আমাদের প্রধানমন্ত্রী থেকে শুরু করে মন্ত্রী, নেতা, পাতিনেতা এমনকি পাড়ার ছেচড়া নেতাও উঠতে বসতে উন্নয়নের ফিরিস্তি আওড়ায়। আমার বাবা তার মৃত্যুর আগ পর্যন্ত আওয়ামী লীগ সমর্থন করে গেছেন। তিনি ছিলেন দল কানা। আমি কিন্তু দলকানা নয়। সাদাকে সাদা আর কালোকে কালো বলার সাহস আমার আছে। গত ৪০ বছরে বাংলাদশের উন্নয়ন কিছুই হয়নি। প্রত্যেকটা দল নিজেদের আঁখের গুছিয়েছে। লোক সম্মুখে তারা সংঘাতে জড়ালেও তলে তলে ঠিকই প্রেমে ঢলে। বিএনপির সময়ে পহেলা বৈশাখে রমনায় বোমা হামলা হল আর আওয়ামী লীগের সময়ে পহেলা বৈশাখে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে নারীদের শ্লীলতাহানি হল। তফাৎ কোথায়!! বিএনপি বোমা মেরে মানুষের দেহ পোড়ালো আর আওয়ামী লীগ তাদের হিজড়া পুলিশ বাহিনীকে নিষ্ক্রীয় রেখে কিছু তরুনীর শ্লীলহানি করে তাদের মন পুড়ালো। ওই তরুনীরা সারাজীবন মানসিক বৈকল্য বহন করবে। দুঃখিত, আওয়ামী পুলিশ বাহিনীকে হিজড়া বললে হিজড়াদের অপমান হবে। হিজড়ারাই ওয়াশিকুর বাবুর খুনিদের ধরেছিল। যেখানে পুলিশ অভিজিৎ হত্যাকারীদের ধরতে ব্যর্থ হল সেখানে হিজড়ারা বাবুর খুনিদের ধরে বুঝিয়ে দিল পুলিশ বাহিনীর চেয়ে তারা অধিকতর সাহসী ও তৎপর। বিএনপির সময়ে ফেব্রুয়ারীতে হুমায়ূন আজাদকে আক্রমন করা হল আর আওয়ামী লীগের সময়ে ফেব্রুয়ারীতে অভিজিৎ রায়কে হত্যা করা হল। বিএনপির সময়ে সিরিজ বোমায় মানুষ মরল আর আওয়ামী লীগের সময়ে মানুষ গুম করা হল। বাহ, কি চমৎকার মিল দুই দলে। যেন মহাভারতের দুঃশাসন-দুর্যোধন জুটি। একজন মানুষ মারে আর আরেকজন বস্ত্রহরণ করে। সব হল চোরের দল। ভোটের সময় ভাল ভাল কথা বলে ভোট কিনতে আসে। ভোট শেষে তাদের এপয়েন্টমেন্ট পেতে কয়েকমাস ঘুরতে হয়। গত পাঁচ বছর যা তা গেছে। কিন্তু গত একবছরে মানুষের জীবন দুঃসহ হয়ে গেছে। আমি নিশ্চিত আগামী বছর থেকে কোন বাবা তার মেয়েকে, কোন স্বামী তার স্ত্রীকে পহেলা বৈশাখে আর বাইরে ঘুরতে নিয়ে যাওয়ার সাহস পাবে না। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী, আপনাকে অনেক শ্রদ্ধা করতাম। আপনার পক্ষে জয়ধ্বনি করতাম দিনরাত। আর আপনিই আমাদের নিরাপত্তা দিতে ব্যর্থ হলেন!! বেডরুমের নিরাপত্তা আপনি দিতে পারেন না, কিন্তু আপনি তো দেখছি রাজপথে চলাচলের নিরাপত্তাও দিতে পারছেন না। আপনার হেন কারেঙ্গা তেন কারেঙ্গা কথা গুলো শুনলে এখন ঘৃনা হয়। আপনার নিষ্ক্রিয় পুলিশ বাহিনী মাছি মারা আর গুলশানে ৮৬ নাম্বার বাড়ির নিরাপত্তার জন্য পয়দা হয়েছে। আপনার মন্ত্রী, নেতারা এসি গাড়িতে পুলিশ বেষ্টনীতে ভালোই আছে। আমরা সাধারন মানুষরাই বিপদে আছি। আপনার ৪৮ ঘন্টায় খুনী ধরা মন্ত্রী আর বিল্ডিং নাড়াছাড়া করা বিল্ডার মন্ত্রী নিয়ে ভালোই থাকুন। লেবু বেশী চাপলে তেতু হয়ে যায়। এই নিগৃহিত জনতা যেদিন জাগবে সেদিন আপনার ক্ষমতাশালী হয়ে যে মিষ্টি স্বাদ তা তেতু হয়ে যাবে।
নিরাপত্তা চাই
আজকের ডায়েরী- ২০১

এবছর দেশে আমড়ার ফলন ভালো হয়েছে।
আমড়ায় আছে প্রচুর ফাইবার যা দীর্ঘক্ষণ পেট ভরা রাখতে সাহায্য করে। এক কেজি আমড়া মাত্র ৫০ টাকা। এক কেজি আপেল ৩৫০ টাকা। মালটা... ...বাকিটুকু পড়ুন
২০২৬ সালের নোবেল শান্তি পুরস্কার : বিচারপতি নাভি পিল্লাইকে নির্বাচন করা হয়েছে
গাজা গণহত্যা’ প্রতিবেদনের তত্ত্বাবধানকারী জাতিসংঘের সাবেক মানবাধিকার প্রধান নাভি পিল্লাই নোবেল শান্তি পুরস্কার জিতেছেন।
জাতিসংঘ মানবাধিকার পরিষদের প্রধান হিসেবে তার দায়িত্বকালে, পরিষদটি ইসরায়েলের নিন্দা জানিয়ে
বিশ্বের বাকি অংশের সম্মিলিত প্রস্তাবের চেয়েও বেশি... ...বাকিটুকু পড়ুন
চট্টগ্রাম বন্দরঃ জাতীয় স্বার্থ, দক্ষতা ও ডিপি ওয়ার্ল্ড.....
চট্টগ্রাম বন্দরঃ জাতীয় স্বার্থ, দক্ষতা ও ডিপি ওয়ার্ল্ডের সঙ্গে চুক্তি....
বন্দর শুধু রাজস্ব আয়ের প্রতিষ্ঠান নয়; এটি একটি দেশের অর্থনৈতিক সক্ষমতা, আন্তর্জাতিক বাণিজ্য এবং বিনিয়োগ প্রতিযোগিতার অন্যতম প্রধান চালিকাশক্তি।
বাংলাদেশের আমদানি-রপ্তানি বাণিজ্যের... ...বাকিটুকু পড়ুন
সামহোয়্যারইন ব্লগের সেরা ব্লগার

আমাদের দেশে যে কোনো ক্রিটিক্যাল সময়ে লক্ষ্য করা যায় কোনো না কোনো পণ্যের অভাব লেগে গিয়েছে। কাঁচা মরিচ, পেঁয়াজ, ভোজ্য তৈল এমনকি রিলিফ গায়েব হয়ে যায়। বন্যায় আক্রান্ত বন্যায়... ...বাকিটুকু পড়ুন
তৌহিদি জনতা কবে দেশ রক্ষায় আন্দোলনে নামবে ?

আলহামদুলিল্লাহ। তৌহিদি জনতার সম্মিলিত প্রচেষ্টায় সুনামগঞ্জে মেয়েদের একটি প্রীতি ফুটবল ম্যাচ বন্ধ করা গেছে। ইসলামের দৃষ্টিতে মেয়েদের খেলাধুলা নিষিদ্ধ এবং অশ্লীল কাজ হিসেবে গণ্য করা হয়। সুনামগঞ্জের মাটিতে এমন... ...বাকিটুকু পড়ুন

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।