এক মণ ধানের মূল্য বর্তমানে ৫০০ টাকা আর দুই প্যাকেট হুইসপার সেনেটারি ন্যাপকিনের মূল্য ৫৫০। মানে এক মণ ধান বিক্রি করিয়া দুই প্যাকেট প্যাড খরিদ করা যাইতেছে না। অতএব কৃষক বধুদের সেই পুরনো পদ্ধতিই ইউজ করিতে হইবেক, তা আমাদের দৈনিক মতিআলো, আইবিএর প্যাড-পুরস্কার প্রাপ্তরা এবং ডাক্তারবাবুরা যতই হইচই করুক। কারণ সকল স্বাস্থ্য সেবা, সকল নাগরিক সুবিধা, সকল চিন্তা কেবল শহরবাসীদের ঘিরিয়াই আবর্তিত হইয়া থাকে।
টিপি-ছিনেমায় আমরা প্রায়শয় শুনিয়া থাকি দেশ আগাইতাছে, তবে ঠিক কোথায় কেমতে আগাইলো সেটা কেহ আর খোলাসা করিয়া কহেনা।
গতকবেও যেন পত্রিকায় দেখিলাম, কৃষক সোনালী ধান কান্ধে করিয়া লইয়া আসিতেছে আর পত্রিকাওলা মাদারচুদরা সেটার পিকচার ছাপা্ইয়া তাহার একটা মনোমুগ্ধকর ক্যাপশন দিয়াছে। কিন্তু কৃষক যে ধানের মূল্য পাইতেছেনা সেটা লিখিতে বেমালুম ভুলিয়া গিয়াছে।
লিখিয়াই বা লাভ কি? এই বংগদেশে যেখানে এক লিটার দুধ আর এক লিটার পানির মূল্য সমান সেখানে ন্যায় বিচার থাকিবে কেমনে?

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


