তৃতীয় বিশ্বের দেশগুলোর উপর জগদ্দল পাথরের মতো চেপে বসা দানব আইএমএফ আবারো বাংলাদেশকে চাপ দিতে শুরু করেছে তেলের দাম বাড়ানোর জন্য। শর্ত দিয়েছে তেলের দাম না বাড়ালো তারা বাংলাদেশকে দেয় তাদের ঋনের ষষ্ঠ কিস্তির ছাড় দিবেনা। এবার তাদের যুক্তিও বড় অদ্ভূত।
তাদের হাস্যকর যুক্তি হলো-- বাংলাদেশের রাস্তায় বড় লোকদের দামী গাড়ির বাহারে চোখ ধাধিয়ে যায় যা মধ্যমসাড়ির দেশগুলোতে পর্যন্ত দেখা যায়না। এ কারনে তেলের দাম বাড়াতে হবে।
রাষ্ট্রীয় সম্পদ লুট কিংবা আমলা জীবনে ঘুষ খেয়ে কিংবা ব্যবসার নামে চোরাচালানের মতো অপরাধের সঙ্গে জড়িত এদেশের বড়লোকদের এ বিলাসিতার শাস্তি পাবে এ দেশের সাধারন জনগন। যাদের জীবন মানের ক্রমাবনতি ঘটেই চলেছে।
তাই আইএমএফের এ অদ্ভূত যুক্তি আমরা মানিনা। তেলের দাম কমাতে হবে। বরং আইন করা যেতে পারে যে পাঁচ লাখ টাকা বেশি মূল্যের গাড়ির ট্যক্স 5/6 গুন বাড়িয়ে । কিংবা দিনভিত্তিক টোল সিস্টেম চালুকরা যেতে পারে ওই সব গাড়ির জন্য। একই সঙ্গে পিক আওয়ারে ব্যক্তিগত গাড়ি চলাচল বন্ধ করা উচিত যানজট কমাতে। যাত্রিশুন্য অবস্থায় ব্যক্তিগত গাড়ি চলাচল নিষিদ্ধ করা উচিত সকাল9টা থেকে রাত 9 টা পর্যন্ত।
সর্বশেষ এডিট : ৩১ শে ডিসেম্বর, ১৯৬৯ সন্ধ্যা ৭:০০

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




