somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

Amadeus (১৯৮৪) সিনেমা রিভিউ।

০৪ ঠা সেপ্টেম্বর, ২০২৩ রাত ১১:৩৮
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :



কিছু সিনেমা আছে যা একবার কেনো বারবার দেখলোও খারাপ লাগাতো দূরের কথা, তৃপ্তি মিটবেনা। ১৯৮৪ সালের সিনেমা Amadeus হলো ঠিক সেরকই একটি সিনেমা। এই সিনেমাটি আমি মনে হয় প্রথম সেই ২০০৪--২০০৫ এর দিকে দেখেছিলাম। সেসময় আমি জার্মান ভাষা শিখছিলাম। আমার যিনি জার্মান টিচার ছিলেন তিনি একজন বাংলাদেশী। ওনার মতো উচুমানের শিক্ষক আমি খুব কমই দেখেছি। উনি একবার ক্লাসে আমাদের বললেন Amadeus সিনেমার কথা, Mozart কতো উচুমানের মিউজিক কম্পোজার ছিলেন তা জানতে হলে এই সিনেমা দেখা উচিত। তখনকার সময় সিডি-ডিভিডির যুগ। দোকান থেকে রেন্ট নিয়ে সিনেমা দেখা লাগতো। ঐ যে সেবার দেখেছিলাম এরপর আর দেখা হয়নি।



আমার পছন্দের পরিচালক Miloš Forman এর Amadeus সিনেমাটি আবারো দেখা হলো এবং প্রতিটি মূহুর্ত বেশ এন্জয় করছিলাম। চমৎকার একটি সিনেমা যা আমি মনে করি সব সিনেমা পাগলদের দেখা উচিত। Mozart, একজন বিখ্যাত ও প্রভাবশালী সুরকার ছিলেন এবং আমি মনে করি কম বেশী আমরা সবাই তার কোনো না কোনো সুর জীবনে একবার হলেও শুনেছি, তাকে নিয়েই সিনেমাটি নির্মিত হয়েছে।

বিখ্যাত এই শিল্পীর যেমন ছিল অসংখ্য ভক্ত ঠিক তেমনই তার শত্রু সংখ্যাও ছিল অনেক। তেমনিই একজন শিল্পী ছিলেন যার নাম সেলেইয়ারী। সে Mozart এর খ্যাতি একেবারেই সহ্য করতে পারতেন না। তাকে কিভাবে শেষ করা যায় সেটা নিয়েই তার চলতে থাকে পরিকল্পনা। উপর দিয়ে দেখায় সে Mozart এর ভক্ত কিন্তু তলে তলে সে Mozart এর চরম শত্রু।

এই সিনেমা সবার দেখা উচিত। আমি ৯.৫/১০ দেব। অসাধারন লেগেছে আরেকবার দেখে।

সর্বশেষ এডিট : ০৪ ঠা সেপ্টেম্বর, ২০২৩ রাত ১১:৩৮
২টি মন্তব্য ১টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

হা হা রিয়্যাক্ট না করে কেউ যাবেন না

লিখেছেন জ্যাক স্মিথ, ০৪ ঠা মার্চ, ২০২৬ রাত ১২:২৪



এই লোকটা বছরের পর বছর ধরে প্রকাশ্যে আমেরিকা ও ইসরাইলের ধ্বংস চেয়ে আসছে, তাদের যেখানে পাওয়া যাবে সেখানেই হত্যা করার মত ভয়ঙ্কর হুমকি দিয়ে আসছে; অথচ যুদ্ধ শুরুর... ...বাকিটুকু পড়ুন

একা হতে দুহু. দুহু থেকে বহু : যুদ্ধ আর ধংসও সৃষ্টির চিরন্তন লীলা

লিখেছেন ডঃ এম এ আলী, ০৪ ঠা মার্চ, ২০২৬ সকাল ৯:৫১


বিধাতার পরে দুহাত তুলে
জানাই শুকরিয়া কারণ
অসীম শূন্যতার ভেতরেও
তিনি শুনেছিলেন প্রতিধ্বনি
নিজ সত্তারই গভীর আহ্বান।

তাই তিনি সৃজিলেন দুহু
আলো আর অন্ধকার
দিন আর রজনী
আকাশ আর ধরণী
প্রেম আর প্রত্যাশা।
একটি হৃদয় থেকে আরেকটি... ...বাকিটুকু পড়ুন

আমি এখন ইরান নিয়ে ভাবছি না

লিখেছেন মহাজাগতিক চিন্তা, ০৪ ঠা মার্চ, ২০২৬ সকাল ১১:১৮



সূরাঃ ৪৮ ফাতহ, ২৯ নং আয়াতের অনুবাদ-
২৯। মোহাম্মাদ আল্লাহর রাসুল; তাঁর সহচরগণ কাফিরদের প্রতি কঠোর এবং নিজেদের মধ্যে পরস্পরের প্রতি সহানুভূতিশীল; আল্লাহর অনুগ্রহ ও সন্তুষ্টি কামনায় তুমি... ...বাকিটুকু পড়ুন

“সূয্যি মামা জাগার আগে উঠবো আমি জেগে” (দিনলিপি, ছবিব্লগ)

লিখেছেন খায়রুল আহসান, ০৪ ঠা মার্চ, ২০২৬ বিকাল ৪:৩৫


রোদের মাঝে একাকী দাঁড়িয়ে....
ঢাকা
২৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, বেলা ১২৩৩

"সূয্যি মামা জাগার আগে উঠবো আমি জেগে" -- নিজ শিশুর মুখে একথা শুনে মানব শিশুর মায়েরা সাধারণতঃ কপট রাগত স্বরে এমন প্রতিক্রিয়া... ...বাকিটুকু পড়ুন

রাশিয়াকে ড্রোন দিয়ে ইরান নিজে কি পেল ?

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ০৪ ঠা মার্চ, ২০২৬ রাত ৮:৩৫


ইউক্রেন যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর থেকে একটা প্রশ্ন ঘুরেফিরে এসেছে — রাশিয়াকে ড্রোন দিয়ে ইরান আসলে কী পেল? ইরানের Shahed-136 ড্রোন ইউক্রেনের বিদ্যুৎকেন্দ্র ধ্বংস করেছে, সাধারণ মানুষের ঘরবাড়ি... ...বাকিটুকু পড়ুন

×