somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

সাঙ্গাকারার কাছেই হারল বাংলাদেশ

২৫ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৬ সকাল ৭:৪৯
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

টম মুডির মুডটা এবার যদি একটু ভালো হয়! বাংলাদেশে পা রাখার পর থেকে শ্রীলঙ্কান কোচের মুখে হাসি দেখা 'ডুমুরের ফুল'য়ের মতো দুষপ্রাপ্য হয়ে উঠেছে। প্রথমে ব্যসত্দ সফরসূচী ও ভ্রমণজনিত কানত্দি তার হাসি কেড়ে নিয়েছিলো। পরে যোগ হয় দলের ভালো না খেলা। বাংলাদেশের বিপ েসিরিজে 1-1 থাকা অবস্থায় আর যাই হোক ফুরফুরে মেজাজ নিয়ে ঘুরে বেড়ানো সাজে না। কিন্তু সিরিজ নির্ধারণী তৃতীয় ওয়ানডে জিতে কোচের মুখের হাসি ফিরিয়ে দিলো মাহেলা জয়াবর্ধনের দল। 78 রানের বড় জয় দিয়ে 2-1 ব্যবধানে ওয়ানডে সিরিজ জিতে নিয়েছে লঙ্কানরা। ফলে চট্টগ্রামের বীরশ্রেষ্ঠ রুহুল আমিন স্টেডিয়ামের অভিষেক ম্যাচে বাংলাদেশের প্রাপ্তি লড়াই করে হারার মধ্যেই আটকে থাকলো। স্বপ্নের সিরিজ জয় এ যাত্রা অধরাই রয়ে গেলো।
অথচ টস জয়ে হ্যাটট্রিকের সাফল্য নিয়ে দিনটা শুরু করেছিলেন স্বাগতিক অধিনায়ক হাবিবুল বাশার। উইকেটের সতেজতা কাজে লাগাতে আগের ম্যাচের মতো বোলারদের হাতে বল তুলে দেন তিনি। সফরকারী দলের প্রথম 5 ওভারে মাত্র 5 রান, 10 ওভারে 22 আর 15 ওভারে 41 রান তোলাই বলে দেয় উইকেটের সজীবতা ভালোই কাজে লাগিয়েছিলো মাশরাফি-রাসেলরা। আর ওই 41 রান তুলতে দুই ওপেনার উপল থারাঙ্গা (0) আর ডেঞ্জারম্যান সনাৎ জয়াসুরিয়াকে (4) ফেরত পাঠিয়ে দেয় বাংলাদেশ। স্বপ্নের মতো প্রথম স্পেলে 6 ওভার বল করে মাত্র 9 রানের বিনিময়ে দুটি উইকেটই নেন দেশ সেরা পেসার মাশরাফি মতর্ুজা। প্রথম স্পেলে ঠিক যতোটা বিধ্বোংসী ছিলেন মাশরাফি পরের স্পেলে ততোটাই বাজে বল করেন তিনি। পরের 4 ওভারে 62 রান দেয়ায় তার বোলিং ফিগার দাঁড়ায় 10-2-71-2! 24.3 ওভারে 100 রান করা শ্রীলঙ্কা দল 50 ওভার শেষে গড়ে তোলে 309 রানের এক পাহাড়সম পুঁিজ। শেষ 10 ওভারে তারা তোলে 114 রান! ম্যাচটা আসলে এখানেই হেরে যায় বাংলাদেশ। ফলে বোঝাই যাচ্ছে শুধু মাশরাফি নয় ইনিংসের শেষদিকে বাজে বল করেছেন সবাই।
সে হিসাবে একরকম হেরে থেকেই ব্যাট করত নামে স্বাগতিক দল। এখানে মোহাম্মদ আশরাফুলের 64 রান আর তার সঙ্গে জুটি বেঁধে অধিনায়ক সুমনের 86 রানের পার্টনারশিপ ছাড়া বলার মতো আর কিছু নেই। শেষ দিকে মাত্র 7 বলে 2 ছক্কা আর 1 বাউন্ডারিতে 19 রান করে মাশরাফি শুধু দর্শকদের বিনোদন বাড়িয়েছেন। তবে সেটা শুধু হারের ব্যবধানটাই কমিয়েছে। এর আগে 17 রানে দুই ওপেনারকে হারানো শ্রীলঙ্কা ঘুঁরে দাঁড়ায় তাদের অধিনায়ক আর সহ অধিনায়কের পার্টনারশিপে। 51 রান করে মোহাম্মদ রফিকের বলে রিটার্ন ক্যাচ দিয়ে মাহেলা জয়াবর্ধনে 75 রানের পার্টনারশিপ ভেঙ্গে যায়। তবে মাহেলার ডেপুটি সাঙ্গাকারা ফিরেছেন তার ওয়ানডে ক্যারিয়ারের 5ম সেঞ্চুরী করে। 80 বলে প্রথম ফিফটি করা এই উইকেটকিপার ব্যাটসম্যান তার পরের ফিফটি করেন মাত্র 37 বলে! শেষপর্যনত্দ 125 বলে 109 রান করে রফিকের দ্বিতীয় শিকারে পরিণত হন তিনি। কিন্তু ততোনে লঙ্কানদের নিরাপদ অবস্থানে নিয়ে গেছেন সাঙ্গাকারা। এখানে তাকে দুর্ধানত্দ সমর্থন দিয়েছেন সিরিজের প্রথম ম্যাচ খেলতে নামা লেগস্পিনার কাম ব্যাটসম্যান লোকুরাচ্চি। প্রথমে ব্যাট হাতে 57 বলে 69 করার পর বল হতেও 2 উইকেট নেন 52 রান দিয়ে। ফলে 'ম্যান অব দ্য ম্যাচ'এর দাবীদার ছিলেন তিনিও। যদিও চাপের মুখে সেঞ্চুরী করে দলকে শক্ত অবস্থানে নেয়ার স্বীকৃতিস্বরূপ ম্যাচ সেরা পুরষ্কার দেয়া হয়েছে সাঙ্গাকারাকে।
আগে দুবার সিরিজ 1-1 করেও শেষ ম্যাচে গিয়ে শিরোপার দাবী ছাড়তে হয়েছে বাংলাদেশকে। একবার ভারত ও আরেকবার জিম্বাবুয়ের বিপ।ে সিরিজ জয়ের সম্ভাবণা তৈরী করে শেষপর্যনত্দ হেরে যাওয়ার রেকর্ড সংখ্যা বেড়ে হলো তিন। তবু ভালো ধীরে ধীরে বাংলাদেশ নিয়মিতভাবে সম্ভাবণা তৈরী তো করছে। সম্ভাবণা তৈরী করতে করতেই তো একসময় আসবে জয়। এবং সেটা নিয়মিতভাবে.........












সর্বশেষ এডিট : ৩১ শে ডিসেম্বর, ১৯৬৯ সন্ধ্যা ৭:০০
০টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

আজকের শিক্ষা - ১

লিখেছেন সত্যপথিক শাইয়্যান, ০২ রা মে, ২০২৬ রাত ৯:২৬



সমাজ আমাদের বিভিন্ন ভাবে পরীক্ষা করে। কখনো ধন-সম্পদ দিয়ে, আবার কখনোবা কপর্দকশূন্যতা দিয়েও! সমাজের এই পরীক্ষায় কেউ জিতেন, আবার কেউবা পুরোপুরি পর্যুদস্ত হয়ে বিদায় নেন এই ধরাধাম থেকে।... ...বাকিটুকু পড়ুন

বিষন্ন মেঘের ভেলায় ভেসে....

লিখেছেন ইন্দ্রনীলা, ০২ রা মে, ২০২৬ রাত ১০:২৯



তোমাকে শুধু একটাবার বড় দেখতে ইচ্ছা করে...
এই ইচ্ছায় আমি হয়ে যাই একটা ঘাসফড়িং
কিংবা আসন্ন শীতের লাল ঝরাপাতা,
উড়ে যাই ভেসে যাই দূর থেকে দূরে...
অজানায়...

শরতের কাঁশফুলের পেঁজা তুলো হয়ে
ফুঁড়ে... ...বাকিটুকু পড়ুন

গ্রেইস

লিখেছেন হুমায়রা হারুন, ০৩ রা মে, ২০২৬ রাত ২:০৯


এরা সাড়ে তিনফুট থেকে চারফুট দীর্ঘ,ছোট খাটো,পাতলা গড়ন বিশিষ্ট। চোখগুলো খুব বড়, নাক দৃশ্যমান নয়,ত্বক ছাই বর্ণের,অমসৃণ এবং কুঁচকানো। উন্নত প্রযুক্তি সম্পন্ন। পুরোই... ...বাকিটুকু পড়ুন

হিন্দু মুসলমান ভুলে গিয়ে, আমরা সবাই মানুষ হই

লিখেছেন রাজীব নুর, ০৩ রা মে, ২০২৬ দুপুর ১:৫৭

আমি জন্মগত ভাবে মুসলমান।
অবশ্য ধর্মীয় নিয়ম কানুন কিছুই মানতে পারি না। মানুষের সবচেয়ে বড় পরিচয় সে মানুষ। এখন তো আর এটা ফকির লালনের যুগ না। মানবিক এবং সচেতন মানুষ... ...বাকিটুকু পড়ুন

নান্দাইলের ইউনুস ও স্বপ্নভঙের বাংলাদেশ

লিখেছেন শ্রাবণধারা, ০৩ রা মে, ২০২৬ বিকাল ৩:৪০


নব্বইয়ের দশকে বিটিভিতে প্রচারিত হুমায়ূন আহমেদের একটি জনপ্রিয় নাটকে একজন ভাড়াটে খুনীর চরিত্র ছিল। ভাড়াটে খুনীর নাম ইউনুস - নান্দাইলের ইউনুস। গ্রামের চেয়ারম্যান তার প্রতিদ্বন্দ্বী একজন ভালো মানুষ স্কুল শিক্ষককে... ...বাকিটুকু পড়ুন

×