
রায়ের বিরুদ্ধে আপীল করা হলেও তার নিষ্পত্তির আগ পর্যন্ত খালেদা জিয়া একজন দন্ডপ্রাপ্ত আসামী হিসেবেই থাকবেন, আর দণ্ডপ্রাপ্ত আসামী নির্বাচনে অংশগ্রহণ করতে পারে না। তা ছাড়া এই মামলা বাদেও আরো চারটি দুর্নীতির মামলা লড়ে যেতে হবে খালেদা জিয়াকে। সেগুলো হলো- জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট মামলা, নাইকো মামলা, গ্যাটকো মামলা ও বড় পুকুরিয়া কয়লা খনি মামলা। অবশ্য নাইকো, গ্যাটকো এবং বড়পুকুরিয়া দুর্নীতি মামলায় পুলিশ এখনও চার্জশিট দেয়নি। তবে এ মাসের ২৫ ও ২৬ তারিখে জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট মামলার চূড়ান্ত সওয়াল জবাবের দিন ধার্য করা হয়েছে। তারপরই হয়তো বিচারক রায়ের দিন চূড়ান্ত করবেন।
দুর্নীতির এই পাঁচটি মামলা ছাড়াও খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে আরো ৩১টি মামলা রয়েছে। এর মধ্যে ১১টি মামলা নাশকতার। সেইসাথে রয়েছে মানহানি এবং রাষ্ট্রদ্রোহের বেশ কিছু মামলা। ১৫ই আগস্টে তার জন্মদিনটি ভুয়া - এই অভিযোগেও একটি মামলা রয়েছে খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে।
এই অবস্থায় এটা প্রায় বোঝাই যাচ্ছে যে, খালেদা জিয়া আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশগ্রহণ করতে পারবেন না। এ রায় যদি সরকারের ইচ্ছাতে হয়ে থাকে (বেশির ভাগ মানুষ সেটাই বিশ্বাস করছে) তাহলে আপীল করার পরেও তো তাদের ইচ্ছেতেই রায় হবে। তাছাড়া একটা মামলা থেকে অব্যহতি মিললেও অন্য মামলাতে আবার কারাদণ্ড দেওয়া হবে। খালেদা জিয়া যদি নির্বাচন করতে না পারে তাহলে বিএনপির নেতৃত্ব কে দেবে? এবারও কি তবে ৫ই জানুয়ারি নির্বাচনের পুনরাবৃত্তি ঘটতে যাচ্ছে?
সর্বশেষ এডিট : ০৮ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৮ সন্ধ্যা ৬:৩৭

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



