somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

"জয়তু সামহোয়্যার,জয়তু ব্লগিং"

২২ শে জুন, ২০১৪ সন্ধ্যা ৬:৩২
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

দেখতে দেখতে একটি বছর পেরিয়ে গেল।ক্যালেন্ডারের পাতা থেকে হারিয়ে গেল একটি বছর।এক বছর,৩৬৫দিন।৩৬৫ দিন কাটিয়ে দিলাম আমি!!!অথচ এই কদিন আগেই না সামুতে একাউন্ট খুললাম!!!সময় এত তাড়াতাড়ি বয়ে যায়!!ব্লগ সম্পর্কে সম্পূর্ণ শুন্য জ্ঞান নিয়ে যেখানে যাত্রা শুরু হয়েছিল আমার,এক বছর পর নিজেকে ঠিক একই জয়গায় দাঁড় করিয়ে দেখতে পেলাম কত কিছু শিখলাম আমি!!এখানে না আসলে জানতামই না একই ছাদের নিচে জ্ঞানের এত উৎস!!আজ নিজের অষ্টম ব্লগ যখন লিখতে যাচ্ছি,খেয়াল করলাম গত বছরের ঠিক এ মাসেই "গ্যাঞ্জাম ভালবাসা" নামক একটা অখাদ্য গল্প প্রকাশ করার মাধ্যমে সামুতে ঢিলেঢালা অভিষেক হয়েছিল আমার।এই জন্য ধন্যবাদ না জানালেই নয় আমার প্রিয় এবং খুব ঘনিষ্ঠ বন্ধুদের একজন,সামু জগতে "দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ" নিয়ে একের পর এক হিট সিরিজ লিখে যাওয়া ব্যক্তি,"উৎকৃষ্টতম বন্ধু" কে।

আমার অখাদ্য,কুখাদ্য,বাজেয়াপ্ত লেখালেখি শুধুমাত্র সীমাবদ্ধ ছিল নিজস্ব ব্যক্তিগত ডায়েরি আর ফেসবুকের নীল দুনিয়ার টাইমলাইনে।আগে বেশীরভাগ লেখা ডায়েরিতেই সীমাবদ্ধ থাকতো যার কারনে আমার লেখার একমাত্র পাঠক ছিলাম আমি নিজেই।আস্তে আস্তে তথ্যপ্রযুক্তির ছোয়ায় ২০১০ সাল থেকে ফেসবুকে নিয়মিত লিখতে লাগলাম।যার কারনে পাঠক আমি থেকে বেড়ে বন্ধুদের মধ্যেও ছড়িয়ে গেল।ফেসবুকে লেখালেখির এক সময়ে কী মনে করে বন্ধু "উৎকৃষ্টতম বন্ধু"একদিন তার বাসায় আড্ডার একফাঁকে পরামর্শ দিল ব্লগে লিখালিখি করতে।আমার পরামর্শ পছন্দ হল।তার বদান্যতায় সামুতে একাউন্ট খুললাম।সবার প্রথমেই বন্ধুর "দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ" নিয়ে সমসাময়িক লিখাগুলো পড়লাম।বলতেই হয় বেশ ভাল লিখে সে!!তারপর সে কিছু ভাল লেখকের কথা বলল যেমনঃজিকসেস জিকু,ম্যাংগো পিপোল,নোমান নমিসহ আরো অনেকেই।আমি সময় নিয়ে পড়তে লাগলাম তাদের লেখা।একেক জনের কী বলিষ্ঠ লেখনী!!!!যেন শুধু বারবার পড়তেই মন চায়।

সেইসব মানুষদের লেখা পড়ার পর নিজের লেখা অখাদ্য,কুখাদ্যগুলোকে আরো নিকৃষ্ট মনে হলো।তবু যাই হোক,নিজের লিখা তো!!সন্তান যেমনই হোক,বাবা-মায়েরা কি কখনো তাদের দূরে ঠেলে দেয়!!আমার কাছে আমার লেখা সন্তানের মতো,সে যেমনই হোক,একটা ভালবাসা সবসময়ই কাজ করে।সেই ভালবাসা থেকে সাহস করে লিখে গেলাম।যদিও নানা ব্যস্ততায় খুব নিয়মিত লেখা হয়ে উঠে নি,মাত্র সাতটি লেখা পোস্ট করেছি।তবুও এইখানে আসলে কিছু না কিছু লিখতে ইচ্ছে করে।পড়ার বাসনা বেড়ে যায়,জানার ক্ষুধা মাথাচাড়া দিয়ে উঠে।ভবিষ্যতে নিয়মিত লিখে যাবার ইচ্ছে আছে।তদ্দিন পর্যন্ত---

"জয়তু সামহোয়্যার,জয়তু ব্লগিং!!"
৯টি মন্তব্য ৯টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

=মনের হিংসা দূর করো রব=

লিখেছেন কাজী ফাতেমা ছবি, ১৯ শে অক্টোবর, ২০২৬ রাত ১১:২৯


তবুও হিংসা এসে যায় কারণে অকারণে;
পারি না সামলাতে মন আমার - ইয়া রব,
নিতে পারি না সহজ করে কিছু
মনের কিনারে ভাঙ্গে হুড়মুড় স্বার্থের কলরব।

স্বচ্ছ মনের মানুষ কী করে হই,
সহজরে করে ফেলি... ...বাকিটুকু পড়ুন

সৌদি প্রবাসীর মৃত্যুদন্ড ও রটানো গুজব

লিখেছেন মঞ্জুর চৌধুরী, ২০ শে অক্টোবর, ২০২৬ রাত ১:২২

আপনি যে দেশে যাবেন, সেই দেশের আইনের প্রতি শ্রদ্ধা রাখাটা আপনার দায়িত্ব।
আমেরিকায় আপনি মদ কিনতে পারবেন। কিন্তু আপনার বয়স অবশ্যই ন্যূনতম ২১ হতে হবে। ইউরোপে হয়তো এই বয়সটা ১৮।... ...বাকিটুকু পড়ুন

বাংলাদেশের জেন-জি ইন্ডিয়ার ককরো...

লিখেছেন জুল ভার্ন, ২০ শে অক্টোবর, ২০২৬ সকাল ৯:৫২

বাংলাদেশের জেন-জি ইন্ডিয়ার ককরোচ.....

বিপ্লবের লক্ষ্য কী- পরিবর্তন, নাকি প্রদর্শন?
বাংলাদেশে জেন-জি স্বৈরাচারের পতন ঘটিয়েছে; কিন্তু প্রশ্ন- স্বৈরাচার গেছে, স্বৈরাচারী মানসিকতা কি গেছে?
যে তরুণ প্রজন্ম গণতন্ত্র, অধিকার ও মর্যাদার দাবিতে রাজপথ... ...বাকিটুকু পড়ুন

রম্য: পর্নের সেকাল একাল!

লিখেছেন গেছো দাদা, ২০ শে অক্টোবর, ২০২৬ বিকাল ৪:৪৬

গুরুত্বপূর্ণ একটা টপিক নিয়ে অনেকদিন ধরে লিখব লিখব করছিলাম। সময় হচ্ছিল না। আজ এই গভীর রাতে মনে হলো, লিখেই ফেলি। কেন মনে হলো, সে আলাপে আর না যাই। টপিক হলো:... ...বাকিটুকু পড়ুন

দেশভাগ এবং ধর্ম- অধর্ম

লিখেছেন রাজীব নুর, ২০ শে অক্টোবর, ২০২৬ সন্ধ্যা ৬:২৪



শীতের শেষে সমস্ত গাছের পাতা ঝরে পড়ে।
তখন পাতা ছাড়া গাছ একদম রুগ্ন মনে হয়। শুকনো পাতা দিয়ে মাটির পথ ঢেকে যায়। সেই পথ দিয়ে কোনো পথিক হেটে গেলে... ...বাকিটুকু পড়ুন

×