somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

আমার আর কোন ওয়ে ছিলনা, আমি খঁজে পাইনি।

২৮ শে আগস্ট, ২০১৪ দুপুর ১২:২২
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

আমি কখনো কাউকে আমার কোন পোষ্ট পড়তে রিকোয়েস্ট করিনি, এইবারই প্রথমবারের মত আমার এই পোষ্টটা যার চোখে পড়বে তাকেই পড়ার জন্য অনুরোধ রইল। লিখাটা একটু বড়, তাও সবাইকে অনুরোধ করবো কষ্ট করে পড়ার জন্য।

কোত্থেকে শুরু করবো ঠিক সেটা বুঝতে পারছিনা! যাই হোক আর কোন পথ যখন খুঁজে পাইনি, পোষ্ট করার সিদ্ধান্ত যখন নিয়েই ফেলেছি শুরু তো করতেই হবে শেষ করার জন্য।

সেই স্কুল লাইফ থেকে একজনকে খুব পছন্দ করতাম, তার পিছে পিছে অনেক ঘুরেছি কিন্তু মনের কথাটা তাকে কখনো বলতে পারিনি। তাকে বিভিন্ন ভাবে বোঝানোর চেষ্টা করেছি, কিন্তু সরাসরি কখনো বলতে না পারার কারনে এখন সে অন্যের। হয়ত তাকে আমি আমার মনের কথা বলতে পারলেও বা বললেও সে আমার হত না। কিন্তু তখন আন্তত নিজের মনকে শান্তনা দিতে পারতাম; হয়ত আজকে আর আফসোস করতে হত না। এখন সে বি এফ এর সাথে এফ বি তে পিকচার শেয়ার করে। দেখতে ভালই বিরক্ত লাগে। অনেক জ্বলেও মাঝে মাঝে ! হয়ত আমার কপালে সারাজীবনই "জ্বলতে হবে" টাইপ কিছু লিখা আছে, আর এই জ্বলন্ত আগুনে পানি ঢালার মত কেউ বোধ হয় কখনোই আসবে না ! :(

উপরে যে কথাগুলো লিখলাম সেটা আমার আজকের পোষ্টের বিষয়বস্তু না। আমি আজকে যা লিখবো তার জন্য উপরের কথাগুলোর প্রয়োজন ছিল।

আজকে আমি আরেকজনের কথা বলবো, যে অনেক স্পেশাল, এক্সেপশনাল একজন, যার সাথে আমার কিছুদিন আগেই পরিচয় হয়েছে; জাস্ট ৩ মাস + কিছুদিন আগের পরিচয়। পরিচয়ের প্রায় শুরু থেকেই তার প্রতি একটা অন্য রকম ভালো লাগা কাজ করতো। বুঝতাম না এর মানে কি? মনে হয় যেন তার মত এত ভালো আর কাউকে কখনো লাগেনি। তার প্রতি আমার এই ভালো লাগাটার মধ্যে অন্য রকম একটা ব্যাপার ছিল, শুরু থেকেই দিন দিন যেন তার প্রত্যেকটা ব্যপার আমাকে মুগ্ধ থেকে মুগ্ধই করে চলেছে। তার প্রত্যেকটা ছোট-খাট ব্যাপারও আমার কাছে খুব নিক্ষুত মনে হয়।

আমি আজকের এই ফেসবুকের পাবলিক পোষ্টটির মাধ্যমে সবার সামনে ইনফ্যাক্ট সারা পৃথিবীর সামনে সেই তোমাকেই আমার মনের কথাগুলো সরাসরি বলতে চাই। কারন আমার আর কোন ওয়ে ছিলনা।

তুমি হয়ত এমনটা কখনোই ভাবতে পারনি, হয়ত কল্পনাও করতে পারনি এমন কিছু একটার মুখোমুখি তোমাকে কোনদিন হতে হবে। কিন্তু বিশ্বাস কর; এটা একদিনে হয়নি। তোমার সাথে ফান করতে করতে একটু একটু করে কখন যে আমি তোমাতে মিলেমিশে একাকার হয়ে গেছি আমি নিজেও জানিনা। বিশ্বাস কর তোমাকে ছাড়া একটা মুহূর্ত অন্য কিছু ভাবনায় বা কল্পনায় আসে না। আমি নিজের সাথে অনেক যুদ্ধ করেছি, নিজেকে বোঝানোর সব রকম চেষ্টাই আমি করেছি। ভেবেছি আমার বোধ হয় কোথাও ভুল হচ্ছে, কারো সাথে শেয়ার করলে সে হয়ত আমাকে ব্যাপারটা বোঝাতে পারবে, তাও করলাম আমাকে অনেক ভাবে বোঝানোর চেষ্টা করল। কিন্তু কোন কিছু দিয়েই আমার মনকে বোঝাতে পারলাম না। আমি সারাদিন তোমার কথাই ভাবি, তোমাকে নিয়ে শত শত হাজার হাজার প্ল্যান করি। তোমাকে হাজার হাজার কথা বলতে ইচ্ছে করে, বলতে গিয়ে বার বার আমি থমকে যাই। তাই ফেসবুকে এই পোষ্টের পথ বেছে নিলাম। কারন আমার আর কোন ওয়ে ছিলনা।

আমাকে আমার পরিবারের এবং কাছের লোকজন, বন্ধু-বান্ধব পাগল বলে, অন্যরকম একজন পাগল। আমার ফেসবুকের ফ্রেন্ড লিস্টে আমার ছোট ভাই -ছোট বোন, বড় ভাই - বড় বোন, মামা - মামি, চাচা সহ আমার কাছের আত্বীয়-স্বজন প্রায় সব পরিবার থেকেই এক-দুই বা ততোধিক লোকজন এড আছে এবং এলাকার বড়-ছোট পরিচিত - অল্প পরিচিত অনেকেই আছে। আমার আজকের এই পোষ্টের পরে আমি ঐ সমস্ত লোকেরা সহ তাদের মাধ্যমে আমার প্রায় সকল ধরনের আত্বীয় স্বজন, বন্ধু-বান্ধব বড়-ছোট, পরিচিত-অল্প পরিচিত সবার কাছে কত বড় অন্য রকম পাগল তা প্রমাণ সহ বুঝে যাবে। কিন্তু আমি এসবের পরোয়া করিনা। আর এছাড়া আমার আর অন্য কোন ওয়ে ছিলনা।

আমার কাছে এখন মনে হয় শুধু এসব কিছু কেন? প্রায় সব কিছুর উর্ধ্বেই তুমি। তোমার জন্য মনে হয় যেন সব করতে পারবো। কোন কিছুই আমার কাছে অসম্বভ নয়। আমি অলরেডি তোমাকে কতটা ভালোবেসে ফেলেছি তা তোমাকে হয়ত বোঝাতে পারবোনা, তবে আমার মত করে এই পৃতিবীতে তোমাকে আর কেউ ভালোবাসতে পারবেনা এটা আমি বলতেই পারি। আমার কাছে হয়ত তোমার চাহিদার সব কিছু দেয়ার মত এত কিছু নেই, কিন্তু তোমার জন্য অসাধ্যও সাধন করবো।

তুমি আমার সাথে জুলাই মাসের ১৮,১৯,২০ তারিখ; এই তিন দিন কথা বলনি। আমার কাছে কেমন লেগেছে, ৩টা দিন কেমন গেছে তা শুধু আমি আর আমার সৃষ্টিকর্তাই জানি, আমি তখনই বুঝতে পেরেছি; তোমাকে ছাড়া আমার চলবে না। তার দুই দিন পর ২২ তারিখ রাতে ১০:৪০ এ তুমি যখন বললে; তোমার বি এফ যে হবে সে অনেক লাকি হবে, তুমি তাকে অনেক কেয়ার করবে, অনেক লাভ করবে। তুমি আমাকে বিশ্বাস করতে বললে তুমি তাকে কখনো কষ্ট দিবেনা। এসব শুনে আমি আমার মনের অজান্তেই নিজেকে সেই ভাগ্যবান ভাবতে শুরু করেছি। বিশ্বাস কর মাঝে মাঝে খুব খুব ইচ্ছে করে তোমার লাভ, কেয়ার এসব পেতে। যদিও আমি জানি এসব আমার ভাগ্যে নেই, আমি সেই ভাগ্যবান কখনই হতে পারবোনা। :(

বয়স এবং ম্যাচ্যিউরিটির দিক দিয়ে আমার কাছেও এটা বহুবার পাগলামিই মনে হয়েছে। না; ভালোবাসা কখনোই কোন দিক দিয়ে পাগলামি হতে পারেনা। কিন্তু আমার বেলায় তোমার জন্য এ ভালোবাসা হয়ত পাগলামিই। কিন্তু কি করবো মনের উপর তো কেউ জোর খাটাতে পারেনা, মন মনের মতই চলে। মনকে কোন কিছু দিয়েই বেঁধে রাখা যায়না, আন্তত আমি পারিনা।

তোমার ভালোবাসা না পেলে হয়ত আমি সারাজীবন এমনিতেই আফসোস করবো, তাই ভাবলাম স্কুল লাইফে যে ভুলটা করেছি সেই ভুল আর করা যাবেনা; আফসোস যখন করতেই হবে ভাগ্যের লিখন যেহেতু "আফসোস"; তোমাকে মনের কথা জানিয়েই আফসোস করি। আমি সবসময় তোমাকে বলতাম তুমি এক্সেপশনাল তাই তোমার জন্য এক্সেপশনাল কিছুই করার প্ল্যান আসে আমার মাথায়। তোমাকে মনের কথা জানানোর জন্যেও আমার মাথায় অনেক প্ল্যান ছিল। কিন্তু গত কিছুদিন যাবত মনে হচ্ছে তুমি আমার কাছ থেকে বোধ হয় হারিয়ে যাচ্ছ, তাই তোমাকে হারিয়ে ফেলার আগেই মনের কথাটা জানাতে চাই।

আমি জানি আমার শত আবেগ, তোমার জন্য হৃদয় উজাড় করে শ্রেষ্ট ভালোবাসার দেয়ার প্রতিশ্রুতি, তোমার সব ধরনের ইচ্ছা পূরনের প্রতিজ্ঞা কোন কিছুই আমার প্রতি তোমাকে আকৃষ্ট করার জন্য যথেষ্ট না। আমি জানি পৃথিবীর শ্রেষ্ট উপায়ে আমি তোমাকে প্রোপোজ করলেও তুমি আমার ভালোবাসা গ্রহন করবেনা। আমি জানি, আমি সব বুঝি কিন্তু মনকে বেঁধে রাখার কোন উপায়ই আমার জানা ছিলনা।

আমি ৯৯% শিউর জেনেও শুধু মাত্র সৃষ্টিকর্তার অলোকিক কোন ইশারার আশায় ১% সম্ভাবনার ভরসায় আজ তোমার সামনে ভালোবাসার হাত বাড়িয়েছি। আমি জানি সৃষ্টিকর্তার ইচ্ছা থাকলে এই পৃতিবীতে কোন কিছুই অসম্ভব নয়। ধরবে কি আমার এই হাত? হাটবে কি আমার পাশে? সারাজীবন এক সাথে?

আমি জানি আমাদের মধ্যে সবচেয়ে বড় এবং একমাত্র দেয়াল হচ্ছে ধর্ম! তুমি হিন্দু আমি মুসলিম। তারপরও বলতে চাইঃ- ঈভা আই
সর্বশেষ এডিট : ৩১ শে আগস্ট, ২০১৪ রাত ৩:৪৬
৫টি মন্তব্য ৫টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

রাসূলের (সা.) অনুসারি হবেন শুধুমাত্র সাহাবা (রা.), অন্যরা এবং ওলামা ওলামার অনুসারি হবেন

লিখেছেন মহাজাগতিক চিন্তা, ১১ ই জুন, ২০২৬ রাত ১:৪০




সূরাঃ ৩৫ ফাতির, ২৮ নং আয়াতের অনুবাদ-
২৮। এভাবে রং বেরং- এর মানুষ, জন্তু ও আন’আম রয়েছে। নিশ্চয়ই আল্লাহর বান্দাদের মধ্যে (ওলামা) আলেমরাই তাঁকে ভয় করে।নিশ্চয়্ই আল্লাহ পরাক্রমশালী ক্ষমাশীল।

সূরা:... ...বাকিটুকু পড়ুন

রবিন খুদারা কেন বাংলাদেশে বিনিয়োগ করেন না ?

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ১১ ই জুন, ২০২৬ রাত ২:২৩


Robin Khuda ঢাকার ছেলে। স্কুল পড়েছেন এই দেশেই। তারপর অস্ট্রেলিয়া গেছেন, AirTrunk বানিয়েছেন, Blackstone তাকে ১৬ বিলিয়ন ডলারে কিনে নিয়েছে, আর এখন তিনি ভারতে ৩০ বিলিয়ন ডলার বিনিয়োগ করছেন... ...বাকিটুকু পড়ুন

দ্বিধাদ্বন্দ্ব কাটিয়ে সঠিক সিদ্ধান্ত নিতে নবীজির শেখানো এক অনন্য আমল

লিখেছেন নতুন নকিব, ১১ ই জুন, ২০২৬ সকাল ৯:০৩

দ্বিধাদ্বন্দ্ব কাটিয়ে সঠিক সিদ্ধান্ত নিতে নবীজির শেখানো এক অনন্য আমল

ছবি অন্তর্জাল থেকে নেওয়া।

মানুষের জীবন মূলত অসংখ্য ছোট-বড় সিদ্ধান্তের সমষ্টি। প্রতিটি বাঁকে, প্রতিটি মোড়ে আমাদের কোনো না কোনো... ...বাকিটুকু পড়ুন

দ্যা ফায়ার অফ মাই সউল

লিখেছেন সত্যপথিক শাইয়্যান, ১১ ই জুন, ২০২৬ বিকাল ৫:১৪

আমি যে ধরণের গান পছন্দ করি, সেগুলোর মাঝে ক্বারি আমির উদ্দিনের 'কুহু সুরে মনের আগুন' গানটি আমার খুব প্রিয়। এই গানটিকে সম্প্রতি ইংরেজিতে অনুবাদ করে গান বানিয়েছি, এনিমেশন... ...বাকিটুকু পড়ুন

আমার ডক্টর যেন বাঁচে ১৫০ বছর.....

লিখেছেন শায়মা, ১১ ই জুন, ২০২৬ রাত ১০:০৪



ডক্টরস, হসপিটাল এবং ওষুধ এসব নিয়ে আমার তিক্ত অভিজ্ঞতার শেষ নেই। এ কারনে আমি একদম এদের কাউকেই পছন্দ করি না। তবে কিছু তো করার নেই। জীবনের নানা সময়ে ইচ্ছের... ...বাকিটুকু পড়ুন

×