somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

রাজাকার সাকা চৌধুরীর প্রথম আলো শিক্ষা সনদ

২১ শে নভেম্বর, ২০১৫ দুপুর ১২:৪১
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

সালাউদ্দিন কাদের চৌধুরী রাজাকার ছিল নাকি মানবতাবিরোধী সেটা সরকার ও আদালত দেখবে। সে বিষয়ে কিংবা তার বিচার নিয়ে আমার বক্তব্য নয়। আমি কথা বলছি প্রথম আলো নামক পত্রিকাটির হলুদ সাংবাদিকতা নিয়ে।

প্রথম আলো নামের দালাল মিডিয়াটি সালাউদ্দিন কাদের চৌধুরীর রিভিউ পিটিশন নিয়ে ‘প্রতারণা করে শেষ রক্ষার চেষ্টা সাকার’ শিরোনামে একটি নাতিদীর্ঘ রচনা লিখেছে প্রথম পাতায়। এখানে শিক্ষা সনদ নিয়ে প্রশ্ন তোলা হয়েছে। কিন্তু এই গুলো সঠিক না বেঠিক এটা যাছাই করা হয়েছে এমন কোন তথ্য তারা দেয়নি। নিজেদের মত করে সাজিয়ে বলা হয়েছে প্রতারাণা। ধরে নেয়া যাক সালাউদ্দিন কাদের চৌধুরী প্রতারণাই করেছেন। তবে এটা কি পাঞ্জাব বিশ্ববিদ্যালয়ে যাছাই করে দেখা হয়েছে। পাঞ্জাব বিশ্ববিদ্যালয় কি অস্বীকার করেছে এই সনদ তারা ইস্যু করেনি। বলা হয়েছে পাকিস্তান পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের একজন কর্মকর্তা সত্যায়িত করেছেন। তাহলে কি পাকিস্তান পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ওই কর্মকর্তার সাথে তারা যোগাযোগ করেছিল!!! এরকম কোন তথ্য তারা দেয়নি। মানুষকে বিভ্রান্ত করতে সরাসরি লিখে দেয়া হয়েছে সাকা'র প্রতারণা।

পাকিস্তানের বিখ্যাত সাংবাদিক হামিদ মীর হলেন তাদের প্রতিনিধি। হামিদ মীরের লেখা প্রায় প্রথম আলো গুরুত্ব দিয়ে প্রকাশ করে। পাকিস্তানে কোন কিছু ঘটলে হামিদ মীরের উদ্ধৃতি দিয়ে তারা সেটা প্রকাশ করে থাকে। কিন্তু সালাউদ্দিন কাদের চৌধুরীর এই তথ্য গুলো যাছাই করতে তারা কি হামিদ মীরের সাথে যোগাযোগ করেছে??? এমন কোন ইঙ্গিত প্রতিবেদনটিতে নেই। এই প্রত্রিকাটি সালাউদ্দিন কাদের চৌধুরীর রাজনৈতিক চিন্তার গুরুতর বিরোধী। তাই তাদের এজেন্ডা হচ্ছে সালাউদ্দিন কাদের চৌধুরীর মত রাজনৈতিকদের চরিত্র হনন করা। মিথ্যা বানোয়াট কাল্পনিক কাহিনী রচনার মাধ্যমে সালাউদ্দিন কাদের চৌধুরীর মত ভারতবিরোধী (এক্ষেত্রে মুক্তিযোদ্ধা বা রাজাকার কোন ব্যপার না) রাজনীতিকদের চরিত্র হননই যাদের এজেন্ডা তারা এই দালালি মিশ্রিত নিউজ পড়ে উল্লসিত। তাই সাফাই গাওয়া হয়েছে কোন যাছাই বাছাই ছাড়াই। প্রথম আলোর মত ইন্ডিয়াপন্থি হুলদ মিডিয়া গুলোর মূল এজেন্ডাই হচ্ছে বাংলাদেশের সার্বভৌমত্ব ইন্ডিয়ার কাছে অর্পন করা। তাদের এই এজেন্ডা বাস্তবায়নে যারা প্রতিবন্ধক হতে পারেন তাদের চরিত্র হনন করে হেয় করাই হচ্ছে তাদের মেইন টার্গেট।
ইন্ডিয়ার জন্য সীমান্ত উম্মোক্ত করতে প্রত্রিকাটি একবার একটি বিশেষ সংখ্যা বের করেছিল।
সর্বশেষ এডিট : ২১ শে নভেম্বর, ২০১৫ দুপুর ১২:৫১
৪টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

ইউরোপের সবচেয়ে বড় ফিনটেঁক কোম্পানী রিপাবলিক ইউরোপকে ছেড়ে দেওয়ার সত্য ঘটনা

লিখেছেন সত্যপথিক শাইয়্যান, ১৯ শে জুন, ২০২৬ সন্ধ্যা ৭:১৩

বাংলাদেশের আইটি ফার্মগুলোর মাঝে আমার ফার্মই তাঁর ইঞ্জিনিয়রাদের সবচেয়ে বেশি বেতন দিতো। আমার সিনিয়র রুবি অন রেইলস ব্যাকএন্ড ডেভেলপার ছিলো রিফাত। বয়স ৩০, সেই বয়সেই সে মাসে পেতো... ...বাকিটুকু পড়ুন

ফিরে এসো পূর্ণিমায়

লিখেছেন সত্যপথিক শাইয়্যান, ১৯ শে জুন, ২০২৬ রাত ৮:৫৫



তুমি ছাড়া ভালো লাগে না পূর্ণিমা চাঁদ, তুমি লুকিয়ে চন্দ্রিমার হলুদ বর্ণে। মায়াবী জোছনা মাখা রাত সবই যেন নিস্ফল, মন যেন হারিয়েছে আঁধারে সব সময় কাঁদে। চারিদিকে যেন... ...বাকিটুকু পড়ুন

পাতার পাখা

লিখেছেন সাইফুলসাইফসাই, ১৯ শে জুন, ২০২৬ রাত ১০:২৮

পাতার পাখা
সাইফুল ইসলাম সাঈফ

নারকেল গাছের পাতা ছিঁড়ে
পাতার শলা আলাদা করে
দুই পাতা সমান করে কেটে
বানাতাম চার ডানার একটি পাখা
খেজুর গাছের কাঁটা ছিঁড়ে
সে কাঁটা পাখার মাঝখান বরাবর গেঁথে
দখিনা বাতাসের মুখামুখি ধরলেই
শুরু... ...বাকিটুকু পড়ুন

ভারতীয় দূতাবাস অভিমুখে মিছিল কেন?

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ২০ শে জুন, ২০২৬ রাত ১:২১


ঢাকার রাজপথে আজ এক নতুন কুশীলবের আবির্ভাব ঘটলো। নাম তার ‘বাংলাদেশ আজাদ পার্টি’। এই নামের কোনো রাজনৈতিক অস্তিত্বের কথা দেশের আমজনতা না জানলেও, হঠাৎ এক রাতে তারা ‘অবৈধ... ...বাকিটুকু পড়ুন

যদি কামের কাম না হয়, সংখ্যা দেখলে বিগাড় ওঠে

লিখেছেন অপলক , ২০ শে জুন, ২০২৬ দুপুর ১:২২



বগুড়া জিয়াউর রহমান মেডিকেল বর্তমানে ৫০০ শয্যা বিশিষ্ট। এতেই রুগিরা সেবা পায়না, অপরিচ্ছন্ন, লোকবল নেই, যন্ত্রাংশ নষ্ট, ওষূধ নেই, ১৫০০ শষ্যাবিশিষ্ট করে লাভ কি? সেবা নিশ্চিত হবে না...

এখন ডাক্তাররা... ...বাকিটুকু পড়ুন

×