বাংলাদেশের সব নায়ক নায়িকার দাবি এই দেশের মানুষেরা হলে গিয়ে ছবি দেখা বাদ দিছে।
প্রতিটা টোক শো তেই একই কথা শুনি তাদের মুখে। সেদিন নায়ক আরেফিন শুভ বললেন, আগে ১৩৫০+ হল ছিল আর এখন ৩১৫+টা হল সারা দেশে। তার মানে এখন আর হলে গিয়ে ছবি দেখার মানুষ কমে গেছে।,
,
আমি এটার সাথে একমত না। এখনো এই দেশে হলে গিয়ে ছবি দেখার মানুষ অনেক আছে।
৬মাস আগে সিনেপ্লেক্সে Batman vs superman ছবি টা দুই বার দেখতে গিয়ে টিকিট না পেয়ে ঘুরে আসছিলাম।
১বছর আগে "ছুঁয়ে দিলে মন" ছবি টা ৪বারের বার টিকিট পেয়ে হলে দেখি।
"মনপুরা" ছবি টার টিকিট ডাবল দাম দিয়ে কিনে দেখছিলাম।
,
আমার মতো অনেকেই আছে যারা টিকিটের অভাবে ছবি দেখতে পারেনা।
তার মানে দারাচ্ছে, ভাল ছবি হইলে সবাই বড় পর্দায় দেখতে চায়।
,
দেশ বদলাইছে। এখন আর ফালতু ছবি দেখে সময় নষ্ট করার মানুষ নাই।
,
আর হ্যা অনেক নায়ক দাবি করেন আগে সবাই ফ্যামিলি নিয়ে ছবি দেখতে যেত। এখন আর সেই ইমেজ দেখা যায় না।
,
আরে ভাই আপনাদের পরিচালক সাহেব ছবির এমন পোস্টার বের করে যেটার দিক সবার সামনে তাকানো যায় না। বাংলা ছবি তে সানী লিওনের পিক দিয়া পোস্টার বানায়।
,
বিলবোর্ডের নোংরা ছবির জন্য রাস্তায় মা বোন কে নিয়ে হেটে যেতে লজ্জা হয়। আর ফ্যামিলি নিয়ে ছবি?? মাথা খারাপ হয়নি জনগনের।
,
আমার মতে হিন্দি ছবি সিনেমা হলে চলতে দিলেই ভাল হইত।
যখন বাংলার ছবি কেউ দেখবেনা তখন বুঝত আসলেই তারা অনেক বাজে ছবি বানায়।
,
একটা মজার ব্যাপার হল আগে ওপার বাংলার ডিরেক্টরেরা বাংলা ছবির রিমেক করত আর এখন আমরা করি।
বাংলাদেশের উচিৎ বলিউডকে পাল্লা দেয়ার।
ভারতের অনেক কিছু আছে বাংলাদেশের নাই এই চিন্তার জন্য আমরা অনেক পিছিয়ে।
,
চীন আর দক্ষিণ কোরিয়ার আকাশ পাতাল তোফাত। কিন্তু ছবির দিক দিয়ে চীন অনেক পিছিয়ে। আফগানিস্তান ছবির দিক থেকে বাংলাদেশের চেয়ে অনেক এগিয়ে।
,
শেষ কথা এটাই বলব, যত দিন অন্য কারো সাথে প্রতিযোগীতা হবেনা তত দিন সবার নিচেই থাকতে হবে। যৌথ ভাবে ছবি করে কিছুই হবেনা।
সর্বশেষ এডিট : ০২ রা অক্টোবর, ২০১৬ রাত ১১:০২

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




