ সকাল ৯:৪৪



ধানমন্ডি ৩২ যারা ভেঙেছিল, আর যারা বিচার চাওয়ার পথ বন্ধ করে দিল- তারা কি একই?

ধানমন্ডি ৩২ ভাঙা হয়েছিল- কে দেখেনি, কে জানে না, এটা অস্বীকার করার উপায় নেই।,... ...বাকিটুকু পড়ুন

×