আপনার বাবা মুক্তিযুদ্ধ করেছেন , রক্ত দিয়েছেন আর সবচেয়ে বড় স্বীকৃতীটা পাচ্ছেন আপনি।
তাও আবার যেমন তেমন স্বীকৃতি না বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় প্রতিযোগিতার জায়গাটায় প্রায় বিনা প্রতিযোগিতায় উত্তীর্ণ হচ্ছেন আপনি।
আমার এতে বলার কিছুই নেই, কেনই বা বলব আপনার বাবার উপহার দেয়া দেশটাতে আপনার চাওয়া অবশ্যই আগে। তাই আমি চুপ।
তারপরেও এই নামমাত্র প্রতিযোগীতায়ও যদি আপনি উত্তির্ণ হতে না পারেন আপনাকে প্রেসিডেন্টের মত মর্যাদা দিয়ে আপনার আসনটা খালি রাখা হচ্ছে আপনার পরবর্তী আগমনের অপেক্ষায়।
আর আমি, ক্লান্ত পথিক হয়ে তীর্থের কাকের মত আপনার জন্য সংরক্ষিত আসনটার দিকে দূর থেকে তাকাই। বিশ্বাস করুন আমার মনে একবারের জন্যও প্রশ্ন জাগে না যে, মুক্তিযুদ্ধারা কি এই অসম বাংলাদেশের জন্যে যুদ্ধ করেছিলেন? কিংবা দেশ যদি মা হয় তাহলে আমরা সবাই কি তাঁর সন্তান নই? মা কি তাঁর সন্তানদের এভাবে আলাদা চোখে দেখতে পারে?
আর দেখুন আপনার বাবার যোগ্যতার বলে পাওয়া দেশে আপনার অযোগ্যতার জন্য যদি আপনি কৃতকার্য নাও হোন রাষ্ট্র আপনার জন্য ঘোষনা করে রেখেছে অগ্রিম সুসংবাদ , আপনার পরবর্তি প্রজন্মকেও কুর্নিশ করবে আমার পরবর্তী প্রজন্ম।
আমার এখানেই ভয় । আমি এবং আমার প্রজন্ম তথা আমার সমসাময়িক রাষ্ট্র আপনাকে যেভাবে মর্যাদা দিয়ে এসেছি আমার ভয় হয় পরবর্তী প্রজন্ম যদি এই সৈরতান্ত্রিক ব্যবস্থা মেনে না নেয়?
তারা যদি সত্য কথা বলতে শিখে যায়?

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



