ইসলাম নিয়ে লিখতে গেলে , বলতে গেলে অথরিটি লাগে, তাই এই ব্যাপারে সবসময় কোন কথা না বলার চেষ্টা করি। ফতোয়া দেওয়ার এখতিয়ার একজন মুফতির, যিনি ইফতা কম্প্লিট করেছেন তার। অথবা যিনি এতো বেশি পড়াশোনা করেছেন যে ইসলামের অভারওল জিনিসটা তার জানা আছে।
ইসলামকে যদি নিতান্তই ধর্ম হিসেবে (হিন্দু ধর্ম, খ্রিস্টান ধর্ম, ইহুদি ধর্ম সহ আরো যে ধর্মগুলো প্রচলিত) ডিফাইন বা সংজ্ঞায়ন করেন, ঝামেলা বাঁধবে এটা তো জানা কথা। ইসলাম হলো একটা পরিপূর্ণ জবিন ব্যবস্থা। সবকিছু ডিফাইন করে। সেটা আপনি মানেন বা না মানেন এতে ইসলামের কোন কিছু যায় আর আসবে না।
আমরা যারা মাঠে কাজ করি , তারা হয়তো ন্যুনতম মানুষকে আলেমদের দৃষ্টিভঙ্গি জানিয়ে দিতে পারি। আলেমদের সাথে জনসাধারণের সেতুবন্ধন আমাদের মতো দা’য়ীরা।
আমি তাই এরকম ব্যাপারে কথা বলি না। বলতেও চাই না।
নামাজ কিভাবে পড়া হবে, মুনাজাত করবো কি করবো না এই সামান্য ব্যাপারে কাউকে তাকফ্বীর করা অযৌৈক্তিক।
আমার ক্ষেত্র আমাকে আগে বুঝতে হবে, আর এই ক্ষেত্রের সাথে সম্পৃক্ত নীতি-নিয়ম জানতে হবে, তারপর আমি কাজ করতে পারবো।
আলেমরা কোন নির্দিষ্ট দল বা গোষ্ঠীর সম্পত্তি নয়, তারা আমাদের সবার শিক্ষক। কাকে শিক্ষক হিসেবে নিবেন সেটা আপনার দৃষ্টিভঙ্গি, কিন্তু তাই বলে অন্য কোন আলেমকে হেয় করা আপনার জন্য হবে অনুচিত।
আমার দৃষ্টিভঙ্গি তৈরীতে অনেক আলেমের লেখনি প্রভাবক।
জানেন তো, জ্ঞান প্রজন্মের আলেমরাই ধারণ করে। তারা জ্ঞানকে কট্টরপন্থার বিকৃতিমনতা, মিথ্যুকের জালিয়াতি আর অজ্ঞের ফতোয়াবজি থেকে রক্ষা করেন।
জ্ঞান মুছে যাওয়ার কারণ এই না যে, কিতাবগুলো বিলীন হয়ে যাবে, বরং আলেমদের মৃত্যুই জ্ঞান বিলীন হওয়ার একমাত্র কারণ।
আল্লাহ আমাদের উপর জ্ঞানবানদের নিয়ামত জারি রেখো।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




