
আই এস জঙ্গিদের গল্প পড়ানো হয় বরিশাল পিস স্কুল এন্ড কলেজে। জামায়াত নেতাদের প্রতিষ্ঠিত পিস স্কুল অ্যান্ড কলেজে জাতীয় সঙ্গীত বাজে না। মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস পড়ানো হয় নিজেদের মতো করে। এমনকি এই স্কুলের পাঠ্যক্রমে ইংরেজি বা আরবি শেখাতে গিয়ে তালেবান এবং আইএস জঙ্গিদের গল্প ‘লেসন স্পিড’ হিসেবে পড়ানো হয়। ২১ জন শিক্ষকের ভেতরে ৯১ জনই জামাতের! ছাত্র শিবিরের অনুমতি বা শুপারিশের বাইরে কাউকে ভর্তি করানো হয় না। ‘জামায়াতি চিন্তাধারা প্রভাবিত পাঠ্যক্রম’ অনুসারে বিভিন্ন ‘জিহাদ’ বা যুদ্ধের চুম্বুকাংশ প্রায় প্রতিদিন শিশুদের শেখানো হয়। এছাড়া ভাষা হিসেবে বাংলা, ইংরেজি ও আরবি শেখানো হয়।তবে ইংরেজি ও আরবিই সেখানে বেশি গুরুত্ব পায়। এখানকার যতগুলো চেয়াম্যান হয়েছে সবাই জামাত ঘরানার !
জাকির নায়েকের পিস টিভি এদেশে খুব জনপ্রিয়। এরই সুযোগ নিয়ে চ্যানেলটির নামের সঙ্গে মিল রেখে প্রতিষ্ঠা করা হয় পিস স্কুল অ্যান্ড কলেজ। বরিশালে এর শাখা ক্যাম্পাস খোলা হয় মাত্র এক বছর আগে। তবে প্রতিষ্ঠানটির কার্যক্রম শুরু করার সময় ঘোষণা দেওয়া হয়, পিস টিভির উদ্যোক্তা ড. জাকির নায়েকের ফাউন্ডেশনের তত্ত্বাবধানে এটি পরিচালিত হবে। এ ঘোষণার কারণে অতি দ্রুত শিক্ষা প্রতিষ্ঠানটিতে শিক্ষার্থীর সংখ্যা বাড়তে থাকে।
বরিশাল নগরীর ৪৭ কলেজ অ্যাভিনিউয়ের জিমি কটেজ নামে একটি ভবনটি ভাড়া নিয়ে চালানো হচ্ছে পিস স্কুল অ্যান্ড কলেজের কার্যক্রম। তবে নির্দিষ্ট লোকজনের বাইরে কাউকে এ ক্যাম্পাসে প্রবেশ করতে দেওয়া হয় না। এছাড়া এ স্কুলে জাকির নায়েকের লেকচারের নির্বাচিত অংশ পাঠ্য হিসেবে পড়ানো হয়।
এ দেশে জঙ্গিবাদ কারা করছে নিয়ে কোন সংগঠনকে পেচিয়ে আমি আর কোন মন্তব্য করতে চাই না। নিশ্চয় আপনাদের কোন কিছু বুঝতে কষ্ট হবে না। আমি এমন কিছু ভাবতে চাই না যে ইসলাম অপবিত্র ও অশান্তির ধর্ম। আমি ভাবতে চাই ইসলাম শান্তির ধর্ম, ইসলাম শ্রেষ্ঠ ধর্ম সেখানে কোন জঙ্গিবাদের ঠায় নেই। যারা ইসলামের নাম নিয়ে এই ধরনের জঙ্গিবাদ পোষন করে হত্যাযজ্ঞ চালায় তারা কোন ভাবেই মুসলমান বা ইসলমের অনুসারি হতে পারে না। তারা ইসলামের শত্রু!

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।

