somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

এবারের বিশ্বকাপ ক্রিকেটের সবচেয়ে বড় উদাহরণ হয়ে থাকবে আম্পায়ারদের কলংক!!

২২ শে মার্চ, ২০১৫ ভোর ৪:৫৩
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

আইসিসি'র নতুন গঠনতন্ত্র অনুযায়ী, আইসিসির সকল নির্বাহী কর্তৃত্ব মূলত আইসিসি'র চেয়ারম্যানের হাতেই ন্যাস্ত। নতুন গঠনতন্ত্র অনুযায়ী, আইসিসি'র প্রেসিডেন্ট পদটি একটি অলংকারিক পদ মাত্র। ক্ষমতার দিক দিয়ে বরং আইসিসি'র চিফ এক্সিকিউটিভ অনেক শক্তিশালী। কিভাবে? বাংলাদেশ বনাম ভারত কোয়ার্টার ফাইনাল ম্যাচের চল্লিশতম ওভারে রুবেল হোসেনের চতুর্থ বলে রোহিত শর্মা যখন ক্যাচ আউট হন, তখন পাকিস্তানের আম্পায়ার আলীম ধর এটাকে নো বল কল দেন। আর ইংল্যান্ডের আম্পায়ার ইয়ান গৌল্ড তা সমর্থন করেন। এটাকে আইসিসি প্রেসিডেন্ট বাংলাদেশের আ.হ.ম. মোস্তফা কামাল কড়া সমালোচনা করে বলেন, মনে হয়েছে এই খেলাটির ফলাফল আগে থেকেই নির্ধারন করা ছিল। তার জবাবে আইসিসি'র চিফ এক্সিকিউটিভ দক্ষিণ আফ্রিকার সাবেক উইকেট রক্ষক ডেভিড রিচার্ডসন বলেছেন, আম্পায়ারদের সিদ্ধান্তকে এভাবে সমালোচনা করার একতিয়ার আইসিসি'র প্রেসিডেন্টের নাই। ওনার বক্তব্যকে আমরা আইসিসির নোট হিসেবে নিলাম। আইসিসি'র অফিসিয়াল হয়ে আম্পায়ারদের এভাবে উনি সমালোচনা করতে পারেন না। নো বল বিষয়ে মাঠে আম্পায়ারদের সিদ্ধান্তটি ছিল ৫০:৫০!!! ডেভিড রিচার্ডসনের বস কে? অবশ্যই আইসিসি'র চেয়ারম্যান ভারতের নারায়নাস্বামী শ্রীনিবাসন। আইসিসি'র সকল কর্তৃত্ব এখন যার হাতে।
বাংলাদেশ বনাম ভারত কোয়ার্টার ফাইনাল ম্যাচটির অন্তত প্রধান তিনটি বিতর্কিত সিদ্ধান্ত নিয়ে সাবেক গ্রেট ক্রিকেটারগণ যারা মাঠে উপস্থিত ছিলেন, তারা কে কি বলেছেন, একটু শুনি।
১. ধারাভাষ্যে থাকা অস্ট্রেলিয়ান সাবেক লেগ স্পিনার শেন ওয়ার্ন বলেছেন, 'আম্পায়ারদের কিছু বাজে সিদ্ধান্তে বাংলাদেশ হেরেছে বটে, কিন্তু ভারত জেতেনি। এটা নো বল ছিল না। খুবই বাজে সিদ্ধান্ত। আম্পায়াররা অবশ্যই প্রযুক্তির সাহায্য নিতে পারতেন'।
২. অস্ট্রেলিয়ার সাবেক ক্যাপ্টেন রিকি পন্টিং বলেছেন, 'আম্পায়ারের কিছু ভুল সিদ্ধান্তের কারণে আজ বাংলাদেশকে হারতে হয়েছে। আমি মনে করি, এই ম্যাচ যদি আবার খেলানো হয় তাহলে বাংলাদেশই জিতবে'।
৩. ওয়েস্ট ইন্ডিজের সাবেক গ্রেট ব্যাটসম্যান ব্রায়ান লারা বলেছেন, 'ম্যাচটি পাতানোর গন্ধ পাচ্ছি। বাংলাদেশকে জোর করে হারানো হয়েছে। আমি সরাসরি বলব, ভারত তথা সারাবিশ্বকে ক্রিকেট খেলাটা কি তা বুঝিয়ে দিয়ে গেল বাংলাদেশ'।
৪. ভারতের প্রাক্তন কোচ জন রাইট বলেছেন, 'ভারত ক্রিকেটে কলংঙ্কজনক অধ্যায় রচনা করেছে'।
৫. দক্ষিণ আফ্রিকার সাবেক অধিনায়ক শন পোলক বলেছেন, 'গোটা ম্যাচ জুড়েই আমি বিস্মিত ছিলাম, আমি ভারতের এই জয় মেনে নিতে পারছি না। সত্যি, বাংলাদেশ দারুন ক্রিকেট খেলেছে। আমার এই মূহর্তে মনে পড়ছে সেই ক্রিকেট পাগল জাতির কথা, তারা নিশ্চয় বড় কিছু আশা করেছিল আর এটাই স্বাভাবিক'।
৬. শ্রীলংকার সাবেক অধিনায়ক ও ওপেনার সনথ জয়সুরিয়া বলেছেন, 'পুরো ভারতীয় ক্রিকেট দলকে বাংলাদেশ নিজেদের ক্ষমতার জানান দিয়েছে'।
৭. ভারতের সাবেক ক্যাপ্টেন সৌরভ গাঙ্গুলী বলেছেন, 'রায়নার এলবিডাব্লিউটা যে ক্লোজ ছিল সন্দেহ নেই। রোহিত শর্মার ডেলিভারিটা আউট ছিল, এই নিয়েও কোনো সন্দেহ নেই। ওই কোমর সমান নিচু ফুলটসে আম্পায়ার আলীম দার কেন নো বল ডাকলেন তিনিই ভালো জানেন। কষ্ট লাগছে, সব ফেয়ার থাকলে হয়তো ম্যাচের রেজাল্ট ভিন্ন কিছু হলেও হতে পারতো। এই ম্যাচটা বাংলাদেশকে নয়, ভারতকে আগামী ম্যাচে ভোগাবে। কারণ তারা ম্যাচটা আম্পায়ারের সাহায্যে জয় পেয়েছে। গুড লাক টাইগার্স'।
৮. অস্ট্রেলিয়ার বর্তমান অধিনায়ক মাইকেল ক্লার্ক বলেছেন, 'অপরাধী হয়ে লিখছি, চিরচেনা এমসিজিতে বাংলাদেশকে বিপদে রাখার সব আয়োজন সম্পূর্ণ ছিল'।
৯. সাবেক ভারতীয় ব্যাটসম্যান ভিভিএস লক্ষণ বলেছেন, 'আমি মনে করি, পৃথিবীর সবচেয়ে সহনীয় ক্যাপ্টেন হলেন মাশরাফি। সুরেশ রায়না আর রোহিত শর্মার ক্রিজে থাকার কোন অধিকার নাই'।
১০. সাবেক ভারতীয় স্পিন বোলার হরভজন সিং বলেছেন, 'রিভিউ চাওয়ার পরও আউট দেয়া হলো না কেন'???
১১. সাবেক উইন্ডিজ পেসার মাইকেল হোল্ডিং বলেছেন, '৯০ রানে ব্যাটিং করা রোহিতকে আউট না দেওয়াটা ছিল আম্পায়ারের ভুল'।
১২. ওয়েস্ট ইন্ডিজের হার্ড হিটার ব্যাটসম্যান ক্রিস গেইল বলেছেন, 'রোহিতের ৪৭ আর রায়নার ৫৫ ছিল আম্পায়ারের দান, এটা ভুলবো না। বাংলাদেশ ইজ রিয়েল টাইগার'।
১৩. দক্ষিণ আফ্রিকার সাবেক অধিনায়ক গ্রায়াম স্মিথ বলেছেন, 'এটা অস্বাভাবিক সিদ্বান্ত, যার কোন প্রয়োজন ছিল না'।
১৪. ইংল্যান্ডের সাবেক অধিনায়ক নাসির হুসেইন বলেছেন, 'ইয়ান গৌল্ড, আলিম দার, স্টিভ ডেভিস, গুড জব বয়েস!!! তোমরা শুধু একটি দলকে না, একটি জাতিকেও মেরে ফেলেছো'।
১৫. ইন্ডিয়ান ব্যাটসম্যান, সাকিবের কলকাতা নাইট রাইডার্সের সঙ্গী মনোজ তিউয়ারি বলেছেন, 'আমি বুঝলাম না শাকিব মাঠে কেন চুপ করে থাকলো? সে বড় মাপের একজন খেলোয়ার, তারপরেও আবার সে বাংলাদেশ দলের সহ-অধিনায়ক। সে অনেক আন্তর্জাতিক ম্যাচ খেলেছে, তার অভিজ্ঞতা বেশি। সে কেন চুপ করে থাকল?'
১৬. ভারতের ৮৩ এর বিশ্বকাপ জয়ী ক্যাপ্টেন কপিল দেব বলেছেন, 'ক্রিকেট হেরেছে, কিন্তু ইন্ডিয়া জিতেছে'।
১৭. সাবেক নিউজিল্যান্ড ক্যাপ্টেন স্টিফেন ফ্লেমিং বলেছেন, 'নিশ্চয় বাংলাদেশ সেমি-ফাইনালিস্ট। তবে বাংলাদেশের বদলে ভারতকে দেখতে হবে এখন সিডনিতে।

আইসিসি কি গোটা বিশ্বের এই কয়জন গ্রেট ক্রিকেটারদের মন্তব্যকে পাত্তাই দেবে না? কারণ, আইসিসি'র চেয়ারম্যান মিস্টার নারায়ানাস্বামী শ্রীনিবাসন হলেন, ইয়ান গৌল্ড, আলিম দার, স্টিভ ডেভিসদের বস। সেই সঙ্গে নতুন যোগ দিয়েছেন আইসিসির চিফ এক্সিকিউটিভ ডেভিড রিচার্ডসন। সেই সুযোগে এখন আলিম ধর আর ইয়ান গৌল্ড আইসিসি প্রেসিডেন্টকে মানহানির মামলারও হুমকি দিচ্ছেন। সাধু সাধু।
আইসিসির মোড়ল ভারত যদি এখন ছলচাতুরি করে বিশ্বকাপও জেতে, তাহলে গোটা বিশ্বের মানুষ যে কথাটি এখন থেকে বিশ্বাস করবে সেটি হল- মিস্টার শ্রীনিবাসন এই খেলাটিকে আর জেনটেলম্যান খেলা রাখেননি। এটাকে তিনি ম্যাচ ফিক্সিং, বেটিং আর অসৎ উদ্দেশ্যে একটি বাণিজ্যের খেলায় পরিনত করেছেন।

এবারের বিশ্বকাপের চার সেমি-ফাইনালিস্ট অলরেডি ঠিক হয়ে গেছে। প্রথম সেমি-ফাইনালে আগামী ২৪ মার্চ মঙ্গলবার অকল্যান্ডে নিউজিল্যান্ড মুখোমুখি হবে দক্ষিণ আফ্রিকার। আর দ্বিতীয় সেমি-ফাইনালে ২৬ মার্চ বৃহস্পতিবার সিডনিতে অস্ট্রেলিয়া মুখোমুখি হবে ভারতের। তবে এই সুযোগে আগাম একটি কথা বলে রাখি, যদি সিডনিতে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে ভারতকে আবার আম্পায়ারগণ বাংলাদেশের মত কিছু বাজে সিদ্ধান্ত দেয়, তাহলে অস্ট্রেলিয়া কিন্তু বসে থাকবে না। মিস্টার শ্রীনিবাসনের থলের বেড়াল তখন এক ঝটকায় সব বের হয়ে যাবে। কারণটা একটু বলি, অস্ট্রেলিয়ার এর আগে সেমি-ফাইনালে হারার কোনো রেকর্ড নেই, যা ভারতের আছে। কলকাতার ইডেন গার্ডেনে শ্রীলংকার কাছে ১৯৯৬ সালে ভারত কি করেছিল, কিভাবে গ্যালারিতে আগুন ধরিয়েছিল, সেই কথা কিন্তু আমরা ভুলিনি। সো, সাধু সাবধান। ওস্তাদেরও ওস্তাদ আছে।
তবে বাংলাদেশ এবারের বিশ্বকাপে মাথা উচু করে খেলেছে। গোটা বিশ্বের সকল গ্রেট ক্রিকেটারদের প্রশংসা পেয়েছে। মাশরাফি দলকে যোগ্যভাবেই নের্তৃত্ব দিয়েছেন। বিশ্বকাপে বাংলাদেশ যে সুন্দর মুহূর্তগুলোর জন্ম দিয়েছে, সেই ফুলগুলো সারা জীবন আমরা মনে রাখব। আর ছোটখাটো যেসব ভুলগুলো ছিল, আগামীতে আমরা সেই ভুলগুলো সুধরে যেন নিজেদের আরো শক্তিশালী করে গড়ে তুলতে পারি, সেদিকেই এখন বেশি মনযোগ দিতে হবে।
বাংলাদেশ দলের ক্যাপ্টেন মাশরাফি এবার দলে একটি মাত্র পছন্দ দিয়েছিলেন, আল আমিনকে যেন দলে নেওয়া হয়। আল আমিন শেষ পর্যন্দ দলের সঙ্গে থাকলে বাংলাদেশের পেসারদের শক্তি সম্পর্কে গোটা বিশ্ব আরো ভালো ধারণা পেত। সেজন্য আল আমিনের চেয়ে আমি বাংলাদেশ দলের টিম ম্যানেজমেন্টকেই দায়ী করতে চাই। টিম ম্যানেজমেন্টে যারা দলের সঙ্গে গিয়েছিলেন, তারা নিশ্চয়ই কোনো পিকনিকে যান নাই। সেখানে তাদের কিছু দায় দায়িত্ব ছিল। ঝিনাইদহের এক গ্রাম থেকে উঠে আসা একটি ছেলে এই প্রথম অস্ট্রেলিয়া-নিউজিল্যান্ডের মত দেশে গেছে। এত অল্প বয়সে তার অনেক কিছুই দেখার ইচ্ছে জাগবে, এটাই স্বাভাবিক। গ্রাম থেকে ঢাকায় আসা ছেলে হিসেবে আমরা শুধু কত কিছু দেখার জন্য এখানে সেখানে এমনিতেই ঘুরে বেড়াই। সেখানে আল আমিনকে দোষ দেই কিভাবে? একটি দলে টিম ম্যানেজারের কাজ কি রাতের বেলায় ডলার হাতে নিয়ে ক্যাসিনোর জুয়ার আসরে ঘুরঘুর করা নাকি দলে থাকা এসব তরুণ খেলোয়ারদের সারাক্ষণ এটা ওটা বোঝানো?
বাংলাদেশ দলের টিম ম্যানেজার শুধু ক্যাসিনোতেই যায় নি, গোটা দেশ যখন ভারতের বিপক্ষে বাংলাদেশের খেলায় আম্পায়ারদের বাজে সিদ্ধান্ত নিয়ে ফুঁসছে, তখন তিনি ভারতীয় মিডিয়াকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে বাংলাদেশ দলের দুর্নাম করেছেন। ভবিষ্যতে বাংলাদেশ দলের টিম ম্যানেজমেন্টকে তাদের দায়িত্ব অবহেলার জন্য কঠোর সাজার ব্যবস্থার কথাও এখন বাংলাদেশ জাতীয় ক্রিকেট বোর্ডকে ভাবতে হবে। একটি দলের টিম বলতে শুধু মাঠের এগারোজন খেলোয়াড়ই নন, গোটা টিমের সঙ্গে কোচ, ফিজিও, ম্যানেজার, ম্যানেজমেন্টে যারা থাকেন, রাষ্ট্রের টাকায় যারা বাইরে গিয়ে জাতীয় দলের প্রতিনিধিত্ব করেন, তাদের সবাইকে নিয়েই টিম। গোটা বিশ্বকাপে বাংলাদেশ দলের ম্যানেজার খালেদ মাহমুদ সুজন কি কি করেছেন, কাদের স্বার্থে করেছেন, কেন এখন তাকে জিজ্ঞাসাবাদের আওতায় আনা হবে না বা কেন তার জন্য কোনো সাজার ব্যবস্থা হবে না, তা এখন খতিয়ে দেখার সময়। নইলে ভবিষ্যতে বাংলাদেশের ক্রিকেটে বড় বড় অর্জনের পথে এসব টুকটাক বিষয়ই বড় ধরনের অন্তরায় হয়ে দাঁড়াবে। জয়তু টিম টাইগার্স। জয়তু বাংলাদেশ ক্রিকেট।

..................................
ঢাকা
২২ মার্চ ২০১৫

৪টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

দিল্লির রাজপথে তরুণদের ‘জেনজি ২.০’ অভ্যুত্থান এবং বাংলাদেশের জুলাই-পরবর্তী রূপান্তরের নির্মম বাস্তবতা

লিখেছেন শাম্মী নূর-এ-আলম রাজু, ১১ ই অক্টোবর, ২০২৬ সকাল ৯:৩৮

ভারতের রাজধানী দিল্লির বুকে যা ঘটে গেল, তা সাম্প্রতিক ইতিহাসে সত্যিই অভূতপূর্ব। ভারতের কেন্দ্রীয় নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) জ্ঞানেশ কুমারের ইস্তফা ও এসআইআর প্রক্রিয়া বাতিলের দাবিতে ‘তেলাপোকা’ বা ককরোচ জনতা পার্টির... ...বাকিটুকু পড়ুন

বিমানবন্দরে নির্ঘুম রাত (সাময়িক পোষ্ট)

লিখেছেন কাছের-মানুষ, ১১ ই অক্টোবর, ২০২৬ দুপুর ১২:১৭

আমার এখানে বাজছে রাত প্রায় দুটা! এখনো জেগে আছি। জেগে থাকার শানে নুযুল হলো, আমি অনেকটা ফাইসা গেছি! হায়দার সাহেবের গানের মতো, "আমি ফাইসা গেছি, আমি ফাইসা গেছি মাইনকা চিপায়!"... ...বাকিটুকু পড়ুন

মতামত পোস্ট: ১ আগস্ট ২৪ এ লেখা: আমার কথা ৯৫ ভাগ মিলে গেছে

লিখেছেন অর্ক, ১১ ই অক্টোবর, ২০২৬ দুপুর ১:৫৭



এবারের ছাত্র আন্দোলনের মূল যে দাবি বা উদ্দেশ্য, তা আসলে অত্যন্ত সাধারণ। সে সব সকল মাধ্যমে বহু চর্চিত, প্রচারিত ও আলোচিত। তাই পুনরাবৃত্তি থেকে বিরত থাকছি। আন্দোলনের নেতৃত্ব যারা দিচ্ছে,... ...বাকিটুকু পড়ুন

ম্যান মেড প্রাণীজ দুগ্ধ......

লিখেছেন জুল ভার্ন, ১১ ই অক্টোবর, ২০২৬ বিকাল ৫:২৯



ম্যান মেড প্রাণীজ দুগ্ধ......

বির উনি একজন গোয়ালা (গোয়ালিনী)। তাহার নিজের কোনো গরু(গাভী) নাই। তারপরও তিনি দৈনিক প্রায় একশত লিটার দুধ বিক্রি করেন। নিজের 'কয়েকজন বান্দা কাস্টমার আছে'।... ...বাকিটুকু পড়ুন

এলপিজি কার্ডে সংকট কমবে ?

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ১২ ই অক্টোবর, ২০২৬ রাত ২:১৬


অনেক হতাশার মধ্যেও মাঝেমধ্যে সরকারের কোনো ভালো উদ্যোগের খবর দেখলে ভালো লাগে। অন্তত মনে হয়, সাধারণ মানুষের কষ্টের জায়গাগুলো নিয়ে সরকার কিছুটা হলেও ভাবতে শুরু করেছে। তেমনই একটি খবর... ...বাকিটুকু পড়ুন

×