somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

কুড়ানো ( পর্ব ৩৫ ) First ever Bank of British India was in Comilla? Circa 1914

১৬ ই মে, ২০১৯ সকাল ১০:১৭
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
সিটি অব ব্যাংক এন্ড টেঙ্ক



ত্রিপুরা জেলা গঠন ও কালেক্টরেটের সূচনা হয়, ১৭৭৬ সালে। ১৭৭৫ সালে ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি দিল্লীর সম্রাট শাহ আলমের কাছ থেকে, সুবে বাংলার দেওয়ানী লাভ করেন।
বাংলা ও বিহাবের রাজস্ব সংগ্রহের সুবিদার্থে কোম্পানি কতগুলো প্রশাসনিক বিন্যাস করেন। ত্রিপুরা, চট্রগ্রামের আওতাধীন ছিলো। ঢাকার পূর্বাংশ, নোয়াখালী ও ময়মনসিংহের দক্ষিণাংশ এবং ফরিদপুরের পূর্বাংশ ত্রিপুরা জেলায় অন্তরভুক্ত ছিলো।

ক্রমানুযায়ী বিচার বিভাগ, পুলিশ বিভাগ, দেওয়ানী, ফৌজদারি, ও অন্যান্য প্রয়োজনীয় বিষয় গুলো সাজানো হলে, ১৭৯০ সালে ত্রিপুরা জেলা রাজস্ব বোর্ডে অনুমোদন লাভ করে।
১৭০ বৎসর পরে ১৯৬০ সালে, সেই ত্রিপুরার নাম পরিবর্তন করে কুমিল্লা করা হয়।

বাংলার প্রথম

শ্রী নরেন্দ্র চন্দ্র দত্ত পেশায় আইনজীবী, সমাজ সংস্কারক, সমাজের আর্থ সামাজিক অবস্থা অনুধাবন করে, যুব সমাজের কর্ম সংস্থান, সামাজিক উন্নয়ন ও ব্যবসায় সহায়তা করার নিমিত্তে, একটি অর্থলগ্নিকারী প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলার উদ্যোগ নেন। তাহার নিজ বাস ভবনে ১৯১৪ সালে, প্রতিষ্ঠা করেন,
'দ্যা কুমিল্লা ব্যাংকিং কর্পোরেশন'। এর প্রধান কার্যালয় কুমিল্লা। প্রথম বৎসর একজন কর্মকর্তা, ২৫০০ টাকা আমানত এবং রিজার্ভ ফান্ডে ছিলো ৪৫০০ টাকা। এটাই এ'দেশের প্রথম ব্যাংক।
খুব দ্রুত এর ব্যাপ্তি লাভ করে। বোম্বাই, কলিকাতা, পাটনা, বাক্ষণবাড়িয়া, কানপুর, কটক সহ সারা ভারতে এর শাখা ছড়িয়ে পড়ে। একজন মহতীর উদ্যোগ, কতো বড় প্রাপ্তি।
শ্রী নরেন্দ্র চন্দ্র দত্ত, ব্রিটিশ ভারতের ব্যাংকিং ব্যবসায়, বাংলার পথিকৃত।

এ ছাড়াও ইন্দু ভূষন দত্ত প্রতিষ্ঠা করেন, 'কুমিল্লা ইউনিয়ন ব্যাংক' এটা কুমিল্লার দ্বিতীয় ব্যাংক। এই ব্যাংকের বিস্তার সারা ভারতে ছড়িয়ে পড়ে।

১৯১৫ সালে 'নিউ স্ট্যান্ডার্ড ব্যাংক' নামে আরো একটি ব্যাংক কুমিল্লায় প্রতিষ্ঠিত হয়, এটা কুমিল্লায় প্রতিষ্ঠিত তৃতীয় ব্যাংক।
ব্যাংকিং ব্যাবসায় কুমিল্লা ব্রিটিশ ভারতে উল্যেখযোগ্য অবদান রাখে।
এ' ছড়াও আরো কয়েকটি ব্যাংক ও বীমা কোম্পানির জন্ম হয়েছিলো কুমিল্লায়। তাই কুমিল্লাকে বলা হয় ব্যাংক ও ট্যাংক এর শহর।

দেশভাগের পর, ১৯৫০ সালে পাঁচটি ব্যাংক নিয়ে প্রতিষ্ঠা হয় 'ইউনাইটেড ব্যাংক অব ইন্ডিয়া'। এর তিনটি ব্যাংকই ছিলো কুুমিল্লার।

ঘাটের ঘটনা

কুমিল্লার প্রায় প্রত্যেক বাড়িতেই নিজস্ব পুকুর ছিলো, আমরা পুকুরেই স্নান করতে অভ্যস্ত। একটু সাঁতার কাটা, ডুবদিয়ে মাটি ছোঁয়া, কে কতক্ষণ ডুবদিয়ে থাকতে পারে এগুলো আমাদের নিয়মিত খেলা, আমাদের শৈশব, কৈশোর কাল এমনই আনন্দময় ছিলো।
শীতের দুপুরে স্নানের আগে, ঘাটের আড্ডার মজাটা ছিলো অন্য রকম। আর কখনো সেইদিন গুলো ফিরে আসবে না।
সারা শহর জুড়ে দিঘী। নানুয়ার দিঘী, উজির দিঘী, রানীর দিঘী, জোড়া পুকুর, রিজার্ভ ট্যাংক, লালার দিঘী, তাল পুকুর, থিরা পুকুর আরো ছোট বড় অনেক জলাধার ছিলো।
ধর্মসাগরই এর মধ্য সবচাইতে বড়।

আবার যদি ফিরে পেতাম ঘাটের ঘটনা, অবিরাম আড্ডা, স্মৃতিময় দিনগুলো এখন ভীষণ মিস্ করি।

লাকী হাউস্

শহরে একটা ব্রেকিং নিউজ।
এক টাকায় এক লক্ষ টাকা লটারিতে জিতেছেন, কুমিল্লার একজন ভাগ্যবান। সময়টা '৪০ দশকের শেষের দিকে। সেই টাকা দিয়ে, কুমিল্লা লাকসাম রোডে বাড়ি বানিয়ে, নাম দিলেন 'লাকী হাউস্'
তখনি সেই ভাগ্যবানের ঘরে জন্ম নিলেন তার পুত্র, নাম রাখলেন, শাহজাদা লাকী।

লটারির কথাটা শুনেছি মায়ের কাছে, তিনি যখন স্কুলে পড়েন সেইসময়ের কথা।
পরবর্তী সময়ে লাকী আমার খুব কাছের বন্ধু হয়ে যায়। রাজনীতি এবং অন্যান্য অনেক কারণে। লাকী আমার বন্ধু জেনে মা বলেছিলেন একদিন নিয়ে এসো, লাকী হাউসের লাকী বয়কে দেখবো। একদিন নয় লাকী প্রায়ই আমার বাসায় আসতো, আমার সাথে লাকীর ঘনিষ্ঠতা ভালোই ছিলো, যদিও বয়সে আমার চাইতে বেশ কয়েক বছরের বড়।
বেশ সুন্দর একটা বাড়ি, সামনে বাগান, অনেকেই কুমিল্লা আসলে সেই সময় লাকী হাউস্ দেখতে আসতো।

এক টাকায় এক লক্ষ টাকা।
#Collected from Showkat Ahsan Faruque’s post in ফেব

2 bank locker box of brass which have seal as Nath Bank and Cooperative Bank both Comilla. These boxes would hold coins. And when you would send the box to bank they would open it with key and deposit the savings in your name.

সর্বশেষ এডিট : ১৬ ই মে, ২০১৯ সকাল ১০:২১
৮টি মন্তব্য ৮টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

বিবর্ণ জীবন

লিখেছেন মুক্তা নীল, ২০ শে আগস্ট, ২০১৯ বিকাল ৫:০৮



কেস স্টাডি ১ : কণা ও আবিরের সাত বছরের সম্পর্কের সমাপ্তি ঘটে দুই পরিবারের বিয়ের সম্মতিতে।আবির চাকরি করে বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে আর কনা বেসরকারি ব্যাংকে। বিয়ের চার... ...বাকিটুকু পড়ুন

এলোমেলো ডায়েরী: শৈশবের ৯ টি সবচেয়ে স্বস্তির, মজার মুহূর্ত! আমার সাথে আপনারটা মেলে কি? :) :)

লিখেছেন সামু পাগলা০০৭, ২০ শে আগস্ট, ২০১৯ বিকাল ৫:৫৫



পূর্বের পর্বগুলো: এলোমেলো ডায়েরি: ঈদ ইন বিদেশ ভার্সেস বাংলাদেশ। দেশীয় ঈদের যে ৬ টি জিনিস প্রবাসে সবচেয়ে মিস করি!
[link|https://www.somewhereinblog.net/blog/samupagla007/30250594|এলোমেলো ডায়েরী (২): ৭ টি গা জ্বালানি বাংলাদেশী... ...বাকিটুকু পড়ুন

রাশিয়ান নিউক্লিয়ার মনিটরিং স্টেশন এর নিরবতাঃ কিসের আভাস?

লিখেছেন আর্কিওপটেরিক্স, ২০ শে আগস্ট, ২০১৯ সন্ধ্যা ৭:২২


৮ই আগষ্ট রাশিয়ান মিলিটারি টেস্টিং ফ্যাসিলিটিতে একটি বিস্ফোরণ ঘটে। এরপর থেকে রাশিয়ার ৪টি নিউক্লিয়ার মনিটরিং স্টেশন থেকে ডেটা ট্রান্সমিশান বন্ধ হয়ে গেছে। এই মনিটরিং স্টেশনগুলো বাতাসে রেডিয়েশান লেভেল... ...বাকিটুকু পড়ুন

সমন্বিতা

লিখেছেন পদাতিক চৌধুরি, ২১ শে আগস্ট, ২০১৯ রাত ১২:২০



সাহেবকে বলে আজ একটু তাড়াতাড়ি অফিস থেকে বার হলাম। নাহ আজ আর অন্য কোথাও যাব না, তাড়াতাড়ি বাড়িতে ফিরতে হবে। দ্রুত পা চালিয়ে স্টেশনে গেলাম। বেশিক্ষণ দাঁড়াতে... ...বাকিটুকু পড়ুন

মাটিতে পুতা কুরবানীর পশুর চামড়াই ধ্বংসের হাতিয়ার হয়ে ঝাপিয়ে পড়ুক চামড়াশিল্পের অশুভ সিন্ডিকেট বিনাশে

লিখেছেন ডঃ এম এ আলী, ২১ শে আগস্ট, ২০১৯ ভোর ৬:০৭


ছবি সুত্র : Click This Link

পর্ব-১ : চামড়া শিল্পের পতনকে চামড়ার চাবুক মেরেই প্রতিকার

কোরবানির পশুর চামড়ার বাজারে ধ্বস নেমেছে। কোরবানির চামড়ার বাজারে ধ্বস নামার নেপথ্য কারণ... ...বাকিটুকু পড়ুন

×