গতরাতে হয়ে যাওয়া বৃষ্টি রেশ রয়ে গেছে এখনো। আমাদের গাড়ী ঢাকা, চন্দ্রা পেরিয়ে কালিয়াকৈর পড়তেই আমরা যেন সবুজের মধ্যে একেবারে সেধিয়ে গেলাম। আকাশে মেঘ থাকলে গাছপালাগুলোকে একটু বেশি সবুজ লাগে।
সারা বাংলাদেশের রাস্তার দুধার একই রকম-ধুলো ময়লা, টং দোকান, মার্কেট, রিকশা, হাড্ডিচর্মসার লোকজন, ইত্যাদি। সুন্দরেরা রাস্তার ধারে থাকেনা, তারা বাস করে দুরে বহুদুরে- less people more nature।
আমাদের গন্তব্য ছিলো রাজশাহী। বাংলাদেশের যতো জায়গায় আমি গিয়েছি, তার মধ্যে রাজশাহী আমার কাছে সবচেয়ে ভালো লেগেছে। পাঠ্য বইয়ে চলনবিলেন নাম শতসহস্রবার পড়লেও দেখলাম এইবার প্রথম। এতো চমতকার জায়গা আর কোথাও নেই। আমি আমার সহযাত্রীদের বললাম, আমাকে এখানে নামিয়ে দিয়ে তোরা চলে যা, চলে যা, চলে যা………
রাজশাহীর রোডঘাটগুলো নিরিবিলি, পরিস্কার পরিছন্ন। গ্যানজাম নাই। আমি শুধু ভাবছিলাম কি যেন একটা নাই রাস্তায়। কি সেটা?
বিকেলে পদ্মার ধারে বেড়াতে গিয়েছিলাম। হিমালয়ের কোল বেয়ে নেমে আসা পদ্মার পাড়ে সুন্দর একটা শহর রাজশাহী
যা ভালো লাগে নাই:
ঐ যে পর্যটনের মোটেলটা। ভাড়ার তুলনায় রুমগুলো একেবারে পিচ্চি পিচ্চি। সকালের ব্রেকফাস্টটা আরো একটু রিচ হওয়া উচিত ছিলো।
বি:দ্র: “আমি শুধু ভাবছিলাম কি যেন একটা নাই রাস্তায়। কি সেটা?” সেটা হলো সি.এন.জি

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



