বোনাস কাজ ছিল যে, তার উপর কাজ করার পরে ডিম সিদ্ধ করা যেত !
কিন্তু আফোসোস অনেক পরে এক সময় , অনেক গবেষনার পর অখ্যাত (এইটা ক্রয়ের জন্য অনেকের কাছে দৌড় এর উপর ছিলাম, বাঙাল তো সনি,এইচপি,এসার ছাড়া তেমন ভাল বুঝতেই চায় না) এম এস আই গেমিং সিরিজ এর ল্যাপটপ জার্মান থেকে স্পেশাল অর্ডার করে নিয়ে আসি । কারন একই ব্র্যান্ড এর অন্য সিরিজ এর একটা অর্ডার এ ভুল শিপম্যান্ট ছিল বছর আগে , পরে তারা টাকা রিফান্ড করে , ১ বছর পরে আবার অন্য সিরিজ এর টা অর্ডার করি ।
দাম অনুযায়ী পারফেক্ট মাখন মার্কা জিনিস ।
সাধারন এই ব্র্যান্ড গুলি পলিশ এ টাকা বাচিয়ে ভিতরের মাল সামানায় খরচ করা হয় বলে সস্তা হয় । জার্মান থেকে গিয়ে আনলে আরও কম হত । কিন্তু ঝামেলায় আর গেলাম না ।
আমারটা একেবারে খারাপ না । যার জন্য এই শক্তিশালী ল্যাপটপ কেনা, সেই গেমসই আর খেলি না । যদিও এর থেকেও শক্তিশালী আছে ।
গেমস খেলা না খেলা নিয়ে অন্য ব্যাপার আছে । মনের উপর পাথর চাপা দিয়ে গেমস খেলা থামানো হয়েছে । সেটা আরেক ইতিহাস তার জন্য আলাদা পোষ্ট লাগবে ।
যাই হোক মূল পোষ্টে যাই ।
তো আমার জীবন এখন ওয়েব সার্চ , ইউটিউব , মেইল চেক এর গতানুগতিক জীবনে এসে ঠেকেছে, সুতরাং এত দাম দিয়ে এটা কিনলেও চলত ।
সখের দাম লাখ টাকা । তাই কিনলাম, আফসোস মিটল আর কি ।
কিন্তু এইচ পি এর মত ডিম তো সিদ্ধ করতে পারি না । ধরলে মনে হয় ল্যাপটপ টা এক্কেবারে ঠান্ডা !
ভাব লইলে বলা যাইতে পারে ২ কেজি ল্যাপটপে ১ টেবি এর উপর মালসামানা সমেত,সুপার গ্রাফিক্স কার্ড, ব্লুরে নিয়া জম্পেসই আছি ।
যাকেই জিজ্ঞাসা করি ল্যাপটপ নিয়ে কেউই খুশি নয় সাইজ, ওজন আর বোনার ডিম সিদ্ধ সার্ভিস নিয়ে
আমি কইলাম কিবোর্ড এর ডিস্কো লাইটিং এফেক্ট দিয়ে রাতে গেমস না খেলেও ব্লগিয়ে মজাই পাই, দুধের স্বাদ ঘোলে মিটানো আর কি

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


