somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

মালয়েশিয়ায় উচ্চ শিক্ষার জন্য আসা আর বাস্তবতা !! (২)

১৮ ই ডিসেম্বর, ২০১৬ রাত ১:০৫
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

দুখিঃত একটু বেশি দেরি করে ফেললাম। তো শুরু করা যাক।

তো শুরু করা যায় মালয়েশিয়ার দ্বিতীয় পর্ব :

“মালয়েশিয়ার ইমিগ্রেশন: ভোর তিনটার দিকে আমরা মালয়েশিয়র কোয়ালালামপুর এয়ারপোর্টে পৌছাই। বিমান থেকে নামার পর আমাদের বলা হয় সোজা সামনে হাটার জন্য । কিছুক্ষন এগিয়ে যাওয়ার পর দেখালাম ইমিগ্রেশন পুলিশ দাড়িয়ে আছে। ওরা ইরেজিতে খুব একটা ভালো না সেটা শুনেই বোঝা গেল।

” ইমিগ্রেশনের অফিসার বললো যারা স্টুডেন সবাইকে একপাশে সরে লাইনে দারাতে । আর বাকি যারা তাদেরকে সামনে ইমিগ্রেশনের ডেস্কের দিতে চলে যেতে বললো। আমিও একপাশে লাইনে দারিয়ে ছিলাম। মোটামুটি ৪০-৫০ জন স্টুডেন্ট ছিলাম আমরা। সবার পাসপোর্ট আর অফার লেটার চেক করছিল একজন অফিসার সবাইকে তাদের নাম , কলেজের নাম আর সাবজেক্টের নাম জিঞ্জাস করা হচ্ছিল। যারা ঠিক ঠাক বলতে পারছে তাদের বলল আপনার সামনে গিয়ে এক্সেলেটার ধরে নিচে চলে যান। আর অনেক ঘাবরে গেছিল উত্তর দিতে অনেক দেখেই বুঝা যাচ্ছে গ্রাম থেকে এসেছে। এদের মধ্যে অনেকে স্টুডেন্ট দেখলাম তাদের কলেজের নামি বলতে পারলো না। আমি আর বেশিক্ষন দাড়াতে পারলাম না । নিচে চলে আসলাম। দেখলাম ইমিগ্রেশনের অনেক ডেস্ক খালি। সামনেই কিছু পুলিশ দারিয়ে ছিল। আর আমার শারিরিা উচ্চতা কম হওয়ার কারনে আমি সব সময় লাইনের সামনে থাকতে পাছন্দ করতাম, যেন নজরে পরি। তো পিছন থেকে কিছু ছেলে বলতে লাগলো জিঞ্জাস করেন পুলিশকে কই যাবো। আমি গিয়ে জিঞ্জেস করলাম যে আমি স্টুডেন্ট আমার ইমিগ্রেশন কাউন্টার কোনটা।

পুলিশ আমাকে ইশারা দিয়ে দেখিয়ে দিল ঐদিকে যান আর অপেক্ষা করুন। তো ওনার কথা মতো আমি দল নিয়ে সামনে এগিয়ে গেলাম। আমার দল বলতে তখন আমি তো সবার সামনে ছিলাম আর সবাই আমাকে ফলো করছিল। ;) একটু সামনে এগুতে দেখ এক কোন লম্বা বরারব ৩-৪ শর মতো লোক জরো হয়ে আছে। কেউ আড্ড্ দিচ্ছে কেউ ঘুমাচ্ছো। একজন কে এগিয়ে যেতেই বলি যে ভাই্ এখানে কি ??? বলল ভাই আপনার কি স্টুডেস্ট ভিসা ?? আমি বললা হ্য ভাই। বলল তাহলে এখানে বইসা পরেন । সকালে যার যার কলেজ থেকে লোক আসবে এসে নাম ডাক দিকে ।তারপর আপনাকে ইমিগ্রেশনে নিয়ে ফিংগারপ্রিন্ট করিয়ে নিয়ে যাবে। তার আগে সবাইকে এখানেই থাকতে হবে। তো আর কি সবাই মিলে বসে পরলাম। মালয়েশিয়ার ইরার্পোেট অনেক ঠান্ডা । প্রায় জমে যাচ্ছিলাম তার উপর গরম কাপরও ছিলনা। ভাবলাম কি আর ঠান্ডা হবে আমাদের আর ওদের ট্যম্পারেচার তো একিই কিন্ত এখানে এসেই সব জমিয়ে দিল।

সকাল ৮ টার দিকে বিভিন্ন কলেজ ভার্সিটি থেকে লোকজন আসা শুরু করলো । তার স্টুডেন্ট নাম ডেকে ডেকে নিয়ে যাচ্ছে । কিন্ত আমাদের কেউ নিতে আসেনাই। তো এয়ার র্পোট থেকেই সিম কিনলাম। ২৫ রিংগিত দিয়ে। ( যারা নতুন যাচ্ছেন তাদের জন্য উপদেশ হলো টাকা খরচ করে সিম কেনার দরকার নাই এয়ার র্পোট থেকে , পাশের কারো কাছ থেকে ম্যনেজ কইরা নিয়েন। কারণ বাহিরে ১০ রিংগিতে আর বাংলাদেশে অকর্ষনিয় কলরেটে অনেক সিম পাবেন। এজেন্টকে ফোন দিয়ে জানালাম যে আমাদের এখনো এয়ারর্পোট পিকআপে আসে নাই । এজেন্ট বলল ওয়েট করো আমি দেখছি। ৫ মিনিট পর এজেন্ট কল করে বললো যে তোমাদের নিতে কলেজ থেকে লোক যাচ্চে অপেক্ষা করো।

সারে ১০ টার দিকে আমাদের কলেজ থেকে লোক এসে আমাদের যাবতিয় ফরমালিটি শেষ করে নিয়ে গেল। এয়ারর্পোট থেকে বের হয়ে ওদের রাস্তা আর পাহাড়গুলো দেখে অবাক হতে থাকলাম। কি সুন্দর দেশ , কি সুন্দর পাহাড়। আর গাড়ি গুলার স্পিড খুব বেশি কোথাকো জ্যাম বা সিগন্যাল নেই।
সর্বশেষ এডিট : ১৮ ই ডিসেম্বর, ২০১৬ রাত ১:০৫
৪টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

অভিনন্দন নাবিহা সাকলায়েন: ৩০ বছর পরের এআই পটেনশিয়াল

লিখেছেন কলাবাগান১, ১৭ ই অক্টোবর, ২০২৬ রাত ৩:৩৮


কনসেপ্ট টা খুবই সোজা...পৃথিবীর তাবত মানুষ ই জানে যে আপনার বিশ বছর বয়সে শরীরে যে কোষ গুলি আছে তা আপনার ৬০ বছর বয়সের কোষ আর সেইম না ..লম্বা সময়... ...বাকিটুকু পড়ুন

যাদের স্বপ্নের দেশ আমেরিকা: তাদের জন্যে আজকের পোস্ট

লিখেছেন অপলক , ১৭ ই অক্টোবর, ২০২৬ দুপুর ২:১৮



এমন এক সময় ছিল, ছেলে বা মেয়ে ডিভি লটারীতে স্বপ্নের দেশে গেছে, বাপ মায়ের পাড়া প্রতিবেশী গর্বে কথা বলাই মুশকিল। সেখানে গিয়ে OC(Office Cleaner) নাকি DC(Dish Cleaner) হবে তার... ...বাকিটুকু পড়ুন

”আমার রাজনীতির রূপরেখা” -- জিয়াউর রহমান

লিখেছেন প্রামানিক, ১৭ ই অক্টোবর, ২০২৬ বিকাল ৪:০০


শহীদুল ইসলাম প্রামানিক
আমি তখন দৈনিক দেশ পত্রিকায় চাকরি করি। এটা আমার দ্বিতীয় চাকরি। প্রথম চাকরি নিয়েছিলাম ব্রিটিশ আমলের প্রকাশিত দৈনিক আজাদ পত্রিকায়। আজাদ পত্রিকাটি ব্রিটিশ আমলে মুসলমানের পক্ষের একমাত্র... ...বাকিটুকু পড়ুন

শহীদ জিয়া ২৭ মার্চের ভাষণে 'জয় বাংলা' বলেছিলেন

লিখেছেন সত্যপথিক শাইয়্যান, ১৭ ই অক্টোবর, ২০২৬ রাত ১০:১১





সূত্রঃ আমার রাজনীতির রূপরেখা
লেখকঃ জিয়াউর রহমান
পৃষ্ঠাঃ ১৭৭

...বাকিটুকু পড়ুন

ওরা জিডিপি আর সেমিকন্ডাক্টরে ব্যস্ত , আমরা ব্যস্ত গোরুর জিয়াফত নিয়ে ....।

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ১৮ ই অক্টোবর, ২০২৬ রাত ২:৩৫


গতকাল মামার ফোন এল দুবাই থেকে, রাতের বেলা। বললেন, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে গরু জবাই করে জিয়াফত খাওয়ার খবর এখান পর্যন্ত পৌঁছে গেছে, ব্যাপার কী? আমি বললাম, মামা, ওরা গরুর মাংস... ...বাকিটুকু পড়ুন

×