জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৬৫তম অধিবেশনে যখন শেখ হাসিনা ভাষণ দিচ্ছিল তখন জাতিসংঘ সদর দফতরের সামনের দৃশ্য বিক্ষোভে উন্মাতাল। মায়ানমার সরকারের দাড়া অবৈধভাবে বন্দী আং সাং সুকির মুক্তি এবং আমাদের বিক্ষোভ সমাবেশ ছিল চোখে পড়ার মত। হাজারো বাংলাদেশী ছাত্র জনতা থেকে শুরু করে নারী-পুরুষের এক বিশাল বিক্ষোভ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়ে গেল আজকে। সবার হাতে ছিল প্রতিবাদী ব্যানার, প্ল্যাকার্ড আর মুখে ছিল স্লোগান। "STOP AWAMI BRUTALITY", "শিক্ষাঙ্গনে রক্ত কেন শেখ হাসিনা জবাব চাই", "বাংলাদেশে মানবাধিকার লংগন রুখে দাড়াও", "একনায়কতন্ত্র বাকশালীদের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়াও বাংলাদেশ" সম্বলিত প্ল্যাকার্ডগুলো এবং স্লোগান বিভিন্ন দেশ থেকে আগত প্রতিবাদকারী এবং অংশগ্রহনকারীদের দৃষ্টি আকর্ষন করতে সক্ষম হয়।
বিপরীতে শ-তিনেক আওয়ামীলীগ-ছাত্রলীগ ক্যাডারকে "প্রধানমন্ত্রীর যুক্তরাষ্ট্রে আগমন উপলক্ষ্যে অমুক বাল সমুক বালের পক্ষ থেকে শুভেচ্ছা" টাইপের তৈলাক্ত ব্যানার নিয়ে দাড়িয়ে থাকতে দেখা যায়। একপর্যায়ে আমাদের সমাবেশকে ভন্ডুল এবং গন্ডগোল সৃস্টির জন্য তারা আমাদের রাজাকারের দালাল, পাকিস্তানির দালাল বলে গালি দেয়া শুরু করলে উত্তেজিত ছাত্ররা তাদের ধাওয়া দেয়, পরে মুরব্বিদের হস্তক্ষেপে আমরা তাদের ছেড়ে দিই। যাহোক সবাইকে অনেক ধন্যবাদ যারা আমাদের সমাবেশকে সুন্দর এবং সার্থক করার জন্য অনেক দোআ করেছেন।
বাংলাদেশ তুমি চির দুখী হয়ে আর থাকবেনা, তোমার তরুন প্রজন্ম আজ রাজনীতি সচেতন। তারা আজকে বিদেশের মাটি থেকে প্রস্তুতি নিচ্ছে সকল অন্যায়-দুর্নীতি-সন্ত্রাস-জুলুম আর জনগনকে নিয়ে অতীত শাসকদের ছিনিমিনি খেলার হিসাব নিতে।
ভয় পেয়োনা মা আমরা আসছি.......

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



