টিভি সংবাদিকের কাজ হচ্ছে সঠিক তথ্য সরবারহ করা। কোনটি ঠিক কোনটি বেঠিক সে বিষয়ে তো সিদ্ধান্ত দেয়া রিপোর্টারের এখতিয়ারে পড়ে না। রিপোর্টিং তো কোন ব্যক্তিগত মতামত বা কোন দল বা প্রতিষ্ঠানের মতামতকে প্রচার করা নয়। ইদানিং মানবাধিকার সংগঠনগুলো দাবি করছে এমনভাবে রিপোর্ট করা হচ্ছে যে, অপরাধিকে বিচারের কাঠগড়ায় তোলার পূর্বেই অপরাধী সাব্যস্ত হচ্ছেন, যদিও তিনি নিরপরাধী। এতে ভিকটিমের মানবাধিকার ক্ষুণ্ণ হচ্ছে। সকল স্বার্থের উর্ধ্বে উঠে মুক্তচিন্তার মানদন্ডে বিচার করলে রিপোটারের এরুপ চরিত্রকে শুধু প্রশ্নবিদ্ধই নয় ঘৃণা করতে হয়।
মুন্নি সাহার খপ্পরে শাহাজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য! শিক্ষক পেটানোর মত বাজে ঘটনার সাথে জড়িতদের প্রতি তীব্রভাবে নিন্দা জানাই। ধরে নিলাম এক শিক্ষক অন্য শিক্ষককে পিটানোর ইন্ধন দাতা। তাই বলে কি এই ইন্ধন দাতা শিক্ষককে অঘোষিত মহিলা দারোগা বা তথাকথিত জার্নালিস্ট মুন্নি সাহা যাচ্ছেতাই কথাদিয়ে পিটাবেন!? কে এই মুন্নি সাহা? টিভি রিপোটার বা অনুষ্ঠান সঞ্চালকের এই কি পেশাদারিত্ব? কিছুদিন আগের এটিএন নিউজের সংবাদে দেখলাম মুন্নি সাহা শাবিপ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যকে অপমানিত করছেন। এতো বড় দুঃসাহস তার হয় কি করে? এই ক্ষমতা তাকে কে দিয়েছে? যত্রতত্র হায়নার মত কামড় বসাচ্ছেন।
মুন্নি সাহা বললেন আমরা ন্যায়ের পক্ষে। এটি তো সত্য যে, একই ব্যপার হয়তো একজনের কাছে ন্যায় আর বিপক্ষজনের কাছে অন্যায়! তো সংবাদ পরিবেশন করতে গিয়ে প্রতিষ্ঠানগুলোই পক্ষপাতদুষ্ট হয়ে পড়েন তাহলে কিভাবে আমরা সঠিক তথ্য পাব?
জার্নালিষ্ট হয়ে তার ব্যক্তিগত মতামতের উপর ভিত্তি করে কোন পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যকে অপমানিত করার শাস্তি হওয়া উচিত। এধরনের উল্মাদ জার্নালিষ্ট এই শিল্পকে ধ্বংস করে দেবেন বলে আশঙ্কা করি। আর যে উপাচার্য থাকাকালীন শিক্ষদের অপদস্থ হতে হয় তার পদত্যাগ দাবী করা অযৌক্তিক কিছু নয়!
সর্বশেষ এডিট : ১৮ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৫ সকাল ১১:৩৮

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



