somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

বিএনপির সাংগঠনিক শক্তি ও নেতৃত্বের দুর্বলতা আরো স্পষ্ট

২২ শে মে, ২০১৫ বিকাল ৫:১৭
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :


সিটি করপোরেশন নির্বাচনের দিন টাকার বিনিময়েও কোনো নেতাকর্মীকে কেন্দ্রে না পেয়ে বুঝে যায়, তাদের সাংগঠনিক অবস্থা কতটা তলানিতে ঠেকেছে। এর আগে ৫ জানুয়ারির নির্বাচনের আগে এবং নির্বাচনের বর্ষপূর্তিতে সরকারের বিরুদ্ধে পরপর দু'দফা আন্দোলনেও বাংলাদেশের সাধারণ মানুষের কাছে গ্রহণ যোগ্যতা পায়নি এবং সরকারের উপর কোন প্রভাব বিস্তার করতে পারেনি। এতে দলটির তৃণমূল নেতাকর্মীদের মাঝে ছড়িয়ে পড়েছে চরম ক্ষোভ ও হতাশা। সিনিয়র নেতাদের প্রতি বাড়ছে সন্দেহ ও অবিশ্বাস। সিটি নির্বাচনের দিন মাঝপথে নির্বাচন বর্জন করে দলটির সিনিয়র নেতারা বিচক্ষণতার পরিচয় দেননি। বরং শেষ পর্যন্ত নির্বাচনী যুদ্ধে মাঠে থাকলে একাধিক সিটিতে মেয়র পদে নিজেদের প্রার্থীর বিজয়ের সম্ভাবনা ছিল। এ ছাড়া তিন সিটিতেই দল সমর্থিত কাউন্সিলর প্রার্থীরা ভালো করতে ও পারত। ভোটের ফলাফল অন্তত তাই বলে। মাত্র ৪ ঘণ্টায় দল-সমর্থিত প্রার্থীরা যে পরিমাণ ভোট পেয়েছে, তাতে নীরব ভোটারদের মোকাবিলা করা সরকারি দলের জন্য কঠিন হয়ে যেত। অথচ বিএনপি এটা না করে সরকারকে তৃতীয়বারের মতো ওয়াকওভার দিয়ে দিল। বিএনপি এখন একটি গন্তব্যহীন দলে পরিণত হয়েছে। কোন সময়ে কোন সিদ্ধান্ত নেওয়ার প্রয়োজন অথবা কে সঠিক সিদ্ধান্তটি জানাবেন, তা নিয়েও দলে রয়েছে দ্বিধাবিভক্তি। ফলে কিংকর্তব্যবিমূঢ় দলের সমর্থক ও তৃণমূল নেতাকর্মী। বর্তমান বেহাল অবস্থায় বিএনপির সুবিধাবাদী অধিকাংশ সিনিয়র নেতা সরকারি দলের নেতাদের ম্যানেজ করে গা বাঁচিয়ে চললেও একেবারে দিশেহারা অবস্থা তৈরি হয়েছে তৃণমূলের নেতাকর্মীদের। শীর্ষ নেতৃত্বের উসকানিতে টানা ৯২ দিন হরতাল-অবরোধের নামে পেট্রলবোমা সন্ত্রাস চালিয়ে তারা এখন মামলা ও গ্রেপ্তারের ভয়ে বাড়ি ছাড়া। অথচ সিনিয়র নেতাদের এ বিষয়ে কোনো মাথা ব্যথাই নেই। তারা ব্যস্ত আছেন নিজেদের ব্যবসা-বাণিজ্য এবং মামলা ও গ্রেপ্তার এড়াতে সরকারি দলের নেতাদের সঙ্গে নেগোসিয়েশনে।
২টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

=নীলাম্বরী সেজে আছি=

লিখেছেন কাজী ফাতেমা ছবি, ০৭ ই অক্টোবর, ২০২৬ রাত ১১:৩৮



এই এসো না কাছে এসো,
নীল শাড়ীতে নীলাম্বরী
ঠায় দাঁড়িয়ে অপেক্ষাতে
এসে ভাসাও প্রেমের তরী।

নীল সমুদ্দুর ডেকেছে আজ
তাই দাঁড়িয়ে আছি একা
এসো তুমি হাওয়ায় উড়ে
এসে করো একটু দেখা।

হাঁটতে ইচ্ছে বালিচরে,
তুমি আমার - পাশে হাঁটবে?
মনের... ...বাকিটুকু পড়ুন

মূল্যস্ফীতি বাড়লে বা কমলে আমরা টের পাই না কেন ?

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ০৭ ই অক্টোবর, ২০২৬ রাত ১১:৫১


গ্লোবাল ওয়ার্মিংয়ের কারণে বাংলাদেশে এখন কয়টা ঋতু আছে তা কেউ বলতে পারে না। আমার মনে হয় গ্রীষ্ম আর বর্ষার একটা মিশ্র ঋতু আছে, আর আছে শীত। এই গ্লোবাল ওয়ার্মিংয়ের... ...বাকিটুকু পড়ুন

মুহাম্মদ আলি জিন্না

লিখেছেন রাজীব নুর, ০৮ ই অক্টোবর, ২০২৬ সকাল ১১:৩৫



১৮৭৬ সালে করাচিতে এক দুষ্ট বালকের জন্ম হয়।
এবং ৭৬ বছর বয়সে দীর্ঘদিন যক্ষা রোগে ভূগে- দেশ ভাগের পরের বছর মারা যান। এই দুষ্ট বালক'ই পাকিস্তানের প্রতিষ্ঠাতা। নাম তার... ...বাকিটুকু পড়ুন

সেরা লেখক

লিখেছেন ঠাকুরমাহমুদ, ০৮ ই অক্টোবর, ২০২৬ রাত ৮:৪৭



বাংলাদেশের ইতিহাসে সবচেয়ে ভালো লেখক এক কথায় - হুমায়ূন আহমেদ। হুমায়ূন আহমেদের লেখা উপন্যাস মধ্যাহ্ন বা দেয়াল - এর পাশাপাশি রাখার মতো বাংলাদেশে আর কোনো উপন্যাস আছে কিনা আমার জানা... ...বাকিটুকু পড়ুন

=ডায়াটে একদিনের খাবার=

লিখেছেন কাজী ফাতেমা ছবি, ০৮ ই অক্টোবর, ২০২৬ রাত ১১:৫১

ডায়াটের প্রথম দিকে-একদিনের খাবার। বর্তমানে আমাদের দেহে রোগসুগের অভাব নাই। ডায়াবেটিস, প্রেসার, ক্যান্সারসহ নানাবিধ রোগ বলা নাই কওয়া নাই শরীরে এসে বাসা বাঁধে।

আর এসব রোগের একমাত্র কারণ আনহেলদি... ...বাকিটুকু পড়ুন

×