গার্মেন্টস শ্রমিকদের প্রতিঃ
দেশের জমিদারী যাদের হাতে তাদের সাথে যুদ্ধ চলে না।
যে দেশে এম.পি দের একটি বড় অংশ ব্যবসায়ী, আর তাদের মধ্যে প্রায় সবাই কোনো না ভাবে গার্মেন্টস এর সাথে যুক্ত সেখানে গার্মেন্টস শ্রমিকদের মজুরির সংগ্রাম দমনে পুলিশ ও সরকার একেজোট হয়ে কাজ করবে সেটা তো সবারই জানা।
এই গার্মেন্টস শ্রমিকরা আবার নির্বাচনের সময় তাদের মালিক বা তার বন্ধুদেরই ভোট দেয়- আজকাল তো আবার বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হওয়ার সংস্কৃতি চালু হয়েছে।
এই গার্মেন্টস শ্রমিকরাও বেআক্কেল। রোজার মাস সংযমের। তাদের কে বুদ্ধি দিয়েছে এর মধ্যে টাকার জন্য বা মজুরির জন্য রাস্তায় নামতে? না হলে কি পুলিশের এমন আচরণ করতে হয়?
শ্রমিকদের মজুরির দরকার কি? কয়দিন অপেক্ষা করলে তো বোনাসই পাবে।বোনাসের সাথে বেতন যুক্ত হলে ঈদের আনন্দটা বেশি হয় এটাও তারা জানে না। আসলে ভালটা বোঝার ক্ষমতাই তাদের নাই।
তাছাড়া মানুষ এখন ব্যস্ত বিশ্বকাপ ফুটবলে। তোমরা রাজ জেগে ফুটবল দেখো আবার দিনে আন্দোলন- তাইলে প্রোডাকশন কখন করবা? প্রোডাকশন ছাড়া বেতন ভাতা পাবা কেমনে? তাছাড়া মালিকদের কত ঝামেলা তার কি খবর রাখো। আগুণ ধরলে, দালান ভাঙলে- কোটি কোটি টাকা তো তোমাদেরই দিতে হয়।এই আন্দোলন টান্দোলনে তোমাদেরই বেশি ।
আসলে শ্রমিকের জাতই খারাপ। নিজের ভাল মালিকের ভাল বোঝে না। মালিকরে ঝামেলয় ফেললে ওরা কি ভালো থাকবো নাকি? ওদের বোঝা দরকার দেশটা ওদের না- দেশটা মন্ত্রী এমপি রাজনীতিকদের যরা দেশ দেশের মানুষ,দ প্রকৃতি, নদনদী সব কিছুকে পণ্য বানিয়েছে। একদল আন্দোলনের নামে গাছ কাটবে- আরেক দল বিদ্যুতকেন্দ্রের নামে বন ধ্বংশ করবে। একদল পুৃলিশ দিয়ে আন্দোলন দমন করবে- আরেক দল গান পাউডার দিয়ে পুড়িয়ে মারবে।
দেশের জমিদারী যাদের হাতে আছে-তাদের সাথে যুদ্ধ করাটা গার্মেন্টস শ্রমিকদের বোকামী।
ভুলেও ওই কাজ করা ঠিক হবে না।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




