ঘটনাটা ঘটার সাথে সাথে মনের এক ধরনের বিশেষ প্রতিক্রিয়া হলেও সময়ের সাথে সাথে তার তেজ কমতে থাকে ।
আমার সামনেই একটি চড়ুই পাখির বাচ্চা তার বাসা থেকে পড়ে গেল আর তখনই ঐ পথ চলার পাশে একজন লোক হেটেঁ আসছিলেন, যদি উনি ভুল করতেন তাহলে তখনই ঐ বাচ্চাটি তার পায়ের নিকট পিষ্ট হত । যা হোক উনি খেয়াল করার কারণে থেমে গিয়ে কিছূ চিন্তা করে পাশের ঝোপে রেখে চলে গেলেন । আমিও তখন এগিয়ে আসছিলাম যা হোক উনার দায়িত্ব শেষ করে উনার জরুরী কাজে চলে গেলেন, কিন্তু আমি কিছুক্ষণ পরে ঝোপের কাছে গিয়ে খুজেঁ দেখতে গেলাম । চড়ুই পাখির বাচ্চাটি এতই ছোট যে, এই পাখি উড়তে পারবে না, তখন আমি কি করব , কিছুই বুঝতে পারছিনা । তখন চিন্তা করলাম '' পাখি সংরক্ষণ দপ্তর '' এ ফোন দিব । নাকি নিজেই তার বাসায় রাখব । কিন্তু ভাগ্যের পরিহাস তখনই নিমর্ম হয়ে গেল, যদি কারও সাহায্য চাই , তখনই প্রশ্ন হবে আমি কে, আমি কি করছি, আর কেনইবা সাহায্য চাচ্ছি, আর ঐখানেই বা আমি কি করছিলাম ,এসব কারণে আমি নিজেই বিপদে পড়ব । তখন চিন্তা করলাম নিজেই দেখি রাখতে পারি কিনা বাসার মধ্যে । তখন খেয়াল করলাম । জায়গাটা সরাকারী জায়গা এবং বাসাটা এ্যালুমিনিয়াম ছাউনি থেকে অনেক উপড়ে, সুতরাং আমার দ্্বারা সম্ভব নয় ।আর এতে কারউ েচাখে পড়ে যাওয়ার সম্ভাবনা আছে। আর কর্তৃপক্ষের কাছে তো আমি যেতেও পারব না , অনুমতি আনার জন্য । যা হোক আমি ঐখানেই রেখে চলে গেলাম । তবে প্রতিদিনই খেয়াল করছি ।
তখন মাথার মধ্যে অদ্ভুত চিন্তা ঘুড়পাক খাচ্ছে , মানুষের মত চড়ুই পাখি গুলি কি সবাই মিলে এই ছোট বাচ্চাটা কে তুলে নিয়ে যেতে পারবে , তার আপন ঠিকানায় , তাদের মস্তিষ্কে কি এধরনের কোন চিন্তা আসতে পারে না?
আমার ধারনা ছিল, পাগলামীর মত , যা শুধু কল্পনা আর কাটুর্ন ছবিতেই হয় ।
এই আজকে তার মৃ তু্য চোখে পড়ল , শুধু তার পালক গুলি আছে, বাকি দেহ গলে মিশে গেছে ।
প্রথমে খুব কষ্ট লেগেছিল,
কিন্তু ''সময়ের সাথে সাথে মানিয়ে গেছে '' ।
চিন্তা করলে দেখলাম এইটই প্রকৃতির নিয়ম ।
হরিণ যতই সুন্দর হোক না কেন বাঘ তার ক্ষুধা নিবারণ করার জন্য , তাকে দিয়ে ক্ষুধা নিবারণ করে । আর মানুষ তা যেনও প্রকৃতির নিয়ম রক্ষার জন্য । বন থেকে সব পশুকে আলাদা করে দেয়নি ।বনের প্রকৃতি নিজ নিয়মে চলছে ।
সর্বশেষ এডিট : ৩১ শে ডিসেম্বর, ১৯৬৯ সন্ধ্যা ৭:০০

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


