মানুষের মেজাজ যখন কোন কারণে খিটিমিটি হয়ে থাকে.. তখন কেউ মনের অজান্তে তাকে বিরক্ত করলে ঐ নিষ্পাপ মানুষটাকে বানানো হয় পরিমাপক যন্ত্র, যার উপর খিটিমিটির মাত্রা প্রয়োগ করা হয়!
যদি নিষ্পাপ মানুষটা কাছের মানুষ হয় তাহলে তো কথায় নাই। খিটিমিটি বর্ষণের মাত্রা দ্বিগুণ বেড়ে যায়।
কখনো তো কাছের মানুষের দোষ না থাকলেও বিনা দোষে বা বিনা কারণে আমরা তার উপর চেঁচামেচি করি, ঝগড়া করি.. অন্যের রাগ তাকে দেখাই।
যেই পরিস্থিতির শিকার আমাদের মায়েরা প্রতিদিন ই হন।
অন্যের রাগ কাছের মানুষকে দেখানো খুব দোষের কিছু না কারণ এইটা মানুষের সহজাত প্রবৃত্তি।
তাহলে দোষের কাজটা কি?
মানুষ যখন খিটিমিটি হয়ে থাকে তখন তার আচরণে একটু ভিন্নতা দেখা যায়।
এইটা আর কারো চোখে না পড়লেও তার কাছের মানুষগুলো চোখ এড়ায় না।
কেউ যখন খিটিমিটি থাকে তখন তার সাথে ঠান্ডা মাথায়, ধৈর্য্য নিয়ে কথা বললেই তো হয়.. বা সে যদি গায়ে পড়ে ঝগড়াও করে তবে একটু কষ্ট করে চুপ থাকলেই হয়।
এতে খিটিমিটি থাকা মানুষটাকে নিজের দোষটা ধরিয়ে দেওয়ার ও প্রয়োজন হয়না। পরক্ষণে সে নিজের ভুল বুঝতে পারে।
এই সহজ বিষয়টা ই কেউ বোঝে না এমনকি আমিও..
এই সহজ বিষয়টা না বোঝায় মূলত দোষের।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


