একজন দোকানদার জাদুর কলসির সাহয্যে মিষ্টি বানায় কিংবা পায় আর খুব জরুরী কাজে বাইরে গিয়েছে, তাই তার ছেলে এখন দোকানে রয়েছে । একজন খরিদ্দার এসে জিজ্ঞাসা করলে ,
::::: তোমাদের মিষ্টির এত স্বাদ কেন বলত? যে সময় আসি ঐ সময়ই টাটকা গরম গরম মিষ্টি পাওয়া যায় । তোমার বাবার রেসিপিটা বলনা । তাছাড়া খেতেও দারুণ স্বাদ ।
দোকানদারের ছেলে::::: আমি আপনাকে কেন বলব? যে, আমাদের বাসায় একটি জাদুর কলসি আছে, সেই কলসি উপুর করলেই মিষ্টি পড়ে, আর আমাদের দোকানের সব মিষ্টি ঐখান থেকেই আসে ।
তা আমি আপনাকে কেন বলব?
6=
একজন বিরাট ধনী তারঁ বাগান - বাড়ির পেছনের পুকুরে কুমির পুষতেন । একদিন তিনি বিশাল একটা পার্টি দিলেন ।নানান জায়গা থেকে বহু লোক এলো সেই পার্টিতে ।
প্রচুর মদ্যপান আর খাওয়া দাওয়ার পরে ধনীলোকটি পুরাকালের রাজামহারাজাদের স্টাইলে ঘোষণা করলেন, যে সাহস করে কুমির র্ভতি পুকুর সাতঁরে পার হতে পারবে, তাকে হয় তিনি এক কোটি টাকা দিবেন, নয় তার হাতে সুন্দরী কন্যাকে সমপর্ন করবেন ।
কথাটা শেষ হতে না হতেই ঝপাং করে একটা শব্দ । দেখা গেল একজন লোক প্রাণ পণ সাতঁরাচ্ছে । আর তার পেছনে তিনটে কুমির তাড়া করছে । সবাই পার থেকে লোকটিকে অজস্র উতসাহ জুগিয়ে চলল । লোকটি অবশ্য ভালোই সাতারঁ কা েট তার উপর প্রাণের মায়া । কোন মতে হাপাঁতে হাপাঁতে অন্যপারে অক্ষত অবস্থাএতই উঠলো ।
ধনী এগিয়ে এস লোকটিকে হাত ধরে বললেন, আমি বিশ্বাস করতে পারি নি এতো সাহস আর এতো ক্ষমতা কারোর থা কতে পারে । ইয়ং ম্যান, তুমি কি চাও, আমার কন্যা না এক কোটি টাকা ?
লোকটি তখনও হাঁপাচ্ছে । বলল, আমি আপনার কন্যাকেও চাই না, এক কোটি টাকাও চাই না । আমি শুধু সেই শুয়োরের বাচ্চাটাকে একবার হাতের কাছে পেতে চাই
- যে ব্যাটা আমাকে ধাক্কা দিয়ে ফেলে দিয়েছিল ।
সর্বশেষ এডিট : ৩১ শে ডিসেম্বর, ১৯৬৯ সন্ধ্যা ৭:০০

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



