হঠাত করে যেন , মনে হত লাগল , হাতে কিছুএকটা যেন আছে । কেমন যেন, খুস খুস করতে লাগল ।
বরাবরই তেমন ঘড়ি পড়ার অভ্যাস ছিল না ।
একসময় এক নাগাড়ে অনেক দিন ঘড়ি পরে মাঝে বিরতির কারণে এর প্রতি বাড়তি এক ধরনের অনীহা চলে এসেছে ।
বাজারে যখন হাত ঘড়ি কিনতে গেলাম , তখন সাথে বেশ কয়েকজন পরিচিত মানুষকে নিয়ে গেলাম ।
জিজ্ঞাসা করলাম , ঘড়ির সৌন্দর্য কোথায় ।
দামী ঘড়ি মানেই কি সৌন্দর্য ।
[গাঢ়] নানা মুনির নানা মত [/গাঢ়]
তাই ঘটল ।
একজনের অভিমত, দামী মানেই আসল ও সুন্দর ।
আরেকজন বলে ফ্যাশনই সৌন্দর্য, আরেকজন বলে যে ঘড়ি বেশিদিন টিকে সেটিই আসল ।
আরেকজন ...
থাক আর কথা বাড়ালাম না ।
ঘড়ি সমাচার থেকে বের হতে চাই.. তখন জিজ্ঞাস করলাম , বেলট এর মধ্যে সৌন্দর্য নাকি , ঘড়ির কাটাঁর মধ্যে । এর মধ্যেও তর্ক । এমনেই আমি আমার পছন্দের ঠিক করতে পেরে, সাথে কিছু জ্ঞানী লোক নিয়ে গিয়ে আরেক বিপত্তি করলাম ।
শেষ মেশ আর ঘড়ি কিনা হয় নি ।
তবে এক জন থেকে বিনা পয়সায় একটি ঘড়ি পেয়ে , ঝামেলা তেকে বেচেঁ গেলাম । যেহেতু উপহার সুতরাং ফেলে দেওয়া যায় না, এতেই চালানো যাবে ।
শেষ হল, হাত ঘড়ি সমাচার ।
তবে, এখনও স্বপ্নের ঘড়ির খোজেঁরয়েছি ।
সর্বশেষ এডিট : ৩১ শে ডিসেম্বর, ১৯৬৯ সন্ধ্যা ৭:০০

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



