somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

ক্ষমা

২৫ শে মার্চ, ২০১৩ রাত ১১:০৪
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

পাকিস্তানী পররাষ্ট্রমন্ত্রী হিনা রব্বানী খার কয়েকদিন আগে বাংলাদেশে আসার আগে আগেই পুরুনো এক বিতর্কের ঝর উঠেছিল বাংলাদেশ মিডিয়াতে। বিতর্কটা সেই পুরুনো অমিমাংসিত বিষয়টা নিয়ে। বর্বর পাকিস্তান কি এবার ৭১ এর জন্য ক্ষমা চাইবে? নাকি অভ্যন্তরীণ-আন্তর্জাতিক হামলায় কার্যত সার্বভৌমত্বহীন দেশটা এখনও ক্ষমা না চাইবার মত মানসিক শক্তি রাখে ?

আমাদের পররাষ্ট্রমন্ত্রি, প্রধানমন্ত্রি রীতিমত ক্ষমা চাইবার কাগজ-পত্র নিয়ে প্রস্তুত। দেশীয় মিডিয়াও ক্ষমা চাইবার সম্ভাব্য শিরোনাম লাল না নীল কালিতে হবে তা নিয়ে ব্যাস্ত ছিল সবাই।

কিন্তু বিষয়টা শেষে কি দাঁড়ালো ? পাকিস্তানী পররাস্ট্রমন্ত্রী বিষয়টা অত্যন্ত কৌশলে এড়িয়ে গেলেন। দীর্ঘ হতাশায় গ্রাস করল আমাদের । যেন যুদ্ধটা আমরা এ বছরই হারলাম।

আমার আলোচনার বিষয় এটা না। আমার ব্যক্তিগত কাঠগড়ায় পাকিস্তানের পররাষ্ট্রমন্ত্রীও না । আমার কাঠগড়ায় আমার দেশের প্রধানমন্ত্রী-পররাষ্ট্রমন্ত্রী। কি ভেবেছিলেন আপনারা আমার দেশের লাখ লাখ মানুষকে হত্যাকারী, ইজ্জত লুন্ঠনকারী ঐ নরপশুদের আঘাতের ক্ষত মুছে যাবার আগেই ওরা আমার কাছে ক্ষমা চাইবে আর আমি খুশি মনে তাদের ক্ষমা করে দেব? আপাত নিরীহ-নিরস্ত্র সহজ-সরল বাঙ্গালীদের উপর প্রৃথিবীর নৃসংসতম গণহত্যা চালিয়ে ৪০ বছর পর উড়োজাহাজে করে একজন প্রতিনিধি পাঠিয়ে বলবে আমরা দু:খিত আর ওমনি আমরা বলব- “কি দরকার ছিল , বাদ দেন এসব পুড়োনো প্যাচাল। আসুন আমরা নগদ কিছু নিয়ে আলোচনা করি”

মাননীয় রাষ্ট্রযন্ত্র,

আমরা যারা স্বধীনতার তৃতীয় প্রজন্ম আমরা তো স্বাধীনতা দেখেনি, আপনারাই তো আমাদের শুনিয়েছেন যুদ্ধের সেই আবেগমাখা গল্প, সেই বীরত্বগাথা। যে গল্প বলতে গিয়ে ঝর ঝর করে শিশুর মত কেঁদেছিলেন, কাঁদিয়েছিলেন। আমাদের চেতনায় স্বাধীনতা অম্লান করে রাখার জন্য জ্বালিয়েছিলেন শিখা চিরন্তনি।

তাহলে কেন আমাদের অনুভুতি শুনবেননা? আপনাকে শুনতেই হবে। তাহলে শুনুন- স্বাধীনতার ৪০ বছর কেন ৪০ হাজার বছর পরেও যদি পুরো পাকিস্তান জাতি নাকে খত দিয়েও ৭১ এর নৃশংসতার জন্য আমাদের কাছে ক্ষমা চায় অন্তত এই প্রশ্নে আমরা তাদের ক্ষমা করব না। অন্তত এই প্রশ্নে আমার মহৎ হওয়ার দরকার নেই।

০টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

দ্য লাস্ট সাপার

লিখেছেন শাম্মী নূর-এ-আলম রাজু, ১১ ই জুলাই, ২০২৬ সকাল ১০:৩৩



কক্সবাজার ডিবি কার্যালয়ের শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত বিশেষ কক্ষ। টেবিলজুড়ে সাজানো নামী রেস্তোরাঁ থেকে আনা রূপচাঁদা ফ্রাই আর কোরাল মাছের দো পেঁয়াজা। টেবিলের একপাশে বসা এক... ...বাকিটুকু পড়ুন

উন্মাদ; নেতা না জনগন

লিখেছেন সামছুল আলম কচি, ১১ ই জুলাই, ২০২৬ সকাল ১০:৫৩



১। জনগন উন্মাদ, নাকি নেতা-পাতি নেতারা !!?? যেহেতেু জনগনই ভোট দিয়ে (বাংলাদেশ ছাড়া) নেতা নির্বাচন করে; বলা যায় জনগনের উন্মাদনা-ই নেতা-পাতি নেতাদের উন্মাদনা আরও বাড়িয়ে দেয় !!... ...বাকিটুকু পড়ুন

ফান্দে পড়িয়া বগা কান্দে রে

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ১১ ই জুলাই, ২০২৬ বিকাল ৩:৩৪


আব্বাসউদ্দীন আহমদের কণ্ঠে ভাওয়াইয়ার সেই কালজয়ী সুরটা আজকাল ঘনঘন খুব মনে পড়ছে-

... ...বাকিটুকু পড়ুন

সরকারের যে কোন বড় সিধান্ত গুলো কেমন হওয়া উচিত!

লিখেছেন সাহাদাত উদরাজী, ১১ ই জুলাই, ২০২৬ বিকাল ৪:৩৭

সরকারের যে কোন বড় সিধান্ত গুলো কেমন হওয়া উচিত! বহুবার বলেছি, যারা আমার সাথে আছেন তারা নিশ্চয় দেখেছেন। সরকার যে কোন সিধান্ত দেবার আগে তার হাতে গবেষণা পত্র (কোন শিক্ষক... ...বাকিটুকু পড়ুন

সময়

লিখেছেন শাহেদ শাহরিয়ার জয়, ১২ ই জুলাই, ২০২৬ রাত ১২:৩৩

আহ সময়,
তুমি শেখাও,আমি শিখি না।
তুমি পড়াও,আমি পড়ি না,
তুমি দেখাও, আমি দেখি না।
বলেছিলে- একদিন বুঝবো,
সবকিছু হারিয়ে খুঁজবো!


তুমি ভুল!

চেয়ে দেখো-
আমি আজো বুঝি না,
আজো হা-হুতাশ নিয়ে কিছু খুঁজি না!

বি:দ্র: অনেকদিন পর!কেউ আছে আমার... ...বাকিটুকু পড়ুন

×