somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

বিএনপি'র আগামীকালের বিক্ষোভের সঙ্গে কামারুজ্জামানের ফাঁসি কার্যকরের একটা যোগসূত্র আছে !!

০৮ ই নভেম্বর, ২০১৪ বিকাল ৫:৩৪
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

সরকারের উচিত ছিল আজ বিএনপিকে সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে সমাবেশ করার অনুমতি দেওয়া। সরকার সেই কাজটি না করে বলটি বিএনপি'র হাতে তুলে দিল। এখন বিএনপি সেই সুযোগকে কাজে লাগিয়ে আগামীকাল সারা দেশে বিক্ষোভ করবে। এতে রাজনৈতিকভাবে বিএনপি চাঙ্গা হবার একটা চেষ্টা চালাবে। পাশাপাশি আগামীকাল একাত্তরের মানবতা বিরোধী অপরাধে মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডিত জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল মুহম্মদ কামারুজ্জামানের সাতদিনের সময় সীমা শেষ হচ্ছে রাষ্ট্রপতি'র কাছে ক্ষমা প্রার্থণা চাওয়ার। সেই হিসেবে আগামীকাল রাতেই এই নরঘাতকের ফাঁসির রায় কার্যকর হবার সম্ভাবনা রয়েছে। ঠিক এই সময়কে মাথায় রেখেই বিএনপি শেষ সুযোগটিকে কাজে লাগিয়ে দেশে আবারো রাজনৈতিক অস্থিতিশীলতা সৃষ্টি করতে চায়। এতে বিএনপি'র এক ঢিলে দুই পাখি মারার সুযোগ। এক, বিক্ষোভের নামে সারা দেশে তারা অস্থিতিশীল পরিস্থিতি সৃষ্টি করবে। দুই, জামায়াতের সঙ্গে বিএনপি'র যে দুরত্ব তৈরি হয়েছে, বিশেষ করে জামায়াতের বাংলাদেশ চাপ্টারের গুরু গোলাম আযম মারা যাবার পর, বিএনপি যে আনুষ্ঠানিকভাবে শোক প্রকাশ বা জানাজায় অংশগ্রহন না করে, গোলামপুত্র কর্তৃক চপেটাঘাত পেয়েছে, তার কৈফিয়ত দিয়ে জামায়াতকে আবারো কোলে টেনে নেবার একটা সুযোগ পেল বটে।
আর যদি আগামীকাল রাতেই কামারুজ্জামানের ফাঁসি কার্যকর হয়ে যায়, তখন জামায়াত বিএনপি'র বিক্ষোভ থেকে প্রসূত শক্তিকে কাজে লাগিয়ে গত সপ্তাহের টানা ব্যর্থ হরতালের ঘাটতি পুষিয়ে নেবার জন্য আবার সোমবার থেকে টানা হরতালের একটা মঞ্চ পায়। মাঝখান থেকে বিএনপি আবার জামায়াতের সাথে কোলাকুলি করার একটা প্রাকাশ্য সুযোগ পেয়ে গেল, যা তাদের কর্মীদেরও নিঃসন্দেহে চাঙ্গা করবে। জামায়াত বিএনপি'র কোলে সবসময়ই আছে। কিন্তু জামায়াত নেতাদের সারা দুনিয়ায় লবিষ্ট থাকা স্বত্তেও যেহেতু একটা একটা করে মামলার নিস্পত্তি হচ্ছে, এবং তাদের সাজা হচ্ছে, যা তারা মেনে নিতে পারছে না। আর বিনএপি একেবারে ঘরে ঢুকে যাওয়া থেকে আবার রাস্তায় বের হবার একটা মহড়া দেবার সুযোগ পেল।
অবস্থা দেখে মনে হচ্ছে, আগামী সপ্তাহ থেকে বাংলাদেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতি আবারো উত্তপ্ত থাকবে। আর এই টোটাল বিষয়টি নিয়ে জুয়া খেলছে স্বয়ং সরকার। জামায়াতকে কেন আনুষ্ঠানিকভাবে বাংলাদেশ থেকে নিষিদ্ধ করা হবে না, সেই প্রশ্নে সরকার এখনো তালবাহানা করছে। সময় ক্ষেপন করছে। রাজনীতি করছে। একটা জিনিস আমরা ভুলে যেতে পারি না, কিছুতেই ভুলতে পারি না। একাত্তরে এই জামায়াত সারা বাংলাদেশ ভূখণ্ডে যে নিপিড়ন, অত্যাচার, খুন, ধর্ষণ, দখল, লুটপাট ও মানবতা বিরোধী অপরাধ করেছে, সেই দলটিকে বাংলাদেশ কেন পরবর্তী ৪৩ বছরেও নিষিদ্ধ করতে পারলো না? কারণ, ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট রাজনৈতিক পট পরিবর্তনের পর বাংলাদেশের পাকিস্তানমুখী যাত্রা। সেই যাত্রার সকল কৃতিত্ব বিএনপি'র। বিএনপি বাংলাদেশকে একটি পাকিস্তানপন্থী দেশ হিসেবেই দেখতে চায়। জামায়াত তাদের সেই সদিচ্ছার প্রধান শক্তি। গোলাম আযমরা বিএনপি'র ডাকে আবার বাংলাদেশের মাটিতে রাজনৈতিকভাবে শিকড় গাড়ার সুযোগ পেয়েছে। এখনো তাদের একমাত্র ভরসা বিএনপি।
আওয়ামী লীগ যুদ্ধাপরাধীদের বিচার করতে গিয়ে কিছু কিছু রাজনীতিতে না জড়ালে, সরাসরি জামায়াতকে নিষিদ্ধ করে, তাদের যাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ, তাদের আটক করে বিচার আরো দ্রুত করার উদ্যোগ নিলে, এই সমস্যা সৃষ্টি হতো না। মামলা পরিচালনায় আরো গতি থাকা খুব দরকার ছিল। এই মামলাকে পুঁজি করে ক্ষমতায় থাকার কৌশলের মধ্যে কোনো ভালোত্ব নেই। বরং আওয়ামী লীগের অনেক অপকর্ম এই মামলা দিয়ে ঢাকার যে কৌশল, সেটি সাধারণ জনগণের কাছে গ্রহনযোগ্য হতে পারে না। যুদ্ধাপরাধীদেরর বিচার এবং বাংলাদেশে তাদের রাজনীতি নিষিদ্ধের ব্যাপারটি বাংলাদেশে গুটি কয়েক বিএনপি'র চামচা আর জামায়াতের আণ্ডাবাচ্চা ছাড়া গোটা বাংলাদেশের মানুষের চাওয়া। আওয়ামী লীগ সেই জনগণের মনের কথা বুঝতে পেরে সেই উদ্যোগটি নিয়ে একটি ভালো আশা জাগিয়েছে। কিন্তু সেটিকে রাজনৈতিকভাবে ক্যাশ করতে গিয়ে কিছুটা তালগোল পাকিয়েছে।
আর বাংলাদেশের বিগত ৪৩ বছরের রাজনৈতিক ইতিহাস সাক্ষ্য দেয় যে, স্বার্থের জন্য আমাদের রাজনৈতিক দলগুলোর চরিত্র সবার প্রায় একই। চুরি, লুটপাট, দখল, দুর্নীতি, সম্পদ বানানো এই জায়গাগুলোতে কে আওয়ামী লীগ, কে বিএনপি, কে জামায়াত চেনার উপায় নাই। কিন্তু বৃহত্তর জনসাধারণের সস্তা সমর্থন লাভের জন্য এসব দলগুলোর কিছু কিছু বিষয়কে রাজনৈতিকভাবে পুঁজি করার কৌশল দীর্ঘদিনের প্রাকটিস। সেই রাজনৈতিক কৌশল থেকে এরা নিজেরাই বের হতে চায় না। সবচেয়ে অবাক করার বিষয় হল, এখনো দেশে মুক্তিযোদ্ধার তালিকা হয়!!! যেখানে রাজাকারের তালিকা করার কথা, সেখানে এরা মুক্তিযুদ্ধের তালিকা নিয়ে ব্যস্ত। মুক্তিযুদ্ধ বিক্রি করে বাংলাদেশ ৪৩ বছর চলল। আর কত? আর কত? চেতনা বিক্রি করে যারা মুখে বড় বড় কথা বলে, তাদের হাড়ির খবর নিতে গেলেই দেখি, অনেক ব্যাপার স্যাপার জড়িত। নইলে গোলাম আযমের জানাজা কিভাবে দেশের জাতীয় মসজিদে হয়? একজন চিন্থিত অপরাধীর জানাজা জাতীয় মসজিদে করতে দিয়ে আওয়ামী লীগ যে বদনামটি করেছে, সেটি ঢাকার জন্য পরপর কয়েকটি মামলার রায়। এই সহজ বিষয়টি বোঝার মত হাজার মানুষ আছে। অন্য মামলাগুলো, বিশেষ করে যে গুলোর রায় হয়ে গেছে, তা নিয়ে এতো সময় ক্ষেপন কেন? কারণ, এই মামলা নিয়ে আওয়ামী লীগ রাজনৈতিকভাবে লাভবান হবার খায়েস নিয়েছে। দেশের জনসাধারণের চাওয়া পাওয়া সেখানে মুখ্য নয়। কিংম্বা বাংলাদেশকে কলংকমুক্ত করার ব্যাপারটিও মুখ্য নয়। মুখ্য বিষয় হল, রাজনৈতিক লাভ লোকসান। হায়রে রাজনীতি।
আমি যখন কোনো মন্ত্রীর মুখে শুনি, অমকু কাজটি করতে হবে, তমুক বিষয়টি করতে হবে, তখন প্রশ্ন জাগে, তাহলে কাজটি কে করবে? অন্য কোনো মন্ত্রী এসে পূর্ববর্তী মন্ত্রী বাহাদুরের এই স্বপ্ন পূরণ করতে চেষ্টা করবে। একজন মানুষ সরকারে থেকে কিভাবে বলে- করতে হবে। কাজটি তো তারই করার কথা। জনগণ বরং তার কাজের দায় কতোটা সফল হল, সেই বিচার করবে। আসলে আমরা এক উদ্ভট উল্লুকের দেশে বাস করি। এখানে কারো বিরুদ্ধে সত্য কথাটি বললে তারা ধরে নেয়, লোকটি হয়তো অন্য দলের। সমালোচনা করার ক্ষেত্র বাংলাদেশে নেই। সরকার ইচ্ছা করে বিএনপিকে রাস্তায় পাঠিয়ে যে খেলাটি খেলার ইচ্ছাপোষণ করল, এতে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্থ হবে দেশের সাধারণ মানুষ। যাদের কাজের জন্য ঘরের বাইরে যেতেই হবে। বাংলাদেশে জন দুর্ভোগ বাড়ানোর এই যে রাজনৈতিক কালচার, এ থেকে আমাদের মুক্তি নাই। কারণ, দেশের মানুষ জানে না, কুটনৈতিক পাড়ায় আওয়ামী লীগ, বিএনপি, জামায়াত সবাই একই সোফায় বসে আড্ডা মারে। একই অনুষ্ঠানে গিয়ে তারা কোলাকুলি করে। কুশল বিনিময় করে। আর রাস্তায় এসে জনগণের সামনে একগাদা মিথ্যা কথা বলে। হয়তো কি কি বলবে, সেই খতিয়ানও আগের রাতে তারা একত্রে বসে ঠিক করে। নইলে স্বাধীনতার ৪৩ বছর পরে যে যুদ্ধাপরাধীদের বিচার কার্য শুরু হয়েছে, তা নিয়ে এতো রাজনৈতিক ক্যাচাল হবার কথা না। নইলে মামলা দ্রুতগতিতে এগোতো। দ্রুত গতিতে রায় কার্যকর হতো।
বিএনপি ক্ষমতায় এসে ইতিহাস নিয়ে যে মিথ্যাচার করেছে, তার কেন বিচার হবে না? বাংলাদেশে রাজনৈতিক সহিংসতায় আজ পর্যন্ত যত মানুষ নিহত হয়েছে, তার কেন বিচার হবে না? আমরা নতুন প্রজন্ম মুক্তিযুদ্ধের বীরশ্রেষ্ঠদের পরিবারের বর্তমান নিদারুন হালের কথা জানি। কই তাদের তো সম্পত্তি বাড়লো না। পঙ্গু মুক্তিযোদ্ধরা তো সুচিকিৎসা পায় না। আর গোলাম আযম রাষ্ট্রীয় খরচে সবচেয়ে সেরা চিকিৎসা নিয়ে স্বাভাবিকভাবে মরার সুযোগ পেল। সাঈদীকে এখন জেলে জনগণের ট্যাক্সের পয়সায় আমদুধকলা খাওয়াতে হবে মৃত্যু পর্যন্ত। এ যেনো জনগণের সব দায়। তোরা কেন জনগণ? তোদের সব দায়। আমরা রাজনীতি করি। আমরা দুটা ভালো খেয়ে আরামে আয়াসে থাকব। নিরাপত্তায় থাকব।
৪৩ বছরে বাংলাদেশে অনেক টাকাওয়ালা হয়েছে। কিন্তু সাধারণ মানুষের দুর্ভোগের কোনো উন্নতি হয়নি। যারা সংখ্যার বিচারে এটা যাচাই বাছাই করে, একটু ভালো খাবার চেষ্টা করেন, তারাও কোনো না কোনোভাবে রাজনৈতিক শাসকদের সঙ্গে এক ধরনের আতাত করেছে বলে, গুণ গায়।
জাতিসংঘের উদ্বেগের কথা বলে আজকের এই লেখাটি শেষ করব। একাত্তরে যখন বাংলাদেশে ত্রিশ লাখ মানুষকে হত্যা করা হল, তখন কোথায় ছিল এই জাতিসংঘ? একাত্তরে যখন চার লাখ মা বোনের সম্ভ্রম কেড়ে নেওয়া হল, তখন কোথায় ছিল এই আমেরিকার চামচা জাতিসংঘ? ফিলিস্তিনে ইসরাইল যে এখনো হামলা করে, তখন কোথায় থাকে জাতিসংঘ? শুধু বাংলাদেশে এখনো মিথ্যা মামলায় যে সব লোক কারাগারে আটক আছে, তাদের বেলায় জাতিসংঘ নিরব কেন? কেবল মানবতা বিরোধী অপরাধের দায়ে আটক নেতাদের রায় কার্যকরের সময় আসলেই জাতিসংঘের মানবিকতা উথলে ওঠে। হায়রে জাতিসংঘ, তোরা গু খা। কারণ, তোদের কাছে মানবিকতা একটা প্রহসন। তোরা আমেরিকার একটা দালাল, এছাড়া তোদের আর কোনো পরিচয় আমার জানা নেই।
বিএনপি নানান অছিলায় তাদের মিত্রদের জন্য দুঃখ দেখানোর খায়েস করবে, এটাই জানা কথা। কিন্তু সরকারকে আরো দক্ষ হাতে সেটি মোকাবেলা করতে হবে। কারণ, জনসাধারণের জানমালের নিরাপত্তা দেওয়া, দুর্ভোগ থেকে মুক্ত করার দায়িত্বটি সরকারের ঘাড়েই বর্তায়। একাত্তরের মানবতা বিরোধী যুদ্ধাপরাধীদের বিচার কার্যক্রম শুরু করার জন্য এই সরকার ধন্যবাদ পাবার যোগ্য। কিন্তু সেটিকে রাজনৈতিক হাতিয়ার হিসেবে কাজে লাগানোর প্রয়াস রাজনৈতিকভাবে দেউলিয়াত্বের সামিল। ভালো কাজ করলে দেশের মানুষ তাদের আবারো ক্ষমতায় বসাবে। কিন্তু সেই আস্থাহীনতায় যারা ভোগে, তাদের বুঝতে হবে, আসলে দেশের জনগণের সাথে আমাদের রাজনৈতিক দলগুলোর নিযুত নিযুত দুরত্ব সৃষ্টি হয়েছে। এই দূরত্ব যতো কমিয়ে আনা যাবে, ততোই দেশের মঙ্গল।
আইন সবার জন্য সমান, এই কথাটিকে বাস্তবে রূপ দিতে চাইলে, সেটি খালেদা জিয়ার জন্যই যেমন প্রযোজ্য, শেখ হাসিনার জন্যও প্রযোজ্য। আবার আমাদের মত কলিম ছলিম রাম শ্যামদের জন্যও প্রযোজ্য। অমুক নেতা বলে, সে আদালতে হাজিরা না দিয়েই অ্যাডভান্স জামিন পেয়ে যাবে, আর মুরগি বিক্রেতা রাজপথে হেঁটে কেন মুরগি বিক্রি করলো, এজন্য তার জামিন হবে না। এটা কোনোভাবেই আইনের সবার জন্য সমান প্রমাণ করে না। বাংলাদেশে আইন যে সবার জন্য সমান নয়, এই বিষয়টি বোঝার জন্য গবেষক হবার দরকার নেই। ইতিহাস সেই সাক্ষ্য দেয় যে, আইন হচ্ছে ব্যক্তি কতোটা দাপুটে তার উপর নির্ভরশীল। যদি ব্যক্তিটি গোলাম আযম হয়, তাহলে মানবতা বিরোধী যুদ্ধাপরাধ করলেও, সে ফাঁসি থেকে রেহাই পাবে, তার দেশি বিদেশি দাপটের জোরেই। এই দাপটের জোরেই তার জাতীয় মসজিদে জানাজা হবে। আর যদি ব্যক্তিটি হয় মোরের চায়ের দোকানদার, যার রাগের মাথায় চপেটাঘাতে সহযোগী কর্মচারীর মৃত্যুজনিত কারণে তার ফাঁসিই হবে। বাংলাদেশে আইনের এমন ব্যবহার দেখেই আমরা অভ্যস্থ। সুতরাং, আইনের সবার জন্য সমান কথাটি আর দয়া করে উচ্চারণ করার প্রয়োজন দেখি না।
সবশেষে আবারো বলতে চাই, একাত্তরের মানবতা বিরোধী সকল যুদ্ধাপরাধীকে উপযুক্ত শাস্তি দিতে হবে। যারা এটা নিয়ে রাজনীতি করবে, তালবাহানা করবে, কোন মানের হল বলবে, মানবিক কিনা, তা কেবল নতুন প্রজন্মের সন্তানেরা দেখে রাখবে। দেখে রাখবে এই কারণে যে, ভবিষ্যতে এই রাজনৈতিক দুবৃত্তদেরও একদিন বাংলাদেশে বিচার হবে। হতেই হবে। নইলে বাংলাদেশের উন্নয়ন, সভ্যতা এসব মিথ্যা এবং লোক দেখানো বলেই বিবেচিত হবে। সো, সাধু সাবধান।।
সর্বশেষ এডিট : ০৮ ই নভেম্বর, ২০১৪ সন্ধ্যা ৬:৩৯
১৩টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

বাংলাদেশের জন্মগ্রহণ কি আজন্ম পাপ?

লিখেছেন এম ডি মুসা, ২৪ শে অক্টোবর, ২০২৬ সন্ধ্যা ৭:৫৬



রাষ্ট্রের নিরাপত্তা আছে, জনগণের নিরাপত্তা কোথায়?

বাংলাদেশের নাগরিক হয়ে কি নিরাপত্তা পাওয়ার অধিকারটুকুও আমাদের নেই? সরকার ও রাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিদের নিরাপত্তায় গোয়েন্দা সংস্থা ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী তৎপর থাকে। কিন্তু সাধারণ... ...বাকিটুকু পড়ুন

অনেকটা পথ হেঁটে এসেছি

লিখেছেন চারাগাছ, ২৫ শে অক্টোবর, ২০২৬ রাত ১২:০৫




১৯৯৭ সাল।

আমি তখন ক্লাস নাইনে পড়ি।

স্কুল থেকে বাড়ি ফেরার পথে মামুন ভাইয়ের একটা অডিও ক্যাসেটের দোকান ছিল। পাশেই মির্জা ভাইয়ের কনফেকশনারি। টিফিনের সময় ওখানে প্যাটিস খেতাম।

সেই সময় অডিও ক্যাসেটের... ...বাকিটুকু পড়ুন

দেশটাতো এখন রাজাকারদের....

লিখেছেন মাথা পাগলা, ২৫ শে অক্টোবর, ২০২৬ রাত ১২:২৮




একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদীর বিরুদ্ধে বাদী ছিলেন বীর মুক্তিযোদ্ধা মানিক পশারী (৮৭)। মুক্তিযোদ্ধা মানিক পশারীকে রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় গার্ড অব অনার দেওয়ার প্রস্তুতি চলার সময় জামাতের... ...বাকিটুকু পড়ুন

মাদ্রাসা শিক্ষা একটা কর্মবিমুখ শিক্ষা

লিখেছেন ধূসর সন্ধ্যা, ২৫ শে অক্টোবর, ২০২৬ সকাল ৮:১৫

এদেশের মাদ্রাসা শিক্ষারে আপনি একটা স্ক্যাম হিসেবে ধরতে পারেন। মাদ্রাসার বোর্ডের নিয়ন্ত্রণে যে মাদ্রাসাগুলো আছে সেগুলো বাদ দিয়ে অন্য সব মাদ্রাসাই এই স্ক্যামের ভেতরে। এটা একটা ভিক্ষার সাইকেল, দারিদ্র্য'র দুষ্টু... ...বাকিটুকু পড়ুন

জিম করা কি হারাম?

লিখেছেন চারাগাছ, ২৫ শে অক্টোবর, ২০২৬ সন্ধ্যা ৬:০৬




জিম করা কি হারাম?

হ্যাঁ, জিম করা হারাম!

যদি জিমে গিয়ে নিজের পেশিবহুল বাহুডোরে কোনো ললনাকে জড়িয়ে ধরেন!

কিন্তু তারপরেও কথা থাকে।

এখানে জড়িয়ে ধরাটা হারাম। জিম করাটা নয়!

অর্থাৎ, জিমে গিয়ে শরীর... ...বাকিটুকু পড়ুন

×