
কাজ থেকে এসে খুব ক্লান্ত, রান্না করার শক্তি নাই্ তাই বাহির থেকে খাবার এনে খাচ্ছিলাম আর ইউটিউব গুলোর চ্যানেল পাল্টাচ্ছিলাম। ঠিক এমনি একটা চ্যানেলের ভিডিও দেখলাম(লিংক নীচে)। টপিকস টা পুরনো হলেও নিম্ন বিত্তের ... অতি উচ্চ বিনয় ব্যবহার মন ছুয়ে গেল।
একটা ছেলে খাবার খুজে যাচ্ছে, ভাল পোশাক থাকা সত্বেও মানুষ তাকে বিশ্বাস করতে পারছে না বা আর্থিক বিনিময় বর্হিভূত কোন খাদ্য সরবরাহ করতে চাচ্ছে না।
আমি অতীতে ঠিক এমনিভাবে একজনের আর্জিকে ফিরিয়ে দিয়েছিলাম। লোকটার কাছে পুরাতন মাস্টার কার্ড ছিল তবে সম্ভবত ব্যবসায়িক, পারিবারিক কারনে শূণ্যতে নেমে এসেছে, তাও বিদেশী! তাই সহযোগীতার হাতটা বাড়িয়ে দেই নাই। দিন টা ছিল অসম্ভব বৃষ্টির রাত। অন্তত খাদ্যটা প্রাপ্য ছিল। আমি এখনো অনুশোচনা ভুগি। হয়ত নেতীবাচক দেখছি না বিধায়।
এরপর থেকে চেষ্টা করি অল্প করে হলেও নিরবে সাহায্যের হাতটা বাড়িয়ে দিতে।
তবে সব সময় দেওয়া সম্ভব হয় না বা সবাইকে দিতে মনে চায় না। কারন কিছু বাজে অভিজ্ঞতাও সঞ্চিত হয়েছে। এটা নিয়ে আজ লেখার ইচ্ছা নাই, এতে পোষ্টের বিষয় বস্তুর উদ্দেশ্য থেকে বিচ্যুতি ঘটতে পারে।
আমার মনকে এতটা বড় করতে পারি নাই, যখন সমাজের বা পৃথিবীর বিভিন্ন বড় সব মানুষের দেখা পাই। আমি নোবেল জয়ী, সেলিব্রেটি ব্লগার,অভিনেতা বিশেষ করে বলছি না।
আমি দেখেছি কিশোর বয়সী বিদেশী বালক এর সমাজ সেবাকে! যখন তার গ্রীষ্মকালিন ছুটি, তখন সে স্বেচ্ছাসেবক হয়ে কাজ করে, তাও ছোটখাট সম্মানীকে ত্যাগ করে!
স্বেচ্ছাসেবক হয়ে কাজ করলে প্রতিষ্ঠান বা সরকার তাকে অল্প পয়সা দেয়, পুরষ্কার স্বরুপ।
তার যুক্তি সে সেবক এবং স্ব ইচ্ছায় ছুটিকে মানব সেবায় উতসর্গ করেছে, সেখানে পয়সার প্রশ্ন আসছে কেন?
এতটুকু বালকের দিকে অসম্ভব তাকিয়ে ছিলাম আমি, অনেক অবাক হয়ে। বয়সের তফাত না থাকলে বালকের সাথে বন্ধুত্ব হয়ত হয়ে যেত, যদিও বন্ধুত্বের কোন বয়স নাই, তবুও অনেকে এই বাধাঁ পেরুতে পারে না।
আর নীচের ভিডিও এর তাতপর্যের সাথে আমার অভিজ্ঞাতর একটা যোগসূত্র আছে, একটা মিলন রেখা আছে। দুইটাই মহান।
আরেকটা বলি , উনি আমার আত্মীয়, তারঁ বাড়িতে কেউ গেলে, কিছু চাইলে কিছু না কিছু পায়! এটা আমি স্বচক্ষে না দেখলে বুঝতামই না যে আর্থিক অবস্থা কতটুকু সবল!
আমি একটা সময় মনে করতাম উদার হতে গেলে ভাল কিছু থাকতে হয়। কিন্তু না, এই লজিকটা তারঁ ক্ষেত্রে খাটছে না।
তবে বাংলাদেশ এ এই সুযোগে ক্ষতি সাধন করে থাকে, এই নিয়ে এই পোষ্টে আবার অফ গেলাম।
তবে মন বলে একটা কথা থাকতে হয়, মানুষকে চেনা বড়ই দায়! তথাপিও যারা চিনতে পারে, যুক্তি-সত্য-মিথ্যার বেড়াজাল পেরিয়ে তারা আসলেই এক একজন মহীয়সী মানুষ। তাদের আগে পিছে হয়ত কখনই বিশেষ পদ মর্যাদার সীল লাগবেনা তবুও তারা তাদের মনের দিক থেকে অমর হয়ে থাকবেন।
মহানবী সা: এর জীবনি বই পড়েছি কিন্তু মানব জাতির উপকারে একে অপরের সহযোগীতার ব্যাপারগুলো বাস্তব জীবনে পয়সার আদান প্রদান ছাড়া আর খেলার টিম স্ট্রেটেজী ছাড়া কোথাও দেখি নাই(অভিজ্ঞতা ব্যতীরেখে)। হয়ত পত্রিকা, মিডিয়া অতটুকুই। সবাই যদি এইরকম একে অপরকে সহায়তে করে তাহলে রাষ্ট্রের উপর এত বোঝা এসে পড়ে না।
এই চিন্তা করলে চোখ ঝাপসা হয়ে আসে।
একজন উদার মানুষ হওয়ার খুব দরকার। খুব দরকার... খুব দরকার... প্রানপণ চেষ্টায় আছি নিজের খারাপ জিনিসটাকে নিংড়ে ছুড়ে ফেলার জন্য কিন্তু কেন জানি মহীয়সীদের তুলনায় সমুদ্রের ১ বিন্দু জলের সমানও না।
মানুষ মানুষের জন্য।
https://www.youtube.com/watch?v=pHqz5iA9VS8
আরও কিছু শিক্ষামূলক প্রচারনা
সর্বশেষ এডিট : ০৩ রা এপ্রিল, ২০১৭ সকাল ৭:১৭

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




