মিশরে বাঙ্গালী যারা আছেন তারাও নিশ্চয়ই আজ মিশরের জাতীয় দিবস উদযাপন করছেন। আপনাদের এবং আপনাদের মাধ্যমে মিশরের জনগনকে আমি জাতীয় দিবসের শুভেচ্ছা জানাচ্ছি।
1952 সালে মিশর বিপ্লবের পর আজ 23 জুলাই 54 তম বার্ষিকীও পালিত হচ্ছে।
যদিও মিশরের প্রতি আমার দুর্বলতা দুটি কারনে। বিষয়টি হয়তো অনেকেরর পছন্দ হবেনা কিন্তু মত প্রকাশের অধিকার অন্যদের মতো আমার নিশ্চয়ই আছে।
যাই হোক মিশরের প্রতি আমার দুর্বলতা প্রধান কারন ছিলো মমি বানানোর ইতিহাস। ফেরাউনের গল্পের চেয়ে মমি বানানোর কৃতিত্ব আমাকে মুগ্ধ করেছে অনেক বেশি। সভ্যতা বিনির্মানে মেধার উৎকর্ষতার এর চেয়ে বড় প্রমান আর কি হতে পারে। মমি আর পিরামিড - আজও এক বিস্ময় আমার কাছে। সেসময়ে এগুলো কিভাবে তৈরী করতে সক্ষম হলো মিশরীয়রা- সত্যিই তা বিস্ময়কর।
আবার বাঙ্গালী হিসেবেও দেশটির প্রতি আমার কৃতজ্ঞতা রয়েছে। 1971 সালে বহু রক্তের বিনিময়ে স্বাধীনতা অর্জনের পর যেখানে সৌদী আরব সহ তথাকথিত কিছু মুসমিল রাষ্ট্র যারা চিরকালই যুক্তরাষ্ট্রের সেবাদাসগিরি করে আসছে তারা আমাদের প্রিয় এ বাংলাদেশকে স্বাধীনতার স্বীকৃতি না দিলেও মিশর সত্যিকার মুসলিম মানবতাবাদী রাষ্ট্র হিসেবে বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দিয়ে কূটনৈতিক সম্পর্ক স্থাপন করে। আজ মিশরীয়দের জাতীয় দিবসে তাই আমি আবারও তাদের প্রতি শ্রদ্ধা জানাচ্ছি।
সর্বশেষ এডিট : ৩১ শে ডিসেম্বর, ১৯৬৯ সন্ধ্যা ৭:০০

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



