ব্লগের সঙ্গে নিজেকে জড়িত করার পর থেকেই আমার মনে একটু সুপ্ত বাসনা ছিলো সর্বোচ্চ ব্লগারদের তালিকায় আসার। মাঝে মধ্যে মনে হতো পারবোনা। আবার মনে হতো এইতো এভাবেই হয়ে যাবে।
আবার শুরুতে যতটা উৎসাহ নিয়ে এসেছিলাম কিছুদিন পরই তা হারাতে বসেছিলাম বিশেষ একটা কারনে। কারন ব্লগে কোন সুস্থ মানুষ যুদ্ধাপরাধী... মৌলবাদ কিংবা ধর্মান্ধতার পক্ষে মত ব্যক্ত করতে পারে কিংবা কারো মন্তব্য বা পোষ্টের ভিত্তি হতে পারে ধর্ম (যা মানুষের একান্তই ব্যক্তিগত) --এটা বিশ্বাস করতে কষ্ট হচ্ছিলো।
কারন রাজনৈতিক বিশ্বাস যা-ই হোক না কেন এগুলো সারা বিশ্বেই হয় মুক্ত চিন্তার চর্চা কেন্দ্র- বিজ্ঞান..যুক্তি ও মানবতা হবে যাদের তর্কের ভিত্তি...যার অলংকার হবে সহনশীলতা...সহিষ্ণুতা।
যাই হোক শুরুতে হতাশ হলেও পরে দেখলাম ব্লগের অধিকাংশই প্রগতিশীল মনের ও সুস্থ চিন্তার মানুষ.....যারা দেশকে ভালোবাসে। মুক্তিযুদ্ধ যাদের অংহকার। মা..মাটি ও মানুষের প্রতি অসীম মমত্ববোধ নিয়ে দেশ-বিদেশ থেকে সবাই একত্রিত হচ্ছেন ভাবনাগুলোকে শেয়ার করতে।
আমাদের দেশের কিছু বরেণ্য ও মেধাবী ব্যক্তিত্বকে নিয়ে একজনকে দেখলাম আপত্তিকর একটা পোস্ট দিয়েছিলেন। প্রতিবাদ করে বিনয়ী মন্তব্য করেছিলাম। উনি আমাকে ব্যান করেছিলেন। আমি মনে মনে তাকে ধন্যবাদ জানিয়েছিলাম। কারন অসুস্থ মানসিকতার কারো দরজা তো আমার জন্য উন্মুক্ত থাকার কথা নয়।
ভালো...মন্দের মিশেলে অনেকের লেখাই ভালো লাগে। দুএকজনকে ব্যক্তিগতভাবেও চিনতে পেরেছি। পরিচিত-অপরিচিত (যুদ্ধাপরাধী-মৌলবাদী ও মুক্তযুদ্ধ অর্থাৎ বাংলাদেশ বিরোধীরা ব্যতিত) সব ব্লগারকে আমার কৃতজ্ঞতা....অন্তত যারা মন্তব্য করে আমাকে উৎসাহিত করেছেন।
যাই হোক যে কারনে অভিনন্দন চাইছি (না দিলেও ক্ষতি নাই)- তা হলো ঠিক আগের পোস্টের মাধ্যমে আমি সর্বোচ্চ ব্লগারদের তালিকায় ঠাই পেয়েছি। দেখি কতক্ষন..... কতদিন তা ধরে রাখতে পারি। কিংবা তালিকায় উপরের দিকে যেতে পারি কিনা।
সবাইকে আবারো ধন্যবাদ।
সর্বশেষ এডিট : ৩১ শে ডিসেম্বর, ১৯৬৯ সন্ধ্যা ৭:০০

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



