somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

মৃত্যুর যন্ত্রণা

১০ ই জানুয়ারি, ২০১৬ সন্ধ্যা ৬:০৮
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

এই পৃথিবীতে মৃত্যুর চেয়ে বড় সত্যি আর কিছু কি আছে।মৃত্যু অবশ্যই আসবে নির্দিষ্ট সময়ের আগেও নয়,পরেও নয়।প্রাণ হরণের সময় মানুষের অবস্থা হয়ে থাকে বিভিন্ন রকম। ঈমান,তাকওয়া,কৃতকর্ম, অনুযায়ী মৃত্যু যন্ত্রণা হয়ে থাকে।কবর হল মৃত্যুর প্রথম স্তর। কারো জন্য কবর হবে জান্নাতের একটি অংশ আর কারোও জন্য হবে তা জাহান্নামের একটি টুকরো।তবুও কিন্তু ব্যক্তি জীবনের মোহে পরে আমরা বেশির ভাগ সময়ই মৃত্যুর মত অবধারিত সত্যি ভূলে গিয়ে নানান স্বার্থের দ্বন্দ্বে জড়িয়ে পড়ি। যেকোনো সেকেন্ডে, যেকোনো মুহূর্তেই একেবারে বিনা নোটিশে আসতে পারে মৃত্যু। আর মৃত্যুর পরেই সব মুছে গিয়ে আপনার আমার নাম হবে শুধু লাশ।
যার নির্দেশে মৃত্যু অবধারীত হয় যদি তার সাথে সম্পর্ক ভালো রাখা যায়, তার প্রতি অনুগত্য প্রকাশ করা হয়।তাহলেই কেবল আশা করতে পারি মৃত্যু পরবর্তী জীবনে অনন্ত যন্ত্রণা আর দূর্ভোগের স্বীকার হতে হবে না আমাদের।
পবিত্র কোরআনে সুরা আল ইমরানে উল্লেখ আছে- প্রত্যেক প্রাণীকেই মৃত্যুর স্বাদ গ্রহণ করতে হবে। আর তোমরা কিয়ামতের দিন পরিপূর্ণ বদলা প্রাপ্ত হবে। তারপর যাকে দোযখ থেকে দূরে রাখা হবে এবং জান্নাতে প্রবেশ করানো হবে তার কার্যসিদ্ধি ঘটবে।
মৃত্যু ও মৃত্যুর যন্ত্রণা প্রত্যেক মানুষের জন্য অর্ণিবার্য।মহান আল্লাহ সবচেয়ে প্রিয় রাসূল (সাঃ)কে মৃত্যুর স্বাদ গ্রহণ করতে হয়েছিল। আর যখন তিনি মৃত্যুর কিনারায় পৌঁছেছিলেন,যখন তিনি মৃত্যু যন্ত্রণায় আক্রান্ত হলেন তখন নিজের সাথে একজগ পানি রেখেছিলেন।আর সেখান থেকে নিজের হাত ডুবিয়ে নিয়ে মুখ মুছতেন এবং বলতেন -লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ,লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ, ইন্নালিল মাওতি লা সাকারাত, লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ। অর্থাৎ নিশ্চয় মৃত্যু যন্ত্রণা বড়ই তীব্র এবং কঠিন।যদি রাসূল (সাঃ)মৃত্যু যন্ত্রণায় কাতর হন। তাহলে আমাদের কেমন হবে। অবশ্যই কঠিন হবে। আর কাফির বা অবিশ্বাসীদের শাস্তি হবে সর্বোচ্চ। মৃত্যুর সময় ফেরেস্তারা তাদেরকে বলবে--বেরিয়ে আয় হে পাপিষ্ঠ আত্মা, তোদের জন্য অপেক্ষা করছে আল্লাহর শাস্তি। তবে কিছু মানুষের মৃত্যু যন্ত্রণা হবে খুবই কম।একটি পিঁপড়ার কামড়ের মত। আর তারাই হলেন শহীদগণ।
হে আল্লাহ তুমি আমাদেরকে ইসলামের পথে চলার তৌফিক দান করুন। আমীন।।
সর্বশেষ এডিট : ১০ ই জানুয়ারি, ২০১৬ সন্ধ্যা ৬:০৮
০টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

।।মাদার অব ড্রাকুলা হাসিনার রাস্ট্রীয় জঙ্গীবাদ।।

লিখেছেন সৈয়দ মশিউর রহমান, ০৯ ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ বিকাল ৩:২৮


মাদার অব ড্রাকুলা হাসিনা ভারতের প্রযোজনায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীদেরকে দিয়ে জঙ্গী জঙ্গী নাটক মঞ্চস্থ করতো। বহিবিশ্বকে বোঝাতো দেশে ইসলামী জঙ্গী দিয়ে ভরে গেছে এবং সেই জঙ্গীরা ইউরোপ আমেরিকার ভয়াবহ ক্ষতি করবে... ...বাকিটুকু পড়ুন

=শরত তুই যাস নে ! =

লিখেছেন কাজী ফাতেমা ছবি, ০৯ ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ রাত ১০:১৩



ভ্যাপসা গরমে নাভিশ্বাস জীবনে কেবল বৃষ্টির হাপিত্যেশ,
মেঘ বলেছে আসবো আসবো আমার উদ্দেশ,
শুভ্র মেঘেদের নাচন
উত্তাপ হাওয়ায় যায় না আর বাঁচন,
তবুও স্নিগ্ধ আবেশ মনজুড়ে,
হঠাৎ হাওয়ার ঝাপটা, বাজে পাতার বাঁশি সুরে।

বিকেলের হাওয়ায় দেহ... ...বাকিটুকু পড়ুন

১ কোটি চাকরি: শর্ত প্রযোজ্য, মেধার প্রবেশ নিষেধ !

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ১০ ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ রাত ৩:২৫


ভোটের আগে বলা হয়েছিল, ক্ষমতায় এলে প্রথম আঠারো মাসেই এক কোটি মানুষকে চাকরি দেওয়া হবে। কথাটা শুনে দেশের বেকার তরুণেরা তো মহাখুশি, কেউ ভাবল সরকারি চাকরি হবে, কেউ ভাবল... ...বাকিটুকু পড়ুন

বিশ্বে ঋণ খেলাপিতে বাংলাদেশ ১ নম্বর এবং দেশে ঋণ খেলাপিতে শীর্ষ ২০ জনের ১৯ জনই ওনাদের!

লিখেছেন সৈয়দ মশিউর রহমান, ১০ ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ দুপুর ২:০৫



শাস্ত্রীয় কথায় না গিয়ে সোজা কথায় কেউ ঋণ নিয়ে তা পরিশোধ না করলে তাকে ঋণ খেলাপি বলা হয়। আপনি জানলে অবাক হবেন যে শীর্ষ ২০ ঋণ খেলাপির ১৯ জনই... ...বাকিটুকু পড়ুন

তৌহিদি জনতা কি ডার্ক জাস্টিসকে ফলো করছেন?

লিখেছেন সত্যপথিক শাইয়্যান, ১০ ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ দুপুর ২:১০



ছোটবেলায় দেখা একটি টিভি সিরিয়াল তুমুল জনপ্রিয় হয়েছিলো। একজন বিচারক যিনি দিনের বেলায় কোর্ট রুমে অপরাধের বিচার করতেন, আর, রাতেরবেলা আইনের ফাঁক -ফোকর গলে বেরিয়ে যাওয়া... ...বাকিটুকু পড়ুন

×