সমাজের প্রত্যেক শ্রেনী গোষ্ঠীর মধ্যেই ভালো-খারাপ আছে। কিছু চারিত্রিক বৈশিষ্ট্যের কারনে চিহ্নিত গোষ্ঠী গুলো হয় ভালো বা খারাপ হয়ে থাকে। ধর্মান্ধ বা মৌলবাদী (যে ধর্মেরই হোক না কেন) দের একটি উল্লেখযোগ্য বৈশিষ্ট্য হলো এদের দুষিত চরিত্র।
নাৎসীদের ইহুদী নিধন কিংবা ফিলিস্তীনে ইসরাইলীদের পরিকল্পিত ধারাবাহিক হত্যাকান্ড কিংবা একাত্তরের বাংলাদেশে জামাত নেতাদের নেতৃত্বে পরিচালিত গণহত্যা ও ধর্ষনের মতো ক্ষমার অযোগ্য অপরাধের মূল উৎসই হলো মৌলবাদ।
মজার বিষয় হলো বিশ্বব্যাপী মৌলবাদীদের একটি কমন অপরাধ করে আসছে সেটা হলো নারীর প্রতি সহিংসতা।
সমাজবিজ্ঞানের দিক থেকে দেখা হলে দেখা যাবে এটি হয়তো একটি প্রবণতা কারন একটি সুস্থ মানুষ যখন মৌলবাদী হয়ে উঠে তখন তার হিতাহিত জ্ঞান বা ভালো মন্দ বিবেচনা করার মতো সুস্থতা থাকেনা। আবার মনোবিজ্ঞানের দিক থেকে বিবেচনা করলে দেখা যাবে মৌলবাদীরা প্রবল আক্রোশ লালন করে (সাঈদী কিংবা জামাত নেতাদের বক্তৃতার সময় মুখের এক্সপ্রেশন লক্ষ্য করলে এটি পরিষ্কার হয়ে যাবে) বলে নির্যাতন তার স্বভাবসুলভ বৈশিষ্ট্য হয়ে দাড়ায়।
এসব মৌলবাদী গোষ্ঠী অন্যকে যা-তা বলে গালিগালাজ করলেও কেউ সরাসরি তাদের সমালোচনা করলে আর মেনে নিতে পারেনা। তখনি তাদের মধ্যে মাথাচাড়া দিয়ে উঠে হিংসাত্মক মনোভাব।
সর্বশেষ এডিট : ২৬ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৭ সকাল ১০:৪৮

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



