somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

গরমের দিনে দুপুরে ঘরের মেঝে ঘেমে যাওয়া

০৮ ই এপ্রিল, ২০১৭ সকাল ১১:০১
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

সকাল সকাল প্রতিষ্ঠিত এক অনলাইন পত্রিকার নিউজ নজরে আসলো। তারা ময়ননসিংহসহ দেশের বিভিন্ন জায়গায় বিভিন্ন বাসা বাড়ির মেঝে দুপুরের দিকে ভিজে স্যাঁতস্যাঁতে হয়ে যাওয়া নিয়ে রিপোর্ট করেছে। কিন্তু এর জন্য বিশেষজ্ঞ কারও মতামত প্রকাশ করেনি। এটা নাকি বড় ধরনের বিপর্যয়ের লক্ষন। কথাটা আংশিক সত্য। কারন এটা জলবায়ু পরিবর্তনের একটা ইফেক্ট বলা যায়। কিন্তু তারা যে অর্থে বলেছে সেটা ঠিক নয়। আবার অনেকে বলেছে এটা নাকি বড় ধরনের ভূমিকম্পের পুর্বাভাস। ফেইসবুক স্ট্যাটাসেও অনেকের উৎকন্ঠা দেখলাম। যাই হোক, মুল কথায় আসি। এটা একটা সাধারন প্রাকৃতিক ঘটনা, এতে ভয়ের কিছু নেই। বাতাসের উষ্ণতা বেড়ে গেলে এমনটা হতে পারে। কারন আমরা জানি মাটি বা কংক্রিট অনেক বেশি সময় তাপ ধরে রাখতে পারে। যার কারনে প্রায় দুপুর পর্যন্ত মেঝে ঠান্ডাই থাকে। আর গরম কালে বাতাসে জলীয় বাষ্পের পরিমান বেশি থাকে। যার জন্য এই উষ্ণ বাতাস যখন শীতল মেঝের সংস্পর্শে আসে তখন ঘনিভূত হয়। যার কারনে মেঝে ভিজে স্যাঁতস্যাঁতে হয়ে যায়। একে সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং এর ভাষায় Concrete Sweating বলে।
আর এই জলীয় বাষ্প পানিতে রুপান্তরিত হতে কিছু তাপ বাতাসে ছেড়ে দেয়। যার জন্য এমন ভ্যাপসা গরম লাগে।
এবার আসি কেন এমন হচ্ছে। এর কারন হচ্ছে জলবায়ু পরিবর্তনের ফলাফল। পরিবেশের ভারসাম্য দিন দিন নষ্ট হয়ে যাচ্ছে। বায়ুমন্ডলের তাপমাত্রা বৃদ্ধির জন্য দিন দিন সমুদ্র পৃষ্ঠের উচ্চতা বেড়ে যাচ্ছে (প্রতিবছর প্রায় ৩.৬ মি. মি. করে)। যার দরুন পৃথিবী পৃষ্ঠের তাপমাত্রা কমে যাচ্ছে। মানে পৃথিবী পৃষ্ঠের তাপমাত্রা কমে যাচ্ছে আর বায়ুমন্ডলের তাপমাত্রা বেড়ে যাচ্ছে। তাই পৃথিবী দিন দিন ভারসাম্যহীন হয়ে যাচ্ছে। যার কারনে এই মেঝে ঘেমে যাওয়া, অকালে বন্যা সহ নানান সমস্যা দেখা দিচ্ছে। এর সমাধানের বেশির ভাগই নির্ভর করছে বিশ্বনেতাদের হাতে। প্রয়োজন কার্বন নিঃসরন কমানো সহ পরিবেশ সংক্রান্ত বিষয় গুলোতে সবার ঐক্যমতে পৌছে এক যোগে কাজ করা। আর আমাদেরও করণীয় হলো বেশি বেশি গাছ লাগানো, সবাইকে পরিবেশ দুষনরোধে সবাইকে সচেতন করা।
১টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

"বহু দিন পর বন্ধু"

লিখেছেন সনজিত, ১৯ শে আগস্ট, ২০২৬ সকাল ৮:১৮


বহু বছর পর হঠাৎ তোর সঙ্গে দেখা।
প্রথমে চিনতেই পারিনি।
তারপর একচিলতে হাসি-
মনে হলো,
সময় আমাদের চেহারা বদলেছে,
কিন্তু শৈশবের মুখটা এখনো একই রয়ে গেছে।

চোখের কোণে ক্লান্তির রেখা,
চুল অর্ধেকটা সাদা রং,
কাঁধে সংসার,... ...বাকিটুকু পড়ুন

মাংসের ভুলচুক

লিখেছেন আলমগীর সরকার লিটন, ১৯ শে আগস্ট, ২০২৬ দুপুর ১২:০৬


বারে কুত্তার চোখ রঙিন
স্বপ্ন দেখে তাই ঘিন ঘিন
তাই দেখে হাড্ডি হাসে
পিন পিন, নাকের পুহান ঘুম
রক্ত হবে সুরেশ এই চুম;
ঐ গুরুজনে কইছে কথা
কুত্তার পেটে ঘি করে ব্যথা
স্বপ্ন তো দেখবেই ভুক... ...বাকিটুকু পড়ুন

দ্বিচারিতার এক অদ্ভুত মহাকাব্য

লিখেছেন এস.এম. আজাদ রহমান, ১৯ শে আগস্ট, ২০২৬ দুপুর ১:২৩



দ্বিচারিতার এক অদ্ভুত মহাকাব্য

যতদিন যাচ্ছে, ততই মনে হচ্ছ -এই দেশের তরুণ প্রজন্মের একটা বড় অংশকে নিয়ে আশাবাদী হওয়াটা রীতিমতো বিলাসিতা হয়ে দাঁড়াচ্ছে।
সেদিন দেখলাম, এক ছাত্রশিবির নেতা মঞ্চে দাঁড়িয়ে... ...বাকিটুকু পড়ুন

=আয় সখিরা ফিরে যাই মেয়ে বেলা=

লিখেছেন কাজী ফাতেমা ছবি, ১৯ শে আগস্ট, ২০২৬ রাত ১০:৪৯


যাবি নাকি তোরা সখি
আমার সাথে মেয়েবেলা;
যেখানটাতে বসতো যে রোজ
কানামাছি বউছি খেলা।

ভাইবোনেরা রোজ বিকেলে
মাঠে হতাম সমবেত,
ডাংগুলি আর গোল্লাছুটে
বিকেল-খেলায় কেটে যেত।

খেলার আসর উঠোনজুড়ে
তোরাও কী খেলতি এমন?
করলে স্মরণ অতীতের দিন
বুকে লাগে কেমন কেমন।

আয়... ...বাকিটুকু পড়ুন

আমি মাস্টার্স পাস করে ড্রাইভিং পেশা বেছে নিয়েছি

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ২০ শে আগস্ট, ২০২৬ রাত ১২:৪৩


পিংক বাস সার্ভিসের একজন নারী চালক, নাম রাবেয়া খাতুন। তিনি মাস্টার্স পাশ করে বাস চালাচ্ছেন। খবরটা পড়ে অনেকেই বাহবা দিচ্ছেন, কেউ কেউ বলছেন বাংলাদেশ এমন প্রতিভাকে ধরে রাখার যোগ্য... ...বাকিটুকু পড়ুন

×