বাংলাদেশের উপকূলীয় অঞ্চলে এখনো চলছে লাশের মিছিল। প্রচন্ড ঘুর্নিঝড়ে গভীর সমুদ্রে থাকা বহু নৌকা ও ট্রলার ডুবিতে চিরতরে হারিয়ে গেছে কয়েক শত জেলে।
হঠাৎ বলা হলেও আবহাওয়া খারাপ ছিলো বলে এ ধরনের একটি বিপর্যয়ের সংকেত দেয়াটা ছিল স্বাভাবিক ঘটনা। কিন্তু আবহাওয়া অফিস তাদের দায়িত্ব পালনে ব্যর্থ হয়েছে। যদিও আবহাওয়া অফিসের কর্মকর্তারা বলেছেন তারা পুর্বাভাস ও সিগন্যাল দিয়েছে কিন্তু বেতার তা সঠিকভাবে প্রচারে ব্যর্থ হয়েছে।
যাই হোক মাননীয় প্রধান মন্ত্রী ঝড়ে বিধ্বস্ত এলাকা দেখতে ঘটনার এক সপ্তাহ পড় মঙ্গলবার বরগুনায় গিয়ে উলেটা দায়ি করেছেন নিখোজ ও নিহত জেলেদেরই । বলেছেন- সিগন্যাল সঠিক ভাবেই দেয়া হয়েছে। যারা তা অমান্য করেছে তারাই ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে।
কি আর করা- আমরা শুধু দীর্ঘশ্বাস ছেড়ে বলতে পারি--- হায়রে বাঙ্গালী.... মরেও শান্তি নেই।
সর্বশেষ এডিট : ৩১ শে ডিসেম্বর, ১৯৬৯ সন্ধ্যা ৭:০০

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



