ইরাকে জঙ্গি বিমান নেই, ব্যাপারটা অবিশ্বাস্য তাই না !!!!!!!
হা হা হা
যে দেশ কুয়েত কে পেচিয়েঁধরল, আর সারা পৃথিবী এক হয়ে লড়ে যাচ্ছিল, সুতরাং ধারণা করতেই হয়, যে সে বিনা হাতিয়ার এ লড়াই-এ নামে নি ।
ব্যাপারটা কিন্তু আজও অমিমাংসীত । আমি কেন ? যারা ঐখানকার বাসিন্দা তাদের মধ্যেও দ্্বিমত পোষণ করা হচ্ছে । অনেকের ধারণা বিমান ছিল কিন্তু আমেরিকানরা অর্থের বিনিময়ে পাইলটদের হাত করে নিয়েছে ।
কিংবা এদের বিমান ঘাটিঁর বিমান ধ্বংস হয়ে গেছে ।
কিন্তু আমার প্রশ্ন হল, যে দেশ মিসাইল তৈরী করার কিংবা ক্রয় করার আকাংক্ষা পোষণ করে আর যে দেশের তেলের অভাব হয় না, সে দেশের কাছে যুদ্ধ বিমান থাকবে না ?
অথার্ত এই সহজ যুক্তিতে ধরা যায়, তাদের যুদ্ধ বিমান ছিল । কিন্তু অস্তিত্ব বিলুপ্ত অজানা কারণে ।
একটি কথা বলি, বর্তমান জাতি সংঘ যে, আমেরিকানদের আর তার সঙ্গী সাথীদের কাঠের পুতুল এটি মানেন তো নাকি ?
জাতিসংঘ যখন প্রথম প্রতিষ্ঠিত করা হয়, তখনই আটলান্টিক মহাসাগরে বসেই, তাদের কাজের সামনের পথ সমাধান করেছে । কিন্তু তা সত্ত্বে তাদের চির শত্রু রাশিয়াকে তারা টপকাতে ব্যর্থ হয় কিন্তু সময় একসময় তাদের সাথে দেওয়ায় কারিগরি দক্ষতায় বিশ্বের শীর্ষে অবস্থান করছে, যদিও জাপান তাদের দক্ষতা এখন পর্যন্ত সামরিক নজরে আনে নি । কিন্তু অচিরেই তা করতে যাচ্ছে । আমেরিকা আগে তা না চেলেও বহুদিনের বসে রাখা পোষা দেশটিকে এখন আপন করে নিতে আর দল ভারী করতে আমেরিকা জাপানের এই প্রস্তাবে 50 বছর পর রাজী হয়েছে ।
আমি কিন্তু কথা গুলি বানিয়ে বানিয়ে বলছি না !!!
আর হ্যাঁ প্রশ্ন থাকতে পারে । আমেরিকা প্রতিটি দেশে শুধু ঘাটিঁ রাখছে কেন ?
রাশিয়ারও ছিল, এখন তাদের থেকে হাত ছাড়া হয়ে যাচ্ছে । ইউরোপই বড় প্রমাণ বাকিগুলো তো দূরের কথা । আরও বড় কথা হল, চাদঁ বলুন আর মেরু অঞ্চলই বলুন । গবেষণার ক্ষেত্রে আমেরিকা Vorrang (der) (প্রাধান্য)
আমেরিকার অবস্থা অনেকটা পাকিস্তানের মত যা বাংলাদেশের সাথে করতে গিয়েছে ।
এটা ঠিক আমেরিকা একা কিছুই করতে যাবে না, অতটা সাহস তাদের নেই । তাহলে মিত্ররাও হিটলার এর ছায়া আমেরিকার মধ্যে দেখতে পারবে ।
আর আফগানিস্তান আর ইরাক অনেক বড় দেশ । একটা কথা হয়ত ভুলে জান নি যে, দেশ ছিনিয়ে নেওয়ার থেকে টিকিয়ে রাখাই কঠিন । জয়ের মাধ্যমে আমেরিকা ছিনিয়ে নিলেও, সেখানে অনেক কম সংখ্যাক রাজাকার, আলবদর, আলশামস এর বাস রয়েছে । তাই তারা দখলে আনলেও নিয়ন্তণে রাখতে পারছে না ।
আমেরিকা যদি হিটলার এর মত বোকা হত তাহলে কখনই ঝাপিয়েঁ পড়ত বিশ্ব জয় করতে । কিন্তু আমেরিকার বুদ্ধি কিছুটা হলেও বেশী, অনন্তত তাই তো লাগে ।
ইসরাঈল তো আরও টেটনা, একবারও এট্যাম, নাইট্রো-হাইড্রোজেন বোমার কতা পেট থেকে বের করেই না ।
সুতরাং আমেরিকার সামরিক ক্ষমতা তার পাচঁ থেকে দশ গুণ । সুতরাং অযথা একা লড়তে গিয়ে তা নষ্ট করার দরকার নাই ।
******************আর হ্যাঁ আমেরিকার টার্গেট ছিল, আফগানিস্তান এর উঠতি আল - কায়েদাকে ডাউন করা ।
আর ইরাকের উঠতি নেতা সাদ্দাম সাহেবকে শিক্ষা দেওয়া । আর সাথে সাথে অর্থনৈতিক অবকাঠামো ধ্বংস করে দেওয়া । যাতে আগামী বছর 50 উঠতে না পারে । আর নতুন দেশ ইরান বেশী লাফালাফি করাতে এদেশেরও জিহবা কেটে দেওয়া ।
প্রাথমিকভাবে ধরে নিতে পারেন । আমেরিকা পৃথিবীকে আস্তে আস্তে গ্রাস করছে । চীনকে থ্রেড এর জন্য ভারত আর ভারতের সাথে পাকিস্তান ।
আর নতুন তৃতীয় অপশন জাপান ।
সুতরাং কি দাড়ায়ঁ । আর রাশিয়াতো এমনেই শেষ । খুব logisch ধারণা যে, রাশিয়াই পৃথিবী জয় করার ক্ষমতা রাখে । কিন্তু বর্তমানে তা স্বপ্ন । নব গঠিত ইউরোপ যা হবে অদূর ভবিষ্যতের টার্গেট আমেরিকার । আর ইউরোপের টাগের্ট আমেরিকা আর পাশ্ববতর্ী সকল দেশের । আর চেষ্টা করবে ভেনেজুয়েলা আর আরব দেশকে হাত করার ।
সর্বশেষ এডিট : ০৮ ই মার্চ, ২০০৭ সকাল ৯:৫১

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



