
যে নারী শব্দে শব্দে
ভেঙে ফেলে শব্দের কাঁচ!
তার অধরে দ্রোহের আগুনস্পর্শ
এঁকে দেয়নি চুম্বনের উত্তাপ।
শ্রাবণের অন্তিম কান্নায় ভেজা
মায়াবী জগতের সেই অশ্রুকারিগর
পৃথিবী পোড়ানো ছাই দিয়ে
তাই বলেছিল,
এই নাও, তোমাকে দিলাম
রবি ঠাকুরের সুখের মত ব্যথা।
প্রেমিকের তবু জোছনা ছিল,
খড়কুটোর মত আঁকড়ে
ধরা নারীর বিষণ্ণ চোখ।
খুঁজে ফেরা আদিম পাপে
সাত সমুদ্রের আজন্ম উৎসব।
ফাগুনের ঘ্রাণে উড়ে উড়ে
হাহাকার আসে, ছত্রভঙ্গ মিছলে
অনুভূতির লাশ হাতে কারা
যেন মাতম করে যায়
আহারে!আহারে!
অতলে ডুবে মরার সময়,
এক মুঠো স্বপ্নের মত
হাতে হাত হৃদয়ে হৃদয়!
নষ্ট সময়ের কবিতায়
প্রেমহীন প্রেমিকের ক্ষয়।
ফিরে তাকাবার মত সময়ের কাছাকাছি
দাঁড়িয়ে, অপলক চেয়ে থাকার মত
সেই মুহূর্তগুলোর কাছে নতজানু
হতে বলেছিল বিদগ্ধ এক কবি।
রবি ঠাকুর প্রশ্ন রেখেছিলেন “সখী, ভালোবাসা কারে কয়?”সে প্রশ্নের উত্তর তিনি খুঁজে পেয়েছিলেন বলে মনে হয় না।এ যুগের নচিকেতার গানে দেখি “ভালোবাসা আসলেতে পিটুইটারির খেলা, আমরা বোকারা বলি প্রেম!”অপর দিকে ডারউইন বলে গেছেন বিবর্তিত মানুষের বিবর্তিত ভালোবাসার গল্প।সবাই নিজের মত করে ভালোবাসা খুঁজে ফিরে যার সমস্থ রহস্য লুকিয়ে আছে মহাকালের পরতে পরতে।বেঁচে থাকার আজন্ম উৎসবে তাই আমি সেই মহাকালকেই ভালোবাসিলাম!

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


