দুখিঃত একটু বেশি দেরি করে ফেললাম। তো শুরু করা যাক।
তো শুরু করা যায় মালয়েশিয়ার দ্বিতীয় পর্ব :
“মালয়েশিয়ার ইমিগ্রেশন: ভোর তিনটার দিকে আমরা মালয়েশিয়র কোয়ালালামপুর এয়ারপোর্টে পৌছাই। বিমান থেকে নামার পর আমাদের বলা হয় সোজা সামনে হাটার জন্য । কিছুক্ষন এগিয়ে যাওয়ার পর দেখালাম ইমিগ্রেশন পুলিশ দাড়িয়ে আছে। ওরা ইরেজিতে খুব একটা ভালো না সেটা শুনেই বোঝা গেল।
” ইমিগ্রেশনের অফিসার বললো যারা স্টুডেন সবাইকে একপাশে সরে লাইনে দারাতে । আর বাকি যারা তাদেরকে সামনে ইমিগ্রেশনের ডেস্কের দিতে চলে যেতে বললো। আমিও একপাশে লাইনে দারিয়ে ছিলাম। মোটামুটি ৪০-৫০ জন স্টুডেন্ট ছিলাম আমরা। সবার পাসপোর্ট আর অফার লেটার চেক করছিল একজন অফিসার সবাইকে তাদের নাম , কলেজের নাম আর সাবজেক্টের নাম জিঞ্জাস করা হচ্ছিল। যারা ঠিক ঠাক বলতে পারছে তাদের বলল আপনার সামনে গিয়ে এক্সেলেটার ধরে নিচে চলে যান। আর অনেক ঘাবরে গেছিল উত্তর দিতে অনেক দেখেই বুঝা যাচ্ছে গ্রাম থেকে এসেছে। এদের মধ্যে অনেকে স্টুডেন্ট দেখলাম তাদের কলেজের নামি বলতে পারলো না। আমি আর বেশিক্ষন দাড়াতে পারলাম না । নিচে চলে আসলাম। দেখলাম ইমিগ্রেশনের অনেক ডেস্ক খালি। সামনেই কিছু পুলিশ দারিয়ে ছিল। আর আমার শারিরিা উচ্চতা কম হওয়ার কারনে আমি সব সময় লাইনের সামনে থাকতে পাছন্দ করতাম, যেন নজরে পরি। তো পিছন থেকে কিছু ছেলে বলতে লাগলো জিঞ্জাস করেন পুলিশকে কই যাবো। আমি গিয়ে জিঞ্জেস করলাম যে আমি স্টুডেন্ট আমার ইমিগ্রেশন কাউন্টার কোনটা।
পুলিশ আমাকে ইশারা দিয়ে দেখিয়ে দিল ঐদিকে যান আর অপেক্ষা করুন। তো ওনার কথা মতো আমি দল নিয়ে সামনে এগিয়ে গেলাম। আমার দল বলতে তখন আমি তো সবার সামনে ছিলাম আর সবাই আমাকে ফলো করছিল।
সকাল ৮ টার দিকে বিভিন্ন কলেজ ভার্সিটি থেকে লোকজন আসা শুরু করলো । তার স্টুডেন্ট নাম ডেকে ডেকে নিয়ে যাচ্ছে । কিন্ত আমাদের কেউ নিতে আসেনাই। তো এয়ার র্পোট থেকেই সিম কিনলাম। ২৫ রিংগিত দিয়ে। ( যারা নতুন যাচ্ছেন তাদের জন্য উপদেশ হলো টাকা খরচ করে সিম কেনার দরকার নাই এয়ার র্পোট থেকে , পাশের কারো কাছ থেকে ম্যনেজ কইরা নিয়েন। কারণ বাহিরে ১০ রিংগিতে আর বাংলাদেশে অকর্ষনিয় কলরেটে অনেক সিম পাবেন। এজেন্টকে ফোন দিয়ে জানালাম যে আমাদের এখনো এয়ারর্পোট পিকআপে আসে নাই । এজেন্ট বলল ওয়েট করো আমি দেখছি। ৫ মিনিট পর এজেন্ট কল করে বললো যে তোমাদের নিতে কলেজ থেকে লোক যাচ্চে অপেক্ষা করো।
সারে ১০ টার দিকে আমাদের কলেজ থেকে লোক এসে আমাদের যাবতিয় ফরমালিটি শেষ করে নিয়ে গেল। এয়ারর্পোট থেকে বের হয়ে ওদের রাস্তা আর পাহাড়গুলো দেখে অবাক হতে থাকলাম। কি সুন্দর দেশ , কি সুন্দর পাহাড়। আর গাড়ি গুলার স্পিড খুব বেশি কোথাকো জ্যাম বা সিগন্যাল নেই।
সর্বশেষ এডিট : ১৮ ই ডিসেম্বর, ২০১৬ রাত ১:০৫

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



