যখন বর্ষবরণের উৎসবে নারীরা যৌন সন্ত্রাসীদের সন্ত্রাসের শিকার হয় তখন পুলিশ নিরাপদ দুরুত্বে বসে বাঁশি বাজায়।যখন অভিজিৎ রায়কে প্রকাশ্যে হত্যা করা হয় তখন পুলিশ নীরব দর্শক।কিন্তু যখন যৌন সন্ত্রাসীদের সন্ত্রাসের প্রতিবাদে বিক্ষোভ হয় তখন পুুলিশ বীরপুরুষ!পুলিশের আচরন এ দেশে এমনিতেই প্রশ্নবিদ্ধ।কিন্তু তারপরেও তাদের বেপরোয়া নপুংসক মনোভাবের কোন পরিবর্তন নেই।তাদের অযৌক্তিক বর্বরতার রুপ তারা আজকে আবার দেখাল।
প্রমান থাকা সত্ত্বেও যৌন নিপীড়কদের তারা গ্রেপ্তার করতে ব্যর্থ হয়।বর্ষবরণের দিন যেখানে তাদের নিরাপত্তা দেওয়ার কথা সেখানে সন্ত্রাসীদের নিপীড়ন থেকে নারীদের বাঁচাতে লিটন নন্দীদেরকেই এগিয়ে আসতে হয়।সেদিন পুলিশের উদাসিনতা স্পষ্টভাবেই ফুটে উঠে।দেশ জুড়ে তীব্র প্রতিবাদ এবং প্রমান সহ ছবি এবং ভিডিও ফুটেজ থাকলেও পুলিস প্রশাসন সন্ত্রাসীদের গ্রেপ্তার করতে ব্যর্থ হয়।
সবকিছু দেখে মনে হচ্ছে পুলিশ প্রশাসন খুব ঠাণ্ডা মাথায় নির্বিকার ভাবেই এসব কাজ করে যাচ্ছে।যখন স্বচ্ছ জবাবদিহিতার কোন প্রক্রিয়া থাকে না তখন এমন স্বেচ্ছাচারী আচরণ ওরা করতেই থাকবে এটাই স্বাভাবিক।পুলিশ প্রশাসন আগে থেকেই জানে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রনালয় তাদের ডিফেন্ড করবে। তাই তারা যখন কাজ করা দরকার তখন উদাসিনতা দেখাচ্ছে।আবার সম্পূর্ণ অযৌক্তিক কারনে বর্বর আচরণ করছে।
বরাবরের মত আজকে মা দিবসেও পুলিশের নির্যাতন থেকে রেহায় পায়নি নারীরা।যখন সারা দেশে মা দিবসকে সামনে রেখে নারী অধিকার নিয়ে আলোচনা হচ্ছে,তখন এ দেশেরই তথাকথিত রক্ষক পুলিশ বাহিনীর বর্বর হামলার শিকার হয় নারীরা।এ যেন চোখে আঙুল দিয়ে পুরো দেশের প্রতিচ্ছবি আমাদের সামনে তুলে ধরে।
যেই লিটন নন্দী বর্ষবরণে যৌন সন্ত্রাসীদের হাতে আহত হয়েছিলেন সেই লিটন নন্দী আজ বিচার চাইতে গিয়ে পুলিশের বর্বর হামলায় আহত হয়েছেন।হামলায় আরো আহত হয় ছাত্র ইউনিয়নের সভাপতি হাসান তারেক, ছাত্র ইউনিয়নের সাংগঠনিক সম্পাদক জিএম জিলানী শুভ, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্র ইউনিয়নের সভাপতি তন্বয় ধর, মহানগরের সাধারণ সম্পাদক সুমন সেন গুপ্তসহ অন্তত ২৫ জন।
একদিকে বিচারহীনতার সংস্কৃতি এবং অপরদিকে বিচার চাইতে গেলে উল্টা নির্যাতিত হওয়ার একের পর এক ঘটনা একটি স্থবির প্রশাসনের চিত্র আমাদের সামনে তুলে ধরে।যদিও এটিকে কোন বিছিন্ন সমস্যা হিসেবে দেখলে ভুল হবে।ক্ষমতা দখলের নোংরা রাজনীতি অনেকাংশেই এর জন্য দায়ী।এই নোংরা রাজনীতি এবং বর্বরতা থেকে বের হয়ে আসার একমাত্র উপায় হচ্ছে যৌক্তিক প্রতিবাদে সামিল হওয়া।



সুত্র এবং ছবিঃ http://bangla.bdnews24.com/
বাংলাদেশ ছাত্র ইউনিয়ন (Bangladesh Students' Union)
http://www.thedailystar.net/

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


